‘মৃত্যু’ শেষ ঠিকানা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  ‘মৃত্যু’ শেষ ঠিকানা, — চিরসত্য সেই বাক্যটি যদি মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা আগে কেউ বলে বা লিখে যায় তাহলে সত্যিই সেটা হৃদয়বিদারক।

হ্যা সেরকমই মর্মান্তিক সত্যের মুখোমুখি হতে হয়েছে হুসাইন আল জাহিদকে। মৃত্যুর ঘন্টা কয়েক আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ছবি আর ‘মৃত্য..শেষ ঠিকানা’ লিখে প্রোফাইল পিকচার আপলোড করেছিল জাহিদ। মারা যাবার আগে আপন হৃদয় কথা বলে। মানুষ তা অনুধাবন করে অলৌকিকভাবে। হয়ত জাহিদও সেই অলৌকিকতা বুঝতে পেরেছিল। তার সেই ছবি এখন শুধুই স্মৃতি, স্বজন বন্ধুদের আহাজারি সেই ছবির কমেন্টে।

(মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা আগে জাহিদের আপলোড করা ছবি)

আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় ছুরিকাঘাতে মারা যায় সিলেট নগরীর সীমান্তিক স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র জাহিদ। সে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে জাহিদ দ্বিতীয়। সে জেলা ছাত্রলীগ নেতা এইচ আর সুমন গ্রুপের কর্মী ছিলেন। এই খুনের জন্য জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক জাকারিয়া মাহমুদের গ্রুপকে দায়ী করছে এইচ আর সুমন গ্রুপ।

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপশহরস্থ সরকারি তিব্বিয়া কলেজের সামনে দিয়ে বন্ধুরদের সাথে হেঁটে যাচ্ছিলেন জাহিদ। এসময় অপর গ্রুপের ১৪-১৫ জন এসে তাদের ওপর হামলা চালায়। এসময় জাহিদের তলপেটে ছুরিকাঘাত করা হলে সে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই মারা যান জাহিদ।

এখনো খুনের সাথে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে খুনিদের ধরতে মাঠে এবং খুনের মোটিভ উদঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন শাহপরান থানা পুলিশ।

সিলনিউজ/আই/কে/২৫অক্টোবর 

ফেসবুক মন্তব্য
xxx