শয়তানের সঙ্গে জনগণ কেন হাত মেলাবে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সিলনিউজঃ বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা শয়তানের সান্নিধ্য চায়, সহায়তা চায় তাদের মনোভাব কি তা তো সবারই জানা। তাঁদের উদ্দেশ্যে কি সেটিও নিশ্চয়ই জনগণের জানার কথা। তো তাদের সঙ্গে জনগণ হাত মেলাবে কেন?

আজ ৩ অক্টোবর (বুধবার) বিকাল ৪টায় গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। জাতিসংঘ সফরসহ বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশগ্রহণ এবং বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত রোববার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছিলেন, গণতন্ত্র রক্ষায়, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজপথে  যারা থাকবে এমনকি শয়তান হলেও তার সাথে ঐক্য হবে।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এনে আওয়ামী লীগ শয়তানকে কিভাবে মোকাবেলা করবে এমন প্রশ্ন করা হয়। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শয়তানের সঙ্গে ঐক্যের কথা কে বলেছে সেটি আমার জানা নেই। তখন সবাই গয়েশ্বরের নাম উচ্চারণ করলে শেখ হাসিনা বলেন, যারা শয়তানের সান্নিধ্য চায়, সহায়তা চায় তারা কারা তা নিশ্চয়ই জনগণ জানে। তাদের মতলব কি তাও নিশ্চয়ই সবার জানা। এরপরও যদি কেউ শয়তানের সঙ্গে হাত মেলায় তবে আমার কি করার আছে? জনগণই বা কেন তাদের সঙ্গে হাত মেলাবে?

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশ নেয়া না নেয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনে কোন দল আসবে আর কোন দল আসবে না সেটা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। দেশে অনেক রাজনৈতিক দল আছে, দু’একটি কি করলো না করলো এগুলো নিয়ে চিন্তা করছেন কেন?

এবারের নিউ ইয়র্ক সফরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়া ছাড়াও বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন শেখ হাসিনা।জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গেও শেখ হাসিনার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়।

প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা কাদের জন্য চিন্তিত? যারা মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, তাদের জন্য? ৩৯০০জন মানুষের শরীরে আগুন দিয়েছে। এর মধ্যে অনেকে তো মারা গেছেন, চলে গেছেন। কিন্তু যারা পঙ্গুত্ব নিয়ে বেঁচে আছে তাদের কি অবস্থা। আপনারা সাংবাদিকরা তাদের কখনও খোঁজ নিয়েছেন? ঘটনার প্রথম দিকে রিপোর্ট করেছেন।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx