২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দণ্ডিত পলাতক আসামিদের দেশে ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে সরকার।

সিলনিউজ অনলাইনঃ একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় দণ্ডিত পলাতক আসামিদের দেশে ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে সরকার। বিদেশে পালিয়ে থাকা সব আসামির অবস্থান চিহ্নিত করতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি ৪৯ জন। যাদের মধ্যে বিচারিক আদালতে ১৯ জন মৃত্যুদণ্ড, ১৯ জন যাবজ্জীবন এবং বাকি ১১ জন বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড পেয়েছেন। আসামিদের মধ্যে লুৎফুজ্জামান বাবর এবং আব্দুস সালাম পিন্টুসহ কারাগারে আছেন ৩১ জন।

আর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১৮ জন পলাতক। এদের মধ্যে তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে আছেন। তিনিসহ বিদেশে পালিয়ে থাকা দন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের ফিরিয়ে আনার তৎপরতা শুরু করেছে সরকার।

মামলার অন্যতম আসামি হারিছ চৌধুরীর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ একাধিক দেশে যাওয়া-আসার তথ্য রয়েছে সরকারের কাছে। এছাড়া, হামলার পরপরই জঙ্গি মাওলানা তাজউদ্দিন আহম্মেদকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেয় তখনকার সরকার।

আরেক আসামি রাতুল আহম্মেদ বাবুর বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে রেড নোটিশ জারি করে ইন্টারপোল। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের বিরুদ্ধেও রেড নোটিশ জারি হরেও গত মে মাসে তা তুলে নেয় ইন্টারপোল।

এ মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত ডিজিএফআইয়ের অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ টি এম আমিন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম আছেন কানাডায়।

অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার কানাডায় অবস্থান করছেন। দুই জঙ্গি মুত্তাকিন ও তার ভাই আনিসুল মুরসালিন আছেন ভারতে তিহার জেলে। মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক মোহাম্মদ হানিফও পলাতক।

সুত্রঃ ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি 

ফেসবুক মন্তব্য
xxx