নিউজটি পড়া হয়েছে 54

শাবিপ্রবির সাবেক শিক্ষক জাহিদ সিরাজ’র ১১টি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

সিলনিউজ২৪.কমঃ সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মুহ. হায়াতুল ইসলামআকঞ্জি বলেছেন, সমাজ, রাষ্ট্র, ইতিহাস-ঐতিহ্যকে যারা সাহিত্যের মাধ্যমে তুলে ধরেন জাতি তাদের কাছে ঋণী থাকে। ঘৃণেধরা সমাজেরঅনাচার, অত্যাচার, বিগ্রহ, মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে মননশীল সাহিত্য হাতিয়ার স্বরুপ। লেখক জাহিদ সিরাজ তাঁর বহুমাত্রিক প্রতিভা দিয়ে রাষ্ট্র, সমাজ, ইতিহাস-ঐতিহ্যকে তুলে ধরার মাধ্যমে সুন্দর বিনির্মাণে ভূমিকা রাখছেন। জাতির প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সমাজ চিত্রায়নে তিনি আরো লেখনীকে দৃপ্ত করবেন এটাই প্রত্যাশা করি।

সিলেট নাগরিক ফোরাম উন্নয়ন-এর উদ্যোগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক জাহিদ সিরাজ’র ১১টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ফোরামের সভাপতি ইমাম উদ্দিন রুজেলের সভাপতিত্বে গত শনিবার (২৯সেপ্টেম্বর) বাদ সন্ধ্যা  সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসর কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক সঞ্জয় কৃষ্ণ বিশ্বাস, সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক কামরান হোসেন চৌধুরী, সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ, গোয়ালাবাজার সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল মুকিত আজাদ, বিশিষ্ট গবেষক মাহবুবুল আলম মিলন এবং অনুভূতি প্রকাশ করেন গ্রন্থগুলোর লেখক জাহিদ সিরাজ।কণ্ঠশিল্পী ও বেতার সিলেট-এর উপস্থাপিকা জান্নাত তাসনোভা চৌধুরী স্মিতার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কলামিস্ট নুরুল ইসলাম মজুমদার, জৈন্তাপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কবির চৌধুরী।এছাড়া অনুষ্ঠানে সিলেটের সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করাহয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন সিলেটের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শামীম আহমদ এবং বেতার সিলেট-এর উপস্থাপিকা জান্নাত তাসনোভা চৌধুরী স্মিতা।

অনুষ্ঠানে লেখক জাহিদ সিরাজ রচিত তথাপি,খেলারাম খেলে যা, পূর্ব-প্রান্তিক, কলঙ্কিনী রাধা, জাবদুল বিসওয়াস্পি এইচডিডি, নক্ষত্র নামতা, আমার জন্মের কোন শেষ নেই, নাছোড় যন্ত্রণা, কেইস ডট. খান, মধ্য রাতের আলো, ভাঙ্গা বর্ণের গান এবং ইশতেহার গ্রন্থগুলোর মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিবৃন্দ।

অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে গ্রন্থগুলোর লেখক জাহিদ সিরাজ বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই গ্রন্থ গুলো লিখেছি। মানুষের মধ্যকার বিবেকবোধকে জাগিয়ে তুলার মাধ্যমেই সত্যিকার সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ করা সম্ভব বলে বিশ্বাস করি। পাশাপাশি ইতিহাস-ঐতিহ্য জানা এবং গবেষণার মাধ্যমে একটি জাতির সত্যিকার পরিচয় পাওয়া যায়,বিধায় সে বিষয় মাথা রেখে বইগুলো রচনা করেছি। বহুমাত্রিকতা নয়, একজন বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে সমাজ, রাষ্ট্র, ইতিহাস-ঐতিহ্য আমাকে গভীরভাবে তাড়িত করে।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx