ড. ফরাসউদ্দিনকে সম্মান জানিয়ে হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার সুমন

সিলনিউজ২৪.কমঃ  দেশ-বিদেশে বাংলা ভাষাভাষী যারা ফেসবুক ব্যববহার করেন তাদের প্রায় সবাই  ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে চিনেন।নিজের অর্থায়নে নিজ এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন করে তিনি তরুণদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।

হবিগঞ্জের মাধবপুর, চুনারুঘাটসহ  সারাদেশেই তরুণদের কাছেও তিনি আইডলে পরিনত হয়েছেন তিনি । দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ছিল আগামী সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে প্রার্থী হবেন তিনি।কিন্তু নীজ এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে স্বপ্নের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন তিনি। একই আসনে (হবিগঞ্জ-৪) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিন সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ায় আপাতত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা না করার সিদ্ধান্তই নিয়েছেন তিনি। তার এ সিদ্ধান্ত এখনো ফেসবুক ফলোয়ার এবং এলাকার বাসিন্দাদের জানানোর জন্য আজ  ১১ নভেম্বর রবিবার সকাল ১০.৩০ এর দিকে ফেসবুকে লাইভে আসেন তিনি ।

 ব্যারিস্টার সুমন দেখিয়েছেন কিভাবে জনগণের সাথে মিশতে হয়,কিভাবে জনগনের মন জয় করতে হয়।এলাকার তরুণদের সংগঠিত করে  মাঠে-ঘাটে, রাস্তায়-বাজারে যখন যেখানে সাধ্যমতো উন্নয়ন করা যায় সেখানেই এগিয়ে গেছেন ব্যারিস্টার সুমন। কখনো শ্রমিকদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে করেছেন মাটি কাটার কাজ করেছেন  আবার কখনো কাদামাটির মধ্যে কাপড় ভিজিয়ে নেমে গেছেন সেতু নির্মাণ কিংবা সংস্কারের কাজে। মানুষের সেবার চেষ্টা করে যাচ্ছেন গণমানুষের কাতারে থেকেই। নিজের উপার্জন তিনি অকাতরে বিলিয়ে যাচ্ছেন সমাজ ও মানুষের উন্নয়নে। তার বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রম ইতিমধ্যে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে। তার নির্বাচনী এলাকার অনেকেই জানিয়েছেন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা দিয়েই ‘ব্যারিস্টার সুমন’ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারবেন।

ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের আরেকটি পরিচয় রয়েছে সেটি হলো তিনি তার অস্তিত্বে বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করেন। তিনি হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের নির্বাহী সদস্য ও কেন্দ্রের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য। এছাড়াও আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করছেন। 

ব্যারিস্টার সুমন সকালে লাইভে বলেন, আমি গত দ,তিন দিন আগে খবর পেলাম আমি যে আসন থেকে নিরবাচন করবো ভেবেছে সে আসন থেকে বাংলাদেশের গর্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর নির্বাচন করবেন।আমি নির্বাচিত হলে বড়োজোর এমপি হবো।কিন্তু  ড. ফরাসউদ্দিন নির্বাচিত হলে মন্ত্রী হবেন। ড. ফরাসউদ্দিন সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। তিনি মন্ত্রী হলে আমার এলাকার উন্নয়ন অবশ্যম্ভাবী। তাই এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে আমি ড. ফরাসউদ্দিনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে মনোনয়ন পত্র কিনা থেকে বিরত থাকলাম।

তিনি আরও বলেন, আমি চাই এলাকার উন্নয়নে উনার পাশে থেকে কাজ করে যেতে।তিনি বলেন জমিনে কে মন্ত্রী এমপি হবে তার সিদ্ধান্ত আসে  আকাশ (আল্লাহ) থেকে।তাই এলাকার সকল ভেদাভেদ ভুলে নৌকার পক্ষে কাজ করার এবং নৌকাকে জয়যুক্ত করার অনুরোধ জানান।

এসময় পাশে থাকা ড. ফরাসউদ্দিন বলেন, বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ার যে দায়িত্ত্ব দিয়ে গেছেন তা বিনির্মাণে উন্নত বাংলাদেশের টার্গেট নিয়ে কাজ করবেন তিনি। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে উন্নত  এবং সমৃদ্ধশালি। তিনি বলেন,

নৌকার তিনি( শেখ হাসিনা) কান্ডারী
আমরা মাঝি মাল্লা
গড়বো সোনার বাংলা
ইনশাআল্লাহ। 
ফেসবুক মন্তব্য
xxx