জামিনে মুক্ত নেতাকর্মীদের বরণ করলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী

সিলনিউজ২৪.কম: সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক ও দোয়াাবাজার) আসনে বিএনপি, ২০ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান চৌধুরী ৩০ ডিসেম্বরের তামাশার নির্বাচনকে জনগণ মেনে নেয়নি। ফলাফল প্রত্যাখান করে পুনরায় নির্বাচন দাবি কওে তিনি বলেন, ধানের শীষের গণজোয়ার দেখে জনবিচ্ছিন্ন শাসকদল রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে আগের রাতেই ভোট দিয়ে নৌকাকে বিজয়ী করে রেখেছিল। পরদিন ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার ভোটারদের বাধা দিয়ে ভোট চুরির ফলাফল ঘোষণা করে। এ রায় গণরায় নয়, এ রায় চুরির ফল।
পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে ভোটের আন্দোলনের ডাক দিয়ে বলেছেন, মঙ্গলবার বিকেলে সুনামগঞ্জ কারাফটকে ভোটের আগে গণগ্রেপ্তারের শিকার নেতাকর্মীদের মধ্যে কয়েকজন জামিনে মুক্তি পাওয়া নেতাকর্মীকে বরণ করে নেয়ার সময় মিজানুর রহমান চৌধুরী এ কথা বলেন।
জামিনে মুক্তিলাভ করেন, মিজানুর রহমান চৌধুরীর বড় ভাই, আম্বরখানা ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি কুতুবুর রহমান চৌধুরী. সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ, দোয়ারাবাজার উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কসিটির সদস্য তাইবুর রহমান, জেলা যুবদল সদস্য গাজী মিল্টন, যুবদল নেতা সাব্বির আহমদ, বিএনপি নেতা ইসলাম ফিরোজ, আজাদ রাব্বানী, ইসলাম উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম, গৌছ মিয়া, কামাল উদ্দিন মেম্বার, আবুল ফজল খান, আক্তার হোসেন, জুনেদ মিয়া, ছালিক আহমদ, ছামছুর রহমান, আব্দুর রউফ, মইনুল ইসলাম রাসেল মেম্বার, আফরাফ আহমদ, বাবুল মিয়া, আব্দুর রফিক বুট্টু,
ছাতক ও দোয়ারাবাজারবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, এ নির্বাচনে জাতি জিতেছে, হেরেছে আওয়ামী লীগ। ধানের শীষ বিজয়ী হয়েছে, হেরেছে শাসক দল। ভোটযুদ্ধে আসলেই বাস্তবিক অর্থে একটি যুদ্ধ হয়েছে। এ যুদ্ধে একদিকে ছিলেন নিরস্ত্র জনতা, অন্যদিকে পুলিশসহ সশস্ত্র আওয়ামী লীগ ক্যাডাররা। এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে ভোটের আগের দিন অন্তত শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেফতার হয়েছেন। ভোটের দিন ভোটাধিকার রক্ষা করতে গিয়ে আরও অন্তত দেড়শতাধিক আহত হয়েছেন।

ফেসবুক মন্তব্য