তামাকের শেষ পরিনতি রোগ, দারিদ্র্য ও অকালমৃত্যু : ফয়সল আহমদ বাবুল


sylnews24 প্রকাশের সময় : মে ৩১, ২০২৬, ৭:০৫ পূর্বাহ্ন /
তামাকের শেষ পরিনতি রোগ, দারিদ্র্য ও অকালমৃত্যু : ফয়সল আহমদ বাবুল

সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে মানুষের জীবনযাত্রায় এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। প্রযুক্তি হয়েছে আরও উন্নত। যোগাযোগ ব্যবস্থা হয়েছে সহজ ও দ্রুত। তবে একই সঙ্গে বেড়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও আসক্তি। আধুনিকতার চাকচিক্যের আড়ালে তামাক আজও জনস্বাস্থ্যের বড় হুমকি। রঙিন বিজ্ঞাপন ও আকর্ষণীয় বিপণন কৌশলে মানুষকে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। বিশেষ করে তরুণরা বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। প্রতি বছর ৩১ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস। দিবসটি তামাকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য, “মিথ্যা আকর্ষণের মুখোশ উন্মোচন: নিকোটিন ও তামাক আসক্তি মোকাবেলায় পদক্ষেপ গ্রহণ”। এই প্রতিপাদ্য বিষয়টি নতুন প্রজন্মকে নিকোটিনের আসক্তি থেকে রক্ষার আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে এটি একটি সুস্থ ও তামাকমুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, তামাক একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। প্রতিবছর প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষ তামাকজনিত রোগে মারা যায়। এর মধ্যে প্রায় ১৬ লক্ষ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার। অর্থাৎ যারা নিজেরা কখনো ধূমপান করেন না, তারাও অন্যের ধোঁয়ার কারণে প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত হন। তামাকের ধোঁয়ায় চার হাজারের বেশি রাসায়নিক উপাদান রয়েছে। এর অনেকগুলোই মানবদেহের জন্য বিষাক্ত। অন্তত ৪৩টি উপাদান ক্যান্সার সৃষ্টি করতে সক্ষম। নিকোটিন, কার্বন মনোক্সাইড ও আর্সেনিক এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ক্যাডমিয়াম, ফরমালিন ও অ্যামোনিয়াও থাকে। এসব রাসায়নিক ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত করে। দীর্ঘমেয়াদে তা গুরুতর রোগের কারণ হয়ে ওঠে।

অনেকেই ধূমপানকে ব্যক্তিগত অভ্যাস বলে মনে করেন। কিন্তু বাস্তবে এটি একটি ধীরগতির আত্মবিনাশী প্রক্রিয়া। তামাকে থাকা নিকোটিন মস্তিষ্কে ডোপামিন হরমোনের নিঃসরণ বাড়ায়। এতে সাময়িক আনন্দ ও প্রশান্তি অনুভূত হয়। এই কৃত্রিম সুখই মানুষকে আসক্তির দিকে নিয়ে যায়। শুরুটা হয় কৌতূহল থেকে। পরে তা অভ্যাসে পরিণত হয়। একসময় সৃষ্টি হয় নির্ভরতা। তখন ধূমপান ছাড়া স্বাভাবিক থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। মানুষ ধীরে ধীরে নিজের নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে। নিকোটিন তার চিন্তা ও আচরণের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। ফলে একটি সাময়িক অভ্যাস পরিণত হয় দীর্ঘমেয়াদি আসক্তিতে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, তামাক বহু রোগের কারণ। এটি অন্তত ২৮ ধরনের রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। ফুসফুস ও মুখগহ্বরের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। হৃদরোগ ও স্ট্রোকের অন্যতম কারণও তামাক। যক্ষা ও ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) এর ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি রোগ ও আলসার হতে পারে। যৌন দুর্বলতা ও বন্ধ্যত্বের সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে। গর্ভবতী নারীদের জন্য এটি আরও ক্ষতিকর। এতে মৃত সন্তান জন্মের ঝুঁকি বাড়ে। অকাল প্রসবও ঘটতে পারে। অপুষ্ট শিশুর জন্মের আশঙ্কা থাকে। তাই তামাকের ক্ষতি একজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি পুরো পরিবার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রভাবিত করে।

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তরুণদের নিকোটিন আসক্তি। প্রচলিত সিগারেটের পাশাপাশি নতুন পণ্যও ছড়িয়ে পড়ছে। ই-সিগারেট, ভ্যাপ ও হিটেড টোব্যাকো পণ্য এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। এসব পণ্যকে আধুনিক ও আকর্ষণীয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। রঙিন প্যাকেট ও সুগন্ধযুক্ত ফ্লেভার ব্যবহার করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলে নানা প্রচারণা। এর প্রধান লক্ষ্য কিশোর ও তরুণরা। বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকে আসক্তির ঝুঁকি। এসব পণ্য নিকোটিন নির্ভরতার নতুন ফাঁদ তৈরি করছে। তাই ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য একটি সময়োপযোগী বার্তা বহন করে। এটি মিথ্যা আকর্ষণের মুখোশ উন্মোচনের আহ্বান জানায়।

বাংলাদেশও এই বৈশ্বিক সংকটের বাইরে নয়। শহর থেকে গ্রাম, সর্বত্র তামাকের ব্যবহার রয়েছে। সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুল ও খৈনি এখনো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ধোঁয়াবিহীন তামাকও সমানভাবে ক্ষতিকর। বিশেষত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনসমাগমস্থলের আশপাশে এসব পণ্যের সহজলভ্যতা উদ্বেগজনক। এতে কিশোরদের মধ্যে আসক্তির ঝুঁকি বাড়ছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে। “ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” জারি করা হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই অধ্যাদেশে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিধান যুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক ও খেলাধুলার স্থানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিশু পার্কের আশপাশেও এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এর উদ্দেশ্য শিশু ও কিশোরদের সুরক্ষা দেওয়া। তামাকজাত দ্রব্যের সহজ প্রাপ্যতা কমানোই এর লক্ষ্য। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তামাক সেবনও নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। আইন ভঙ্গকারীদের জন্য অর্থদণ্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একই অপরাধ বারবার করলে শাস্তির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে। এটি তামাক নিয়ন্ত্রণে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।

অধ্যাদেশটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ই-সিগারেট ও ভ্যাপ নিষিদ্ধ করা। ই-লিকুইড ও হিটেড টোব্যাকো পণ্যও এর আওতায় এসেছে। এসব পণ্যের উৎপাদন, আমদানি ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিপণন, বিজ্ঞাপন ও ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে সতর্ক করে আসছিলেন। তাদের মতে, এসব পণ্য তরুণদের নিকোটিন আসক্তির দিকে ঠেলে দেয়। সরকার সেই বাস্তবতা বিবেচনায় কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এটি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

এছাড়া কুম্ভি পাতা, টেন্ডু পাতা বা অন্যান্য গাছের পাতা দ্বারা মোড়ানো বিড়ির উৎপাদন ও ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ধরনের পণ্যের বিপণন ও বিক্রির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তামাকজাত দ্রব্যে অতিরিক্ত আসক্তিকর বা ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানোর বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ অপরাধের জন্য জরিমানা ও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এটি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একই সঙ্গে সামাজিক দায়িত্ববোধেরও প্রকাশ।

তামাকের ক্ষতি শুধু মানুষের শরীরেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি পরিবেশ ও অর্থনীতির জন্যও বড় হুমকি। তামাক চাষে বিপুল উর্বর জমি ব্যবহৃত হয়। সেই জমিতে খাদ্যশস্য উৎপাদন করা যেত। তামাক পাতা শুকাতে প্রচুর কাঠ পোড়ানো হয়। এতে বন উজাড়ের হার বাড়ে। জীববৈচিত্র্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সিগারেটের ফিল্টার অন্যতম বড় প্লাস্টিক বর্জ্য। এসব বর্জ্য নদী, খাল ও সমুদ্রে জমা হয়। মাটি ও পানির দূষণও বাড়ায়। ফলে তামাক মানুষের পাশাপাশি প্রকৃতিরও নীরব শত্রু।

তামাকের অর্থনৈতিক ক্ষতিও কোন অংশে কম নয়। একজন ধূমপায়ী নিয়মিত আয়ের একটি অংশ তামাক কেনার পেছনে ব্যয় করেন। সময়ের সঙ্গে এই ব্যয় আরও বাড়তে থাকে। তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচও বৃদ্ধি পায়। এতে পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে সঞ্চয় ভেঙে চিকিৎসা চালাতে হয়। কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ায় আয়ও হ্রাস পায়। সমাজ হারায় দক্ষ ও উৎপাদনশীল জনশক্তি। অন্যদিকে রাষ্ট্রকে চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য খাতে অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হয়। ফলে তামাক থেকে যে রাজস্ব আয় হয়, তার তুলনায় ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। জাতীয় অর্থনীতির ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যাপক।

ধূমপান শুধু একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যা নয়। এটি একটি গুরুতর সামাজিক ব্যাধি। একজন ধূমপায়ী নিজের পাশাপাশি অন্যদেরও ক্ষতির মুখে ঠেলে দেন। তার পরিবার, সহকর্মী ও আশপাশের মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। বিশেষ করে শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তারা নিজেরা ধূমপান না করেও ক্ষতিকর ধোঁয়া গ্রহণ করে। এর ফলে শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। হাঁপানি ও নিউমোনিয়ার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। এছাড়া বিভিন্ন শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। তাই ধূমপানের ক্ষতি ব্যক্তি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়। এটি পরিবার ও সমাজের জন্যও একটি বড় উদ্বেগের বিষয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৫ সালের গ্লোবাল টোব্যাকো কন্ট্রোল রিপোর্ট আশাব্যঞ্জক তথ্য তুলে ধরেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ধূমপানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০১০ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে এ অঞ্চলে ধূমপানের হার প্রায় ৪০ শতাংশ কমার সম্ভাবনা দেখা গেছে। ভিয়েতনাম এ ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। দেশটিতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর ফলে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের মধ্যে ধূমপানের হার ৪৭ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। কিশোর-কিশোরীদের মধ্যেও তামাক ব্যবহারের হার কমেছে। এসব সাফল্য প্রমাণ করে, শক্তিশালী নীতি ও কার্যকর আইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিও অত্যন্ত জরুরি। সরকার ও জনগণ একসঙ্গে কাজ করলে তামাক নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

তামাকমুক্ত সমাজ গড়তে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শুধু আইন প্রণয়ন করলেই যথেষ্ট নয়। আইনের কার্যকর বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে। তামাকজাত পণ্যের ওপর উচ্চ হারে কর আরোপ করা দরকার। সব ধরনের তামাক বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করা প্রয়োজন। ধূমপান ত্যাগে কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসন সেবা বাড়াতে হবে। তরুণদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে। পরিবারকে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে। বিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। গণমাধ্যমকে ইতিবাচক প্রচারণা চালাতে হবে। ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে উঠতে পারে একটি সুস্থ ও তামাকমুক্ত সমাজ।

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬ আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য স্মরণ করিয়ে দেয়। মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার সুস্থ জীবন। নিকোটিনের আকর্ষণ অনেক সময় মিথ্যা ও প্রতারণামূলক। এর পরিণতি হতে পারে অসুস্থতা, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং অকালমৃত্যু। তাই তামাকের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু স্বাস্থ্য রক্ষার বিষয় নয়। এটি মানবিক দায়িত্বও বটে। এটি সচেতনতা বৃদ্ধির একটি আন্দোলন। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখার প্রচেষ্টাও। আমাদের সবাইকে এ কাজে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে শিশুরা ধোঁয়ামুক্ত পরিবেশে বড় হবে। আগামী প্রজন্ম পাবে সুস্থ, নিরাপদ ও তামাকমুক্ত একটি সমাজ।

লেখক: এমপিএইচ, এমডিএস, এমএড
এডুকেটর, পাবলিক হেলথ স্পেশালিষ্ট, কলামিস্ট