শেখ হাসিনাকে হত্যার পাঁয়তারা চলছে : ওবায়দুল কাদের

সিলনিউজ অনলাইন ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র চলছে অভিযোগ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন: শেখ হাসিনাকে হত্যার পাঁয়তারা চলছে। পর্দার অন্তরালে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তাদের মূল টার্গেট শেখ হাসিনা।

আজ ২ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে সাম্যবাদী দলের ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশে এমন কয়েকটি রাজনৈতিক দল আছে যাদের যতটা নয় আওয়ামী লীগ বিদ্বেষ তার চেয়ে বেশি শেখ হাসিনা বিদ্বেষ। তারা আওয়ামী লীগকে নয় শেখ হাসিনাকে হটাতে চক্রান্ত করছে। তাদের মূল টার্গেট শেখ হাসিনা। তাকে হত্যা করার পাঁয়তারাও চলছে। এপর্যন্ত ২১বার এটেম্প নেওয়া হয়েছে। তারা ব্যর্থ হয়েছে। আবারও ষড়যন্ত্র হচ্ছে। দেশবাসীকে বলবো, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বাঁচাতে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব অপরিহার্য। শেখ হাসিনা বাঙালির আস্থার নির্ভরযোগ্য ঠিকানা। তাই অনুরোধ করব, যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করেন; বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসেন, সামান্য ভুল বোঝাবুঝি এবং অভিমানের কারণে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে দুর্বল করবেন না। কেননা শত্রুরা আঘাত করে দুর্বলের উপর।

বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ডঃ কামাল হোসেন কে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি’র জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাংগঠনিক এ নেতা বলেন: আমরাও জাতীয় ঐক্য চাই। তবে সেটা হতে হবে, সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে। সেটা হতে হবে স্বাধীনতার শত্রুদের বিরুদ্ধে। সেটা হতে হবে নষ্ট রাজনীতির বিরুদ্ধে। সেটা হতে হবে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির ঐক্য চাই আমরা।

পাতানো নির্বাচনকে সফল করতেই সরকার বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা মিথ্যা মামলা দিচ্ছে সরকার বলে বিএনপির পক্ষ থেকে যে অভিযোগ করা হয়েছে তার জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন: বিএনপি নেতাদের আমি জিজ্ঞাসা করবো আপনারা কি ইতিহাস ভুলে গেছেন? লঞ্চে প্লেট চুরির মামলা দেয়া হয়েছিল সাবের হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে! শাহরিয়ার কবির, মুনতাসীর মামুনদের বিরুদ্ধে কেন মামলা দেয়া হয়েছিল? আমরা কতগুলো মামলা কাঁধে নিয়ে নির্বাচনে গিয়েছিলাম?

অপারেশন ক্লিন হার্ট’র নামে আমাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ৭০ হাজার মামলা দেওয়া হয়েছিল। তারপরও আমি বলবো, অন্যায়ভাবে কাউকে মামলা দেয়া হোক এটা আমরা চাই না। কিন্তু গত কয়েক দিনে পুলিশ যাদের গ্রেপ্তার করেছে তাদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের মতই নাশকতার প্রচেষ্টা প্রস্তুতির অভিযোগ আছে।

তিনি প্রশ্ন করেন, এরপরও কি মামলা দেওয়া যাবে না? বিএনপি নেতাদের বলবো, যদি আপনাদের কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় দেয়া হয়ে থাকে আদালতে যান। নিজেদেরকে নির্দোষ প্রমাণ করুন। বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন। স্বাধীন বলেই আপনাদের নেত্রী (খালেদা জিয়া) ৩০টা মামলায় জামিন পেয়েছেন। আদালতে গিয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করুন।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx