নিউজটি পড়া হয়েছে 25

আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূণ্য করতেই নৃশংস এই হামলা ।। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত

সিলনিউজ অনলাইনঃ ২১ আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার যে ষড়যন্ত্র, তার মূল পরিকল্পনা হয়েছিল হাওয়া ভবনে। তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলের শীর্ষ নেতাদের হত্যার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূণ্য করতেই নৃশংস এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের পর‌্যবেক্ষণে আদালত এ পর্যবেক্ষণ দেন। রায়ে পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল এ তথ্য জানান।  

তিনি বলেন, মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছেন যে, পচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে যেভাবে নেতৃত্বশূণ্য করার চক্রান্ত হয়েছিল, ঠিক তেমনি আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূণ্য করতে শেখ হাসিনাসহ দলের জেষ্ঠ্য নেতাদের হত্যার উদ্দেশে ২০০৪ সালের একুশ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা হয়। ওই হামলায় ভাগ্যক্রমে শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে যান। কিন্তু ঝড়ে যায় ২৪ টি তাজা প্রাণ। আর হামলার পরিকল্পনা হয় হাওয়া ভবন থেকে।

বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মুফতি হান্নান, তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, মাওলানা তাজউদ্দিন মিলে হামলার ছক আঁকেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশররফ হোসেন কাজল রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। বলেন, রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।    

এর আগে আজ বুধবার দুপুরে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

এই মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ষড়যন্ত্রের মূল পরিকল্পনা হয়েছিল হাওয়া ভবনে।

রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং হামলার সময়ে বিএনপি-জামায়াত সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলার জীবিত বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সূত্রঃ একুশে টিভি 

ফেসবুক মন্তব্য
xxx