নিউজটি পড়া হয়েছে 545

একজন আজাদ : তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক সফল রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধি (পর্ব-৩)

একজন আজাদুর রহমান আজাদ। স্কুলজীবন থেকে যার ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃত্ততা। শুধু তাই নয় আওয়ামী লীগের দুর্দিনের রাজনীতিতে যার পরিবারের প্রত্যেকটা সদস্যের রয়েছে উল্লেখযোগ্য অবদান। আজ থেকে দীর্ঘ ২৫ বছর আগের কথা। তখন সিলেট সরকারি কলেজ আর এম সি কলেজে ছাত্রলীগ উঠতে পারতো না। তখন এই আজাদুর রহমান আজাদের বড় ভাই মরহুম সাবেক পৌরঃ কমিশানার ‘সাজাদুর রহমান সাজু’ ভাইয়ের নেতৃত্বাধীন হয়ে ২টি কলেজে প্রথম ছাত্রদলের সামনে ছাত্রলীগের মিছিল হয়। আর তখন ছাত্রলীগকে একমাত্র সাহস দিয়ে কলেজে ডুকিয়ে ছিলেন সাজু ভাই। মিছিল শেষে প্রায় ২০০/৩০০ ছেলের জন্য প্রতি দিন দুপুরের খাবার তৈরি করতেন এই আজাদুর রহমান আজাদের মাতা, যিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। শুধু তাই নয় ছাত্রদল যখন ছাত্রলীগকে হিট করার জন্য আজাদ ভাইয়ের বাসায় হামলা করলো তখনই আজাদ ভাইয়ের মা গেইটের সামনে দাড়িয়ে বলতেন, ‘আগে আমাকে গুলি কর তার পর আমার ছেলেদের মারবে’, অাজাদুর রহমান আজাদের পরিবারের ঋন সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ কোনদিন ও শোধ করতে পারবে না। ‘আজাদুর রহমান আজাদ’ সিলেটের সকল অাপামর জনগনের এক ভরসার শেষ ঠিকানা। মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ সব জায়গায় এই প্রাণের অবাধ বিচরণস্থল। নগরের সব সময়ের উপযোগী একজন সঠিক মানুুষ এই আজাদর রহমান আজাদ। উনি শুধু নেতা নয়, নগরবাসির অহংকারও বটে! নগরের সুদিন আর দুর্দিনের বন্ধু। ২১শে আগষ্টের সেই ভয়াল অধ্যায়ের একটি অংশ তিনি। ১/১১ এর একজন সাহসী যুদ্ধাও। আর এই রকম শক্ত পারিবারিক ও রাজনৈতিক গুণাবলী সম্পন্ন মানুষটিকে বার বার ধ্বংস করার অপচেষ্টা অতীতে যেমন চালানো হয়েছে, বর্তমানেও হচ্ছে। জনগণের কাছে তার ব্যক্তিত্ব নষ্ট করার লক্ষ্যে করা হয়েছে নানান ষড়যন্ত্র। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা ভূলে গিয়েছিলো আওয়ামী লীগ যাদের কাছে রক্তের ঋনী হয়ে আছে তাদের অন্যতম হলেন এই আজাদুর রহমান আজাদ ও তার পরিবার। তাই, যার উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য সৎ থাকে তার সাথে কেউ থাকুক বা না থাকুক আল্লাহ পাকের নেক দৃষ্টি সবসময় তার দিকে থাকে। যার প্রমাণ আল্লাহ পাক গত সিসিক নির্বাচনে আবারো দিয়েছেন তাকে ৪র্থ বারের মতো সিসিকের ২০নং ওয়ার্ডের কাইন্সিলর নির্বাচিত করে দিয়ে। শিশু থেকে বৃদ্ধ, তার রয়েছে প্রত্যেকটি মনে নিখুঁতভাবে মিশে যাওয়ার এক আশ্চর্য ক্ষমতা। জনগণের সুখে তিনি হাসেন, জনগণের দুঃখে কাঁদেন। আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে আমার এলাকার কিছু গরীব লোকের কিছু সাহায্যের জন্য বেশ কয়েকবার উনার কাছে গেলে হাসিমুখে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন তিনি। জনগণের প্রতি অকৃত্রিম আবেগই তার রাজনীতির এতদূরের পথচলার একমাত্র উৎস। যার কারনে হাজারো ছাত্রলীগ কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে কোনো পদ পদবী না পেলেও উনার ছায়াতলে রাজনীতি করে যাচ্ছে শুধুমাত্র উনার উদার মনমানসিকতা ও উনার প্রতি তাদের আবেগের কারনে। সিসিক’র আগামী দিনের নগর পিতা হবার একমাত্র দাবিদার তিনি। আমাদের একটাই চাওয়া মেয়র হিসাবে দেখতে চাই জননেতা ‘আজাদুর রহমান আজাদ’ ভাইকে। আমার মতো হাজারো ছাত্রলীগ কর্মীদের অকৃত্রিম আবেগের নাম ‘আজাদুর রহমান আজাদ’ এবং এই আবেগকে কখনো হত্যা করা সম্ভব নয়।

মনসুর মোর্শেদ
সিলেট জেলা ছাত্রলীগ।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx