সিলেট-৩ আসনে রাজাকার পুত্রের মনোনয়ন মেনে নেবেনা নেতাকর্মীরা : সংবাদ সম্মেলনে আবু জাহিদ

সিলনিউজঃ সিলেট-৩ আসনের বর্তমান এমপি ‘রাজাকার পুত্র’ কয়েসের মনোনয়ন দলীয় নেতাকর্মীরা মেনে নেবেনা বলে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ সুরমার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অবু জাহিদ। এসময় তিনি অভিযোগ করেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলাবাসী মাহমুদ উস সামাদ কয়েসের কারণে উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছে।

আজ (সোমবার) সিলেট নগরীর পূর্ব জিন্দাবাজারের একটি হোটেলের সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এমপি কয়েসের অসহযোগীতার কারণে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ করার প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলন ডাকেন তিনি।

আবু জাহিদ বলেন, সিলেট-৩ আসনের বর্তমান এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধূরী কয়েস একজন রাজাকারের পুত্র। তার বাবা দেলোয়ার হোসেন ফিরু মুক্তিযুদ্ধের সময় ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হকের ‘রণাঙ্গণে একাত্তর’ বইয়ে এর উল্লেখ আছে।

আবু জাহিদ বলেন, ‘ক্ষেভের চাপা আগুন নেতাকর্মীদের মনে। তারা সব কিছু মেনে নেবে, কিন্তু রাজাকার পুত্রের নৌকার মনোনয়ন কোনো অবস্থাতেই মেনে নেবেনা। ইতোমধ্যে তাকে চূড়ান্ত প্রতিরোধের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মানুষ এমসি মাহমুদ উস সামাদের কারণে উন্নয়নের ছোঁয়া বঞ্চিত দাবি করে তিনি বলেন, ‘এমপির অসহযোগিতা ও উন্নয়নবিমুখ অসৎ মানসিকতা এর জন্য দায়ী। সিলেট-সুলতানপুর-বালাগঞ্জ সড়কের দশা করুণ। দক্ষিণ সুরমার একমাত্র ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গ রুপ পায়নি।

সংবাদ সম্মেলনে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমান সরকার রাজাকারের উত্তরসূরীদের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রত্যাহারের প্রস্তাবনা আছে। কোন রাজাকার সন্তান যাতে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বধানকারী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে কলংকিত করতে না পারে সেই আহবান আমরা জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রইছ আলী, মোগলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম সাইস্তা, আওয়ামী লীগ নেতা জামাল উদ্দিন, তপন চন্দ্র পাল, জেলা পরিষদ সদস্য নুরুল ইসলাম ইছন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীম আরা পান্নাসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। 

ফেসবুক মন্তব্য
xxx