শুধু উন্নয়ন নয়, মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়নও দরকার : অমিতাভ চক্রবর্ত্তী রনি


sylnews প্রকাশের সময় : মে ২২, ২০২১, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন /
শুধু উন্নয়ন নয়, মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়নও দরকার : অমিতাভ চক্রবর্ত্তী রনি
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করেছিল। বিশ্বের বুকে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে যাদের অবদান অবিস্মরণীয় তারা হলেন – শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী, সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও এএইচএম কামরুজ্জামান। ৩০ লাখ শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা ও প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার মাধ্যমে পৃথিবীর নৃশংসতম ঘটনার জন্ম দেওয়া হয়েছিল। পাকিস্তানের পেত্মা ও দোসররা ভেবেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেই তারা বাংলাদেশে রাজত্ব কায়েম করতে পারবে। কিন্তু ‘রাখে আল্লাহ মারে কে’। ১৯৮১ সালের ১৭ ই মে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। তারপরই তিনি শুধু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের না বাংলাদেশেরই হাল ধরেছিলেন। তিনি এরশাদ বিরোধী আন্দোলনসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পরই তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপরেখা পাল্টে দিয়েছিলেন। হেনরি কিসিঞ্জার এর সেই Bottom Less Basket এর দেশকে তিনি বিশ্বের বুকে নতুন করে দ্বার করিয়েছেন। ১৯৯৭ সালের পাবর্ত্য চট্টগ্রামের শান্তি চুক্তি তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করার জন্য দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।জননেত্রীর অগ্রযাত্রাকে রুখে দেওয়ার জন্য বার বার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। ২১ শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা সহ তাকে প্রায় ২০ বারের ওপর হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। তত্বাবধায়ক সরকারের সময় তাকে কারাবরণ করতে হয়েছে। ১/১১ এর মত বাংলাদেশে কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত করা হয়েছে। কোন অপশক্তিই জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যাকে দাবায়ে রাখতে পারেনি। তিনি ২০০৮ সালে আবারও জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসেন। তারপর থেকে বাংলাদেশকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনি ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ এই তিন টার্মে ক্ষমতায় বসে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তাঁর জাদুকরী নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে ইউএন কর্তৃক উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জননেত্রীর অসাধারণ নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। যা অতীতের কোনো সরকারের সাথে তুলনা করা চলে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জাদুকরী নেতৃত্বের At a glance : • স্থলসীমা বিজয় • সমুদ্র বিজয় • মহাকাশ বিজয় (বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট) • যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকর • জাতির জনকের হত্যার বিচার • পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন • প্রায় ৬৬ হাজার এর বেশি গৃহহীনদের পাকা ঘর হস্তান্তর (মোট হবে ৯ লক্ষ) • ১লা জানুয়ারি ছাত্র-ছাত্রীদের বই হস্তান্তর • মুক্তিযোদ্ধা ও বয়স্ক ভাতা বৃদ্ধিকরণ • উপবৃত্তির সুযোগ ও সুবিধা বৃদ্ধিকরণ • চাকুরীজীবিদের বেতন বৃদ্ধিকরণ • করোনাকালীন ননএমপিও শিক্ষকদের প্রণোদনার ব্যবস্থা • কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকদের অনুদান • কর্ণফুলি বঙ্গবন্ধু টানেল • মেট্রোরেল প্রকল্প • যমুনা বহুমুখী রেললাইন প্রকল্প • রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র • মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প • পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র • পায়রা সমুদ্রবন্দর • ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে • মহেশখালী এলএনজি টার্মিনাল • নতুন সাবমেরিন সংযুক্তকরণ • বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরী (মিরসরাই) • ১০ লাখ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও ভাসানচরে আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন • ৫৬০ টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার নির্মাণ প্রকল্প • করোনা মহামারীর সময় ১ লাখ কোটি টাকার ওপরে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা • করোনাকালীন সময়ে দক্ষিণ এশিয়ায় অর্থনীতিতে প্রথম স্থান অর্জন • মাথাপিছু আয় ২২০৪ মার্কিন ডলার • গড় আয়ু ৭২.৬ বছর • বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার • রপ্তানি আয় ৩৩.৬৭ বিলিয়ন ডলার • বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৪,৪২১ মেগাওয়াট • বিদ্যুৎ আওতাধীন জনগোষ্ঠী ৯৯% • মোট বিদ্যুৎ কেন্দ্র ১৪০ টি • দ্বীপ গুলোতে ক্যাবলের মাধ্যমে শতভাগ বিদ্যুৎতায়নের ব্যবস্থা • দারিদ্র্যের হার ২০.৫% • খাদ্য উৎপাদন ৪২১ লক্ষ মেট্রিকটন • বৈদেশিক বিনিয়োগ ৩৯০ কোটি ডলার • কৃষি ভর্তুকী প্রদান ৯,৫০০ কোটি টাকা • রেমিট্যান্স আয় ২১৭৪ কোটি ডলার • জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার করোনাকালীন সময়ে ৫.২ % • রপ্তানিমুখী পণ্য বহুমুখীকরণে ৪টি প্রযুক্তিকেন্দ্র • ভূমিমন্ত্রনালয়ের ডিজিটাল রেকর্ড রুম • E-passport এর যুগে পদার্পণ • মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়ক প্রশস্তকরণের মেগা প্রকল্প • সাক্ষরতার হার ৭৩.২ % • এতিম ও অসহায়দের গণভবনে বিবাহের আয়োজন • করোনা ভেকসিন বিনামূল্যে সরবরাহ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভেকসিন প্রদানের ব্যবস্থা • ICT সেক্টরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও আউটসোর্সিং এ বিশ্বে অষ্টম স্থান অর্জন • প্রত্যেক বাহিনীকে শক্তিশালীকরণ • কূটনৈতিক বিষয়ে গুরুত্ব ও বিভিন্ন বিষয়ে সফলতা • কক্সবাজার খুরুশকুল আশ্রয়ন প্রকল্প ৫তলা বিশিষ্ট ১৩৯টি ভবন ও ১০তলা বিশিষ্ট ১টি টাওয়ার • জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে নজিরবিহীন সফলতা • দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা • নিজের দল থেকেই শুদ্ধি অভিযান • ২০৩৫ সালে বিশ্বের ২৫তম অর্থনীতির সমৃদ্ধ দেশের হাতছানি • ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করার মহা পরিকল্পনা • পূর্বাচলে ১১১ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এর কাজ শুরু • রেললাইন আধুনিকায়ন প্রকল্প • খেলাধূলায় অতীতের তুলনায় সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধিকরণ ও যুব ক্রিকেট বিশ্বকাপ বিজয় • গণতন্ত্র সূচকে চতুর্থ দেশে অবস্থান • চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিবে বাংলাদেশ । সবদিক বিবেচনা করলে বলা যায়, বর্তমানে বাংলাদেশ হচ্ছে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল।
বাংলাদেশের জনগণ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবেই। একটি দেশের সামগ্রিক উন্নতিতে ‘উন্নয়ন’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেখানে যুক্তি বা তর্ক করার সুযোগ নেই। কিন্তু শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে জনগণ ভালোভাবে বাঁচতে পারে না। জনগণের জন্য সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়নও বিশেষভাবে প্রয়োজন। তবে আমাদের দেশে মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়নের জন্য কোন কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায় না। মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়ন বলতে বুঝায়, মানুষের মানসিকতার উন্নয়ন ও পরিবর্তন। মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়নে পজিটিভ মানসিকতা বিশাল ভূমিকা পালন করে। আমরা বর্তমানে এমন এক পর্যায়ে আছি, যেখানে আমরা সবকিছুতেই নেগেটিভ এর গন্ধ খুঁজি। এই নেগটিভ মানসিকতা সমাজে সংক্রমক রোগের মত ঢুকে গেছে। ছোট থেকে বড় সবাই একই মানসিকতা পোষণ করছে। বাস্তুসংস্থানের মত চক্রাকারে ঘুরছে। আর একে অন্যকে আক্রান্ত করছে। আজ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, আদালত, সংস্কৃতি, রাজনীতি সব জায়গায় নেগেটিভ মানসিকতার ছড়াছড়ি। যে বিশ্ববিদ্যালয় নতুন প্রজন্মকে পজিটিভ কিছু শিক্ষা দিবে সেই বিশ্ববিদ্যালয়েই চলে মাঝে মাঝে কাঁদা ছুড়াছুঁড়ি। অনেক ক্ষেত্রেই শিক্ষা ক্ষেত্র হচ্ছে নেগেটিভ মানসিকতা তৈরির প্রজনন কেন্দ্র। তাহলে প্রজন্ম কোথা থেকে শিখবে। প্রশ্ন রেখে গেলাম। আর শিক্ষা থেকে শুরু করে বাকি সব প্রতিষ্ঠানে একই অবস্থা। যদি ফেইসবুক ও ইন্টারনেট এর কথা বলি তাহলে তো উপায় নাই। সমগ্র পৃথিবীর গুজব তৈরির উৎকৃষ্টতম কারখানা হল বাংলাদেশ। আমরাও হুজুগে বাঙালি। সত্য ও মিথ্যা যাচাই না করেই বাঁশি বাজাতে থাকি। জাতির জনক বলেছিলেন, একটি দেশকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে নিয়ে যাওয়ার ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলার বড় হাতিয়ার হল ‘গুজব’। আর আমরা হলাম ‘হ্যাভেন অব গুজব’। এখন আর মানুষ রাতে দালান-কোঠা তৈরির স্বপ্ন দেখে না, স্বপ্ন দেখে গুজব। এভাবে চললে সত্যিই কি মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়ন সম্ভব? চলুন এবার একটু ঘুরে আসি পরিবার থেকে। তবে বেশি নয় শুধু একটা উদাহরণ দেই। বর্তমানে পরিবারের অভিভাবকরা শিক্ষকের কাছে গিয়ে আর বলে না, স্যার আমার সন্তানের ফলাফল কি হবে জানি না সে যেন সত্যিকারের মানুষ হয়। সত্যিকারের মানুষ বলতে মনস্তাত্ত্বিকভাবে সে ভাল হবে, পজিটিভ মানসিকতার মানুষ হবে, তার আচার-আচরণ, শ্রদ্ধাবোধ, মনুষ্যত্ববোধ, বিবেকবোধ, মানবিকতা, ধর্মীয় শিক্ষা দেখে অন্য মানুষ মুগ্ধ হবে। এটাই তো বুঝায়। আর এখন আমরা পাই, অভিভাবকরা শিক্ষকের সামনে আসেন, বসেন তারপর জোর গলায় বলেন, স্যার আমার সন্তানটা যেন এ প্লাস পায়, দেখবেন কিন্তু। তার মেধা থাকুক আর না থাকুক এ প্লাস চাই। সত্যিই কি আমরা মানুষ হতে পারব? বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠিকই আমাদের মানসিকতা বুঝতে পেরেছিলেন, তাই তো তিনি আক্ষেপ নিয়ে বলেছিলেন, “হে সাত কোটি বাঙালির মুগ্ধ জননী রেখেছো বাঙালি করে মানুষ করোনি “। আমরা এখন প্রায় ১৮ কোটি বাঙালি। এখনো পারিনি মানুষ হতে। মানুষ হতে হলে মানসিকতার পরিবর্তন দরকার। সেই পথে আছি কি আমরা? আগামী প্রজন্ম যতক্ষণ পর্যন্ত না পজিটিভ মানসিকতায় গড়ে উঠবে ততক্ষণ পর্যন্ত সমাজে অস্থিরতা বাড়তেই থাকবে। এখনই উপযুক্ত সময় মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা। মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়নের জন্য প্রচুর ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা। বিভিন্ন সভা ও সেমিনারের আয়োজন করা। শুধু দেশীয় নয় আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করা। স্কুল ও কলেজে মনোবিজ্ঞানী নিয়োগ দেওয়া। দরকার হলে শেখ রাসেল ডিজিটাল সেন্টারের মত বাংলাদেশের প্রত্যেকটি উপজেলায় একটা করে মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়ন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা । ফেইসবুক ও ইউটিউবে বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়ন বিষয়ে ভিডিও তৈরি করে প্রচার করা। তাহলে কিছুটা হলেও আমরা উপকৃত হতে পারব। একটা বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ যেমন – আমাদের যখন ক্ষুধা লাগে তখন পেটের ক্ষুধা নিবারনের জন্য ভাত খাই, কিন্তু মনের যখন ক্ষুধা লাগে তখন আমরা কি করি। উত্তর আসবে কিছুই না। মনের ক্ষুধা বলতে, মন যখন খারাপ থাকে, কষ্ট পায়, গালি খায়, কেউ অপছন্দ করে, কেউ অবহেলা করে, কেউ নির্যাতন করে অর্থাৎ বাজে পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া। তখন আমরা মনকে খুশি করতে কিছুই করি না। আর মনকে খুশি করার জন্যই ট্রেনিং, সেমিনার, সভা, আলোচনা, মোটিভেশন ইত্যাদি দরকার। কারণ এগুলো মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়নের পাথেয়। এগুলোর অভাবে মানুষ নেগেটিভ মানসিকতা পোষণ করে। সবকিছু উন্নয়নের পাশাপাশি আমাদের মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়ন খুবই দরকার। প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ আজ সবদিক থেকেই বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আপামর জণগণের আত্মবিশ্বাস মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবেই। দক্ষ নাবিক হলে গন্তব্যে জাহাজ পৌঁছবেই। সুতরাং বাংলাদেশের একজন বিশ্ব স্বীকৃত দক্ষ নাবিক আছে। সুতরাং জনগণের চিন্তা ও ভয়ের কোনো কারণ নাই। সবাইকে মনে রাখতে হবে, তিনি জাতির জনকের কন্যা,যোগ্য পিতার যোগ্য উত্তরসূরী। পরিশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আমাদের সরকারের কাছে একটাই প্রত্যাশা যে, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পাশাপাশি মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। তাহলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা হবে এবং নতুন প্রজন্মসহ জনগণ আরও সুখ ও শান্তি পাবে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।
 
 
অমিতাভ চক্রবর্ত্তী রনি
লেখক ও কলামিস্ট
২১মে ২০২১