নবীগঞ্জের কলেজ ছাত্রী তন্নী রায় হত্যা মামলায় প্রেমিক রানু রায়ের মৃত্যুদণ্ড

সিলনিউজঃ নবীগঞ্জ উপজেলার আলোচিত কলেজ ছাত্রী তন্নী রায়কে ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যা মামলার রায়ে আসামী রানু রায়কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

আজ ৬ জানুয়ারি (সোমবার) দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ সিলেটের বিচারক রেজাউল করিমের আদালতে এ রায় দেন। চলতি মাসের ১ ও ২ জানুয়ারি আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে মামলার রায়ের দিন ধার্য  করেছিলেন আদালত। 

আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের এক বছর সাত মাস পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ কর্তৃক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি স্থানান্তর করা হয়। এরপর ২০ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। হত্যাকণ্ডের মূল হোতা ঘাতক রানু রায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন নিহত তন্নীর বাবা।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বেলা দেড়টার দিকে তন্নী রায় নবীগঞ্জ শহরতলীর শেরপুর রোডস্থ ইউকে আইসিটি ইন্সটিটিউট কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। তার নিখোঁজের ঘটনায় নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তন্নী রায়ের বাবা বিমল রায়। সাধারণ ডায়েরি করার ৩ দিনের মাথায় কলেজ ছাত্রী তন্নী রায়ের বস্তাবন্দি লাশ নবীগঞ্জ শহরতলীর একটি নদী থেকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।

এ দিকে তন্নী হত্যা মামলার প্রধান আসামি রানু রায়কে গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে একের পর এক বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠন মানববন্ধন করে আসছিল। হত্যাকাণ্ডের ২০ দিনের মাথায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের তৎকালীন ওসি আজমিরুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল ডিবি পুলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

সূত্রঃ দৈনিক অধিকার 

ফেসবুক মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *