সুনামগঞ্জ-৩ আসনে জমিয়ত নেতা অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশার মনোনয়নপত্র দাখিল

জগন্নাথপুর(সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধি:- সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-সুনামগঞ্জ) আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী কেন্দ্রীয় জমিয়ত নেতা সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বুধবার বিকেল পৌনে ৫টায় সহকারি রিটানিং অফিসার দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সফি উল্ল্যার কাছে তার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এসময় সুনামগঞ্জজেলা জমিয়ত সেক্রেটারী দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী, জমিয়ত নেতা মাওলানা আব্দুল্লাহ, মাওলানা ফজল আহমদ, মাওলানা সৈয়দ রশিদ আহমদ, মাওলানা ফকরুদ্দিন, মাওলানা রুহল আমিন, মাওলানা মতিউর রহমান, সৈয়দ সোহাইল আহমদ, যুবজমিয়ত নেতা হাফিজ শাহীনুর রহমান, ছাত্র জমিয়ত নেতা শামছুল ইসলাম, উবায়দুল হক চৌধুরীসহ বিপুল সংখ্যাক নেতা কর্মীরা। এরআগে বেলা ২টায় অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী তার নির্বাচনী প্রধান কার্যালয় জগন্নাথপুরে উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্টানে তিনি বলেন আগামী জাতীয় নির্বাচন চালেঞ্জের নির্বাচন হিসেবে গোটা বাংলাদেশের মানুষ এইঅপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
বিনা ভোটে নির্বাচিত তথা কথিত এই সরকারের দুর্নিতীর বিরুদ্ধে সোচ্ছার কন্ঠে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০ডিসেম্বর অনুষ্টিত নির্বাচনে জগন্নাথপুর-দক্ষিনসুনামগঞ্জ আসন থেকে এই নিয়ে উপ-নির্বাচনসহ ৪ বারের মতো আমি জগন্নাথপুরের সন্তান হিসেবে নবিনেশন দাখিল করতে যাচ্ছি এটা জগন্নাথপুরের গর্বের বিষয়। জাতীয় নেতা আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ আজাদ পরবর্তী এই জগন্নাথপুরের মানুষ তাদের সন্তান মনে করে আমাকেই বরন করেছে কূলে তুলে নিয়েছে। আমি আমার সাধ্য অনুপাতে জগন্নাথপুরের মনুষের ভাগ্নোন্নয়নের জন্য খেটে কাওয়া মানুষের মূখে হাসি ফুটানোর জন্য চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি যে কারনে এবারো জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের পক্ষথেকে মনোনীত হয়ে ২৩দল এবং ঐক্যফন্টের প্রার্থী হিসেবে আমি ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে নবিনেশন জমা দিতে যাচ্ছি। বিগত উপ-নির্বাচনসহ ৩টি নির্বাচনেও আমি জোটের প্রার্থী ছিলাম। তিনি বলের ধানের শীষ আমার জন্যই বরাদ্ধ। আজ থেকে আমাদের প্রতিটি ভোট সেন্টার পাহারা দিতে হবে। আমি অল্প সময়ে সংসদ সদস্য হয়ে যে কাক্ষিত উন্নয়ন করেছি খালেদা জিয়ার সু-দৃষ্টির থাকার কারনে। আগামী ৫বছরের জন্য যদি নির্বাচিত হই তাহলে এই আসনের রাস্তা ঘাট, ব্রিজ, শিক্ষা ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে আশাকরি যুগান্তকরী প্রদক্ষেপ গ্রহন করতে পারব। আমি সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময় যে উন্নয়নক রেছিলাম সেই ধারাবাহিকতা পর্যন্ত ১০বছরে মাননীয় এমপি মহোদয় তিনি করতে পারেননি।পাগলা-আউশকান্দি আঞ্চলিক মহা-সড়ক আমি বরাদ্দ করে গিয়েছিলাম। আমার সময় রাণীগঞ্জ টু ইনাতগঞ্জ রাস্তাটি সম্পন্ন করে গিয়েছিলাম।
জগন্নাথপুর হাসপাতালকে ৮কোটি টাকা ব্যয়ে ৩১শয্যা থেকে ৫০শয্যায় উন্নীত করেছিলাম।জগন্নাথপুর কলেজকে ডিগ্রী কলেজে উন্নিত করা হয়। তিনি আগামী নির্বাচনে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন। তিনি আরও বলেন শিবগঞ্জ-বেগমপুর রাস্তা আমার সময় কাজ শেষ করে ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই রাস্তাটি ব্যবহার করেছি। ৫২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ফ্লাট সেন্টারে উন্নিত করেছি।দীর্ঘ ৩৭বছরের স্বপ্ন ছিল ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে দক্ষিন সুনামগঞ্জ বৃহৎ একটি উপজেলা হবে। ১৩মাস ১৪ দিন সময়ের মধ্যে ২০০৬ সালের ৬ই জুন দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলা বাস্তবায়ন করে কোটি টাকার উন্নয়নের বীজ আমি বপন করে যাই। তিনি ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নোয়াখালী-ভীমখালী রাস্তা পাগলা-মদনপুর দিরাই রাস্তা সংস্কার ও বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ৪২টি ব্রীজ কালভার্ট সম্পন্ন করেছেন উল্লেখ করে আগামী নির্বাচনে সকলের সহযোগীতা ও দোয়া কামনা করেন।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx