বঙ্গবন্ধু ছিলেন পৃথিবীর অন্যতম মোটিভেশনাল স্পিকার : ব্যারিস্টার সুমন


sylnews প্রকাশের সময় : মার্চ ৭, ২০২১, ৮:৪৪ অপরাহ্ন /
বঙ্গবন্ধু ছিলেন পৃথিবীর অন্যতম মোটিভেশনাল স্পিকার : ব্যারিস্টার সুমন

“বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেবল শ্রেষ্ট বাঙালিই নয় বরং তিনি ছিলেন পৃথিবীর অন্যতম মোটিভেশনাল স্পিকার” – বলেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

আজ ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ দিবসে বাংলাদেশ পুলিশ কলাবাগান থানা কর্তৃক আয়োজিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন – আমি মাঝে মাঝে অবাক হই, আশ্চর্য হই যে আমরা যারা বঙ্গবন্ধুকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বলি, এটার সঙ্গে আরেকটা কথা যোগ করে নেন – মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবে বঙ্গবন্ধু পৃথিবীতে শীর্ষ দু একজনের মধ্যে থাকবেন। আমার মনে হয়, মোটিভেশন করে বঙ্গবন্ধু দেশ চালিয়েছিলেন।

আজ ৭ মার্চ। বন্ধবন্ধুর ভাষণের ব্যাপারে তখনকার আওয়ামী লীগ যারা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ছিলেন তারাই ভালো বলতে পারবেন। তবে আমি একটা কথা শুধু বলতে পারি, আমাকে ফেসবুকে ফলো করে ৪৯ লাখ মানুষ। হয়তো আমি কোনভাবে মানুষকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখি এই জন্য তারা আমার কথাগুলো শোনেন। কিন্তু বাস্তবে পৃথিবীর মোটিভেশনাল স্পিকার দের মধ্যে শীর্ষ হবেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

ছাত্রজীবনের রাজনীতির স্মৃতিচারণ করে সুমন বলেন – সবসময় ছাত্রলীগের যতো বদনাম সব আমার শরীরে লাগতো। আমাকে যারা ছাত্রলীগের ব্যাপারে খারাপ কথা বলত আমি তাদেরকে একটা কথা বলতাম যে, তোমরা ছাত্রলীগকে দেখতে পারো না ঠিকই কিন্তু বিপদে পড়লে ছাত্রলীগকেই লাগে।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন – আপনারা জানেন, আজ আমরা স্বল্পউন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের দিকে রওনা দিয়েছি।

যারা ছাত্রলীগ আছে তাদের কি বলি, শুধু এইটুকু বোঝেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ আমাদের দেশের সম্পাদ পাকিস্তানের দ্বিগুন। জননেত্রীর নেতৃত্বের সফল হলে আমরা সফল হবো।

উন্নয়নশীলের কথা বাদই দেন। এগুলোতো বিশ্বের বিভিন্ন লোক বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কিছু বলবে কিন্তু আমরা নিজেরা বোঝার চেষ্টা করি- আমরা এখনই পাকিস্তান এবং ভারতকে হারিয়ে দিয়েছি।

এটা শেখ হাসিনা নিজের চ্যালেঞ্জে দেখিয়ে দিয়েছেন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক যেখানে টাকা দেয়নি সেখানে আমরা নিজেরা পদ্মা সেতু করে ফেলছি।

বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য আজ সকাল থেকে শুনছি। আপনাদের অনুরোধ করবো বিশেষ করে ছাত্রলীগের বলছি – বঙ্গবন্ধুর বডি ল্যাঙগুয়েজটা দেখেন, বডি ল্যাগুয়েজটা দেখলেই বোঝা যায় এমন একজন নেতা আগামী একশ বছরের মধ্যে আসবে না।

আমি ছাত্রলীগকে বলবো, শোনেন – বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসে মুখে মুখে অনেক কথা বলা যায়, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা বলা যায়, কিন্তু কম মানুষই পাবেন যারা মুখের বাইরে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে মনে প্রাণে ধারণ করে তার আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। তারা হয়ত মাইকের সামনে আসে না।

আজ এতোকিছুর পরও যে আওয়ামীলীগ টিকে আছে সেটা হয়তো ওইসব মানুষের কষ্টের সফল। আজ বঙ্গবন্ধুর আত্মার প্রতি আমার সম্মান রইল, বঙ্গবন্ধুর পরিবারের প্রতি শুভকামনা রইল।

মানুষ বলে ৫০ বছরের বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর কতোদিন এগিয়েছে। আমি বলি এই পর্যন্ত যা এগিয়েছে তাতে ১৫ বছরও হয়নি। কারণ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নামে ছিল বাংলাদেশ আর প্রশাসনিক ছিল পাকিস্তান।

এই বিশ বছরের আমরা যে পরিমান এগিয়েছি যদি জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব থাকে আর আমরা যদি তাকে সহযোগিতা করি তাহলে মনে রাখবেন খুব বেশি দিন না যেদিন মালয়েশিয়া যাওয়ার চিন্তা করবেন না, বরং মালয়েশিয়া ও ওইসব দেশ  থেকে মানুষ আমাদের দেশে আসবে।