শিক্ষকের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বিএড-এমএড : ফয়সল আহমদ বাবুল


sylnews24 প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ন /
শিক্ষকের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বিএড-এমএড : ফয়সল আহমদ বাবুল

শ্রেণিকক্ষে একজন শিক্ষক দাঁড়িয়ে আছেন। সামনে রয়েছে চল্লিশ-পঞ্চাশজন শিক্ষার্থী। প্রত্যেকের বয়স, মেধা, অভিজ্ঞতা ও পারিবারিক পরিবেশ ভিন্ন। কারও চোখে কৌতূহল, কারও চোখে অন্যমনস্কতা, কেউ দ্রুত বুঝছে, কেউ একই কথা কয়েকবার শুনেও বুঝতে পারছে না। কেউ প্রশ্ন করতে আগ্রহী, কেউ ভুল করার ভয়ে নীরব। শিক্ষক হয়তো তাঁর বিষয়ের একজন দক্ষ মানুষ। কিন্তু তিনি কি জানেন, এই ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষার্থীকে কীভাবে শেখার অভিন্ন যাত্রায় যুক্ত করতে হয়? এখানেই বিষয়জ্ঞান ও শিক্ষকতার পেশাগত দক্ষতার পার্থক্য।

একজন দক্ষ শিক্ষক গড়ে তুলতে এই জায়গাতেই বিএড ও এমএডের গুরুত্ব সামনে আসে। এগুলো শিক্ষকের পেশাগত দক্ষতা বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। একজন শিক্ষককে ভালোভাবে পড়ানোর দক্ষতা অর্জনে সাহায্য করে। শ্রেণিকক্ষ পরিচালনায় দক্ষ করে। শিক্ষার্থীর শেখার সমস্যা বুঝতে শেখায়। একই সঙ্গে গবেষণা ও আত্মউন্নয়নের পথও তৈরি করে। এভাবেই একজন শিক্ষক ধীরে ধীরে একজন দক্ষ ও পেশাদার শিক্ষক হয়ে ওঠেন।

বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান ২০২৩ অনুযায়ী, জুনিয়র ও মাধ্যমিক শিক্ষায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১ অনুপাত ৩৪ এবং ৭১ দশমিক ৮৬ শতাংশ শিক্ষক প্রশিক্ষিত ছিলেন। প্রায় ২৮ শতাংশ তখনও প্রশিক্ষণের বাইরে। একই সময়ে দাখিল থেকে কামিল পর্যন্ত ৯,২৫৯টি মাদ্রাসায় ৪১ দশমিক ৩ লাখের বেশি শিক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে ৬,৫১১টি দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ছিল ১ অনুপাত ২৩ এবং ১,৩৯৪টি আলিম মাদ্রাসায় ছিল ১ অনুপাত ২২। শিক্ষার্থীর সংখ্যা যত বেশি, দক্ষ শিক্ষকের প্রয়োজনও তত বেশি। তাই শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি তাঁদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো জরুরি। দক্ষ শিক্ষক তৈরির অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো পেশাগত প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণের সার্থকতা সনদ অর্জনের পাশাপাশি তার বাস্তব প্রয়োগের মধ্যেও নিহিত। প্রশিক্ষণের জ্ঞান শ্রেণিকক্ষে প্রয়োগ হলেই তার প্রকৃত সুফল শিক্ষার্থীর শেখায় প্রতিফলিত হবে।

মাধ্যমিক লেভেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষককে প্রতিদিন নানা বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। পাঠ্যবই সবার জন্য একই হলেও শিক্ষার্থীর শেখার জগত কিন্তু একই নয়। শহরের শিক্ষার্থী, গ্রামের শিক্ষার্থী, হাওরাঞ্চলের শিক্ষার্থী কিংবা উপকূলের শিক্ষার্থী ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে শ্রেণিকক্ষে আসে। একজন দক্ষ শিক্ষক সেই অভিজ্ঞতাগুলোকে পাঠদানের অংশ করে তুলতে পারেন। এতে বইয়ের জ্ঞান শিক্ষার্থীর জীবনের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং শেখা আরও কার্যকর হয়ে ওঠে।

শিক্ষাবিদ লি শুলম্যানের পেডাগজিক্যাল কনটেন্ট নলেজ (পিসিকে) ধারণা শিক্ষকতার এই বাস্তবতাকে ব্যাখ্যা করে। একজন শিক্ষককে বিষয়জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি সেই জ্ঞান শিক্ষার্থীর কাছে সহজ, স্পষ্ট ও অর্থবহ করে উপস্থাপনের দক্ষতাও অর্জন করতে হয়। যেমন, একজন পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক আলোর প্রতিফলনের সূত্র জানেন। কিন্তু আয়না, টর্চ ও দৈনন্দিন জীবনের পরিচিত উদাহরণ ব্যবহার করে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর কাছে সেই ধারণা সহজ করে তুলতে পারাই তাঁর পেশাগত দক্ষতার পরিচয়।

সিলেটের হাওর এলাকার একটি বিদ্যালয়ে পানিদূষণ পড়ানো হচ্ছে। শিক্ষক চাইলে বইয়ের সংজ্ঞা শেখাতে পারেন। মুখস্থ করাতেও পারেন। আবার পাঠটিকে শিক্ষার্থীর জীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে পারেন। তিনি প্রশ্ন করতে পারেন- বর্ষাকালে হাওরের পানি কোথা থেকে আসে? কোন পানি পান করা হয়? পানিতে ময়লা পড়লে মাছের কী হয়? মানুষের কী ক্ষতি হতে পারে? এভাবে পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত হয়। শেখা হয়ে ওঠে সহজ ও অর্থবহ। শিক্ষা দার্শনিক জন ডিউইয়ের অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষাদর্শনের বাস্তব প্রয়োগ তখন শ্রেণিকক্ষেই ঘটে।

চরাঞ্চলের বিদ্যালয়ে শতকরা শেখাতে শিক্ষক স্থানীয় কৃষিজীবনের উদাহরণ নিতে পারেন। ১০ মণ ধানের ২০ শতাংশ কিংবা বিক্রি হওয়া ধানের হিসাব শিক্ষার্থীর কাছে গণিতকে সহজ ও পরিচিত করে তোলে। একইভাবে উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তন শেখাতে লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড় ও ফসলের ক্ষতির অভিজ্ঞতা যুক্ত করা যায়। এতে পাঠ্যবিষয় বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আরও অর্থবহ হয়ে ওঠে।

শিক্ষাদর্শনের তত্ত্ব বইয়ের পাতায় জন্ম নেয়। কিন্তু তার প্রকৃত মূল্যায়ন হয় শ্রেণিকক্ষে। ফরাসি শিক্ষাচিন্তাবিদ জ্যাঁ জাক রুশোর শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষা শিক্ষার্থীকে গুরুত্ব দেয়। সুইস শিক্ষাবিদ জোহান হাইনরিশ পেস্তালোৎসির ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ড’ জ্ঞান, অনুভূতি ও কাজের সমন্বয় ঘটায়। মার্কিন শিক্ষাবিদ জন ডিউই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার কথা বলেন। ইতালীয় শিক্ষাবিদ মারিয়া মন্টেসরি স্বাধীন শিক্ষার পরিবেশের কথা বলেন। সুইস শিক্ষাচিন্তাবিদ জ্যাঁ পিয়াজে জ্ঞানীয় বিকাশকে গুরুত্ব দেন। রুশ শিক্ষা ও মনোবিজ্ঞানী লেভ ভাইগটস্কি সামাজিক শিক্ষণের ওপর জোর দেন। স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করলে এসব ধারণা বাংলাদেশের শ্রেণিকক্ষেও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব। শিক্ষার্থীর বয়স, পরিবেশ, অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে প্রয়োগ করলেই তত্ত্বগুলো জীবন্ত হয়ে ওঠে।

সাধারণ শিক্ষা ও মাদ্রাসা শিক্ষার কাঠামোতে কিছু পার্থক্য রয়েছে। তবে উভয় ধারার শিক্ষার্থীর মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতার প্রয়োজন প্রায় একই। বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ। মাদ্রাসা শিক্ষায় এসব বিষয়ের সঙ্গে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাও যুক্ত রয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ দাখিল পর্যায়ে এসব বিষয়ের পাশাপাশি শিক্ষক প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রযুক্তির ব্যবহার ও আধুনিক মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সাধারণ বিদ্যালয় ও দাখিল মাদ্রাসার বিজ্ঞান ক্লাসে ‘বাস্তুতন্ত্র’ শেখানোর লক্ষ্য একই হতে পারে। স্থানীয় পুকুর, গাছপালা ও কৃষিজমি দিয়ে শিক্ষক বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে পারেন। উৎপাদক, খাদক ও পচনকারীর সম্পর্ক শিক্ষার্থীরা বাস্তব উদাহরণে সহজে বুঝতে পারে। বিজ্ঞান শিক্ষক এর সঙ্গে সৃষ্টিজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা ও পরিবেশ রক্ষায় মানুষের দায়িত্ব যুক্ত করতে পারেন। মাদ্রাসার শিক্ষক এর সঙ্গে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের সংযোগ ঘটাতে পারেন। ফলে বিজ্ঞান হয়ে ওঠে বাস্তব ও জীবনঘনিষ্ঠ।

ইংরেজি শিক্ষায় ভাষার ব্যবহারিক অনুশীলন গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা উভয় ক্ষেত্রেই গ্রামার-এর সঙ্গে পেয়ার ওয়ার্ক, ডায়ালগ, রোল প্লে, ছবি দেখে বর্ণনা ও দৈনন্দিন কথোপকথন যুক্ত করা যায়। এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের ভাষা ব্যবহারে সক্রিয় করে। ফলে ইংরেজি শেখা আরও সহজ ও আনন্দময় হয়। বড় শ্রেণিকক্ষে দলীয় কাজ, পিয়ার লার্নিং ও আলোচনা শিক্ষার্থীদের ধেখার আগ্রহ বৃদ্ধি করে। ভাইগটস্কির সামাজিক শিক্ষণ ধারণা এমন পরিবেশে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। একজন শিক্ষার্থী কখনো শুধু শিক্ষকের কাছ থেকেই শেখে না, সহপাঠীর কাছ থেকেও শেখে। একইভাবে ভুল উত্তরকে শেখার অংশ হিসেবে গ্রহণ করা জরুরি। এতে শিক্ষার্থী ভয় না পেয়ে নিজের চিন্তা প্রকাশ করতে শেখে। এসব কার্যকর পদ্ধতি প্রয়োগের জন্য প্রয়োজন প্রশিক্ষিত, সচেতন ও প্রতিফলনশীল শিক্ষক।

বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ শিক্ষক প্রশিক্ষণের বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষকদের নিয়োগের পর প্রয়োজনীয় ভিত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সি-ইন-এড ও বিএড সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে আধুনিক শিক্ষণপদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মূল্যায়ন ও ব্যবহারিক শিক্ষার কথাও বলা হয়েছে। ইন্টার্নশিপ, তথ্যপ্রযুক্তি ও গবেষণায় শিক্ষকদের অংশগ্রহণের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রের শিক্ষানীতিতে একজন শিক্ষককে বিষয়জ্ঞান ও পেশাগত প্রশিক্ষণে দক্ষ করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকতার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে বিএড-এমএড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে এর সার্থকতা নির্ভর করে শ্রেণিকক্ষে এর বাস্তব প্রয়োগের ওপর। প্রশিক্ষণের প্রভাব শিক্ষকের প্রশ্ন করার ধরনে দেখা যায়। পাঠপরিকল্পনায় তার প্রতিফলন থাকে। শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ বাড়ে। মূল্যায়নের পদ্ধতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। দুর্বল শিক্ষার্থীর প্রতিও শিক্ষক আরও যত্নশীল ও সহায়ক হয়ে ওঠেন।

এমএড শিক্ষককে গবেষণামুখী করে তোলে। একজন শিক্ষককে নিজের কাজ নিয়ে ভাবতে শেখায়। তিনি শ্রেণিকক্ষের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করতে পারেন। শিক্ষার্থীরা কতটা শিখছে, তা বিশ্লেষণ করতে পারেন। কোন পদ্ধতিতে তারা ভালো শিখছে, সেটিও বুঝতে পারেন। প্রয়োজনে নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করে তার ফলাফল দেখতে পারেন। এভাবে একজন শিক্ষক শুধু পাঠদানকারী নন, তিনি হয়ে ওঠেন একজন শিক্ষক গবেষক। শিক্ষার মানোন্নয়নে এই ধরনের শিক্ষক খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আজকের বাংলাদেশে শিক্ষার পরিমাণগত সম্প্রসারণের পাশাপাশি গুণগত উৎকর্ষের প্রশ্নটি ক্রমেই সামনে আসছে। বিদ্যালয় বেড়েছে, শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ বেড়েছে, প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে। কিন্তু শ্রেণিকক্ষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানটি এখনও শিক্ষক। একটি স্মার্ট বোর্ড শিক্ষার্থীর সামনে তথ্য দেখাতে পারে, কিন্তু শিক্ষার্থীর চোখে প্রশ্ন জাগাতে পারে শিক্ষকই। একটি পাঠ্যবই তথ্য দিতে পারে, কিন্তু সেই তথ্যকে জীবনের সঙ্গে যুক্ত করার কাজটি করতে হয় শিক্ষককে।

একজন শিক্ষককে বিষয়জ্ঞানকে শিক্ষাদানের দক্ষতার সঙ্গে সমন্বয় করতে হয়। তাঁকে জানতে হয় কীভাবে সেই জ্ঞান শিক্ষার্থীর কাছে অর্থবহ করে তুলতে হয়। এই পেশাগত সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্র হলো বিএড-এমএড। তাই এসব ডিগ্রির জ্ঞানকে বাস্তব শিক্ষাদানে কাজে লাগাতে হবে। শিক্ষকতার দক্ষতা বিকাশ, আত্মসমালোচনা, গবেষণা ও শ্রেণিকক্ষের ক্রমাগত উন্নয়নের জীবন্ত ক্ষেত্র হিসেবে দেখতে হবে।

অবকাঠামো শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করে। প্রযুক্তি শেখার উপকরণ বাড়ায়। পাঠ্যবই জ্ঞানের ভিত্তি গড়ে। কিন্তু শিক্ষক শিক্ষাকে জীবন্ত করেন। তিনি দুর্বল শিক্ষার্থীকে এগিয়ে নেন। কঠিন বিষয় সহজ করেন। ভুলকে শেখার সুযোগ দেন। জ্ঞানকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত করেন। এভাবেই শিক্ষক শিক্ষার মান নির্ধারণ করেন। তাই শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে বিএড, এমএড ডিগ্রির পাশাপাশি নিয়মিত পেশাগত প্রশিক্ষণ অত্যাবশ্যক।

লেখকঃ শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক
সিনিয়র শিক্ষক, সিরাজুল ইসলাম আলিম মাদ্রাসা, সদর, সিলেট।