জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের চূড়ান্ত অনুমোদন।

সিলনিউজ অনলাইনঃ মন্ত্রিসভা আজ ‘জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২’ সংশোধন করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ (সোমবার) মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনকে ‘ইভিএম’ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত এ সংশোধনীর অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আরপিও সংশোধনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন এখন পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করতে পারবে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে খসড়া ‘জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (সংশোধনী) আইন ২০১৮’ কার্যকর হবে।

মো. শফিউল আলম বলেন, সংশোধিত আইনে নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুসারে প্রার্থীরা যে কোন নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমাদানের সুযোগ পাবেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নতুন আইন অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমাদানের পূর্বে ঋণ খেলাপিরা তাদের ঋণ পুনঃতফসিল করতে পারবেন। আগে তাদের মনোনয়নপত্র জমাদানের সাতদিন পূর্বে ঋণ পুনঃতফসিল করতে হতো।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই আইন ইভিএম সম্পর্কিত জল্পনা-কল্পনা নাকচ এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণের সফ্টওয়্যার উন্নয়নে নির্বাচন কমিশনকে ব্যাপক ক্ষমতা প্রদান করেছে। তিনি বলেন, ইভিএম মেশিন নিজেই কাজ করবে, যা কোন নেটওয়ার্কের আওতায় নয়। এটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত নয় কিংবা ইন্টারনেট বা কোন নেটওয়ার্কের সঙ্গে এর সংযোগ নেই। ফলে এই মেশিন হ্যাক্ড হবে না।

তিনি বলেন, সেই সঙ্গে কোন কারচুপি বা কোন অসৎ উদ্দেশ্যে যাতে এই মেশিন ব্যবহার করা না হয় সেই জন্য এই মেশিন ইলেকট্রনিক নিরাপত্তায় রাখা হবে। আলম বলেন, ইভিএম-এর কোন বেতার তরঙ্গ, রিসিভার বা ডাটা প্রদানের ব্যবস্থা থাকবে না। নির্বাচন কমিশন নিয়োগকৃত প্রকৌশলী দল দ্বারা উদ্ভাবিত কেবলমাত্র বিশেষভাবে সুনির্দিষ্ট ও পরিবর্তনশীল ডাটাই মেশিন গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, ভোটদানের সময় কোন ভোটার যাতে বঞ্চিত বা কোনরকম প্রতারণার মধ্যে না পড়েন সে জন্য এই মেশিনে নিরাপত্তার সার্বিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বাসস

ফেসবুক মন্তব্য
xxx