স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে জাতির পিতার প্রতি আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

সিলনিউজ ডেস্কঃ  ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৭টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং পরে দলীয় প্রধান হিসেবে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বঙ্গবন্ধু কন্যা। শ্রদ্ধা জানানো শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন- জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে মানুষের জন্য কাজ করবে আওয়ামী লীগ।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চ লাইটের পরপরই ধানমন্ডি-৩২ নম্বরের এই বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। নির্বিচারে স্বাধীনতার স্থপতিকে ২৯০ দিন বন্দি রাখা হয় পাকিস্তানের একটি কারাগারে। রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম শেষে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলায় ফেরেন অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান।

ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ভোরে, সূর্য ওঠার পরপরই স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকার প্রধান হিসেবে শ্রদ্ধা জানান জাতির পিতার প্রতি। দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়েও ফুল দেন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন- জাতির পিতার আদর্শচ্যুত হবে না দল; থাকবে মাটি ও মানুষের কাছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুর সততা ও সাহসের যে দৃষ্টান্ত আমরা ধারণ করবো। এছাড়া আমাদের শপথ হবে আমরা মাটির কাছে থাকবো, মানুষের কাছে থাকবো। মানুষের কাজে থাকবো।’

তিনি জানান, বঙ্গবন্ধুর অবদান অস্বীকার করা বিএনপি-ঐক্যফ্রণ্ট আজ জনগণের দ্বারাই প্রত্যাখ্যাত।তিনি আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা চাননি, এ কথা যাদের নেতারা বলেন তাদের বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিন্দুমাত্র কোনো শ্রদ্ধা আছে বলে আমরা মনে করি না। মনে করার প্রয়োজনও করি না।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ তাদের প্রত্যাখান করেছে। আন্দোলনেও প্রত্যাখান করেছে, নির্বাচনেও প্রত্যাখান করেছে। তারা যে লড়াই করুক, করতে থাকুক। তাতে আমাদের কোন মাথাব্যথা নেই। আমার মনে হয় জনগণেরও মাথাব্যথা নেই।’

পরে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। স্বাধীনতার মহানায়কের প্রতি সম্মান জানাতে মিছিলে মিছিলে মুখরিত হয়ে ওঠে বঙ্গবন্ধু ভবনের প্রাঙ্গণ।

ফেসবুক মন্তব্য