ধ্বংসের পথে ছাতক-ভোলাগঞ্জের রোপওয়ে (লখটা গাড়ি)

follow site enter নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ ১৯৬৬সালে রেলওয়ের নিজস্ব পাথর কোয়ারী থেকে ভারতও সীমান্তবর্তী এলাকার পাথর ছাতক নিয়ে এসে দেশের সকল এলাকায় সরবরাহ করে রেলওয়ের কাজে ব্যবহার করার লক্ষে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন ছাতক-ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে নির্মানের উদ্যোগ গ্রহন করে রেল কর্তৃপক্ষ। এরপর ১৯৬৮সালে প্রস্তাবিত প্রকল্পে ১৯কিলোমিটার দীর্ঘ রোপওয়ে লাইন নির্মানের কাজ শুরু করা হলে ১৯৭০ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ছাতক-ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন করে ২৬৯জন কর্মকতা-কর্মচারী দিয়ে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করা হয়। কিন্তু উদ্ভোধন শেষে ১শ ৭০ঘন্টা সচল থাকার পর স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে এ প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে পড়ে। যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়ে রেলওয়ের পাথর পরিবহনের এ লাইনটি। ৫০কোটি টাকার সংস্কার কাজ শেষ করে ১৯৭৮সালে পুনরায় পাথর পরিবহন কার্যক্রম শুরু করে ছাতক-ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে । ২০১২সালের শেষের দিকে সংষ্কারের অজুহাতে এ প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে পড়ে। বর্তমানে এ প্রকল্পের ৮৭জন কর্মকর্তা-কর্মচারী বিনা কাজেই সরকারি বেতন ভাতা ভোগ করছেন। ছাতক-ভোলাগঞ্জ রোপওয়ের দু’টি স্ক্রাভেটর জেনারেটর, রোপওয়ের ৪২৫টি বাকেট, ট্রেসেল, লাইনসহ প্রায় ৫০কোটি টাকার মালামাল নষ্ট হচ্ছে। ছাতকস্থ আনলোডিং বাংকার সংলগ্ন এলাকায় র্দীঘ দিন ধরেই অচল হয়ে পড়ে রয়েছে কোটি কোটি টাকার মালামাল। ছাতক-ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে দৈর্ঘ্য ১৯কিলোমিটার (১১.৫০মাইল) এর মধ্যে ৪টি ষ্টেশন ও ১২০টি ট্রেসেল রয়েছে। ১লক্ষ ২০হাজার ফুট দীর্ঘ তারের বেষ্টনীতে ৪২৫টি ১২.৯২ (৬শত কেজি) ঘনফুট পাথর ধারন ক্ষমতা সম্পূর্ণ বাকেট। এসব ট্রেসেল ও লাইন কেটে এখন বিক্রি করা হচ্ছে।এই রোপওয়ে লাইন পুনসংস্কার করে আবারো কার্যক্রম শুরু করলে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয় জনগণ।অযত্নের কারণে সরকারের কোটি-কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ নষ্ট ও বে-হাত হয়ে যাচ্ছে।এ ব্যাপারে নজর দেওয়ার জন্য সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ মুহিবুর রহমান মানিকের কাছে দাবী জানিয়েছেন এলাকার জনগণ।

Cheap Tramadol Uk
ফেসবুক মন্তব্য