নিউজটি পড়া হয়েছে 61

আগামী ২২ দিন ইলিশ ধরা, বিক্রি বন্ধ

সিলনিউজ২৪.কমঃ প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে দেশে টানা ২২ দিন ইলিশ মাছ ধরা, বাজারজাতকরণ ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার মধ্যরাত থেকে আগামী ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা চলবে বলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু সাইদ মো. রাশেদুল হক বলেন, এটা প্রতিবছরই করা হয়। এ বছরও ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০১৮’-এর আওতায় মোট ২২ দিন এ নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এ সময়ে উপকূলীয় চিহ্নিত সাত হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় ‘ইলিশের প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র’সহ দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও বিনিময় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আবু সাইদ মো. রাশেদুল হক আরো জানান, এই ২২ দিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), পুলিশ, নৌ-পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইন অনুযায়ী এক থেকে দুই বছর মেয়াদে জেল অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হবে। একই অপরাধ দুবার করলে শাস্তি দ্বিগুণ হবে। উপকূলীয় অঞ্চলের প্রান্তিক জেলেদের এই ২২ দিন ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ২০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে।

রাশেদুল হক ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রমে দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, এ কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নে সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আপামর জনগণ, বিশেষ করে মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের আন্তরিক সহযোগিতা অপরিহার্য।

সম্প্রতি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে সহযোগী সব সংস্থার প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশব্যাপী বাস্তবায়িত কার্যক্রম সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তরে কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেল, বিভাগীয় মনিটরিং টিম এবং সদর দপ্তর ও বিভাগীয় দপ্তরে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ গঠন করা হয়েছে।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx