দুপুরে ইসলামী ঐক্যজোট, সন্ধ্যায় বাম জোটের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সংলাপ

সিলনিউজ২৪.কমঃ  গণভবনে আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টায় ইসলামী ঐক্যজোট ও জাকের পার্টিসহ ৮টি ইসলামী দল এবং সন্ধ্যায় বাম জোটের সঙ্গে সংলাপে বসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সম্প্রতি শুরু হওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের ধারাবাহিকতায় ইসলামী ঐক্যজোটের নেতারা আজ গণভবনে যাচ্ছেন। জোটের দলগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ জালালী পার্টি, আশিক্কীনে আউলিয়া ঐক্য পরিষদ বাংলাদেশ, জাকের পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় ইসলামী জোট, বাংলাদেশ সম্মিলিত ইসলামী জোট, ইসলামী ডেমোক্রেটিক অ্যালায়ান্স আইডিএ।

আর সন্ধ্যায়, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সঙ্গে সংলাপে বসবে বাম গণতান্ত্রিক জোট। সংলাপে সংবিধান সংশোধন করে একটি নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়ার দাবি জানাবেন বাম জোট নেতারা।

গেলো বৃহষ্পতিবার, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।

সংসদ ভেঙে দিয়ে একটি তদারকি সরকার গঠনের দাবিকে সামনে রেখেই এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান বাম জোটের নেতারা। পাশাপাশি সংবিধান সংশোধনের বিষয়টিও তুলে ধরা হবে।

এ বিষয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘সংবিধানে ১৪২ অনুচ্ছেদে বলা আছে, কিভাবে সংবিধান সংশোধন করতে হয়। আমরা যারা এক সঙ্গে স্বৈরাচরার বিরোধী গণ-অন্দোলনে ছিলাম। আমরা দেখেছি যে, তৎকালীন প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদকে কিভাবে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি করা হয়েছিলো এবং তার অধীনে নির্বাচন হয়েছিলো।’

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, সিপিবি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল্লাহ ক্বাফী রতনও সংবিধানের মধ্যে থেকেই সংশোধনের কথা বলেন। তিনি জানান, ‘সংবিধানের কাঠামোর মধ্যেই সংবিধান সংশোধনের বিধান আছে। সুতরাং যদি সদিচ্ছা কাজ করে, যদি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত থাকে তবে সংবিধানে মধ্যে থেকেই, বিদ্যমান সমস্যা থেকে উত্তরনের সমাধান পাওয়া যাবে।’

সময় খুব বেশি না থাকলেও সরকারের সদিচ্ছা থাকলে সংবিধান সংশোধনসহ অন্যান্য দাবি পূরণ সম্ভব বলে মনে করেন তারা। সাইফুল হক আরও বলেন, ‘আমাদের প্রস্তাবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে ভয় ভীতিহীন পরিবেশে, মামলা-মোকদ্দমা, হুমকি, চাপ এগুলোর বাইরে যেয়ে, নির্বাচনের জন্য আবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরী করা। সরকার যদি ইচ্ছা করেন, যদি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত থাকে, তাহলে এটা করা সম্ভব।’

সরকারের সদিচ্ছাই গুরুত্বপূর্ণ এমন কথাই বার বার উচ্চারণ করছেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা। আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন এ বিষয়ে জোর দিয়ে আরও বলেন, ‘বিষয়টা নির্ভর করছে সরকারী দলের ইচ্ছা কি। তারা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য এবং অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন চায় কি না।’

ফেসবুক মন্তব্য
xxx