নিউজটি পড়া হয়েছে 54

সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা সম্ভব।

সিলনিউজ অনলাইন ঃঃ সারাদেশে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে মন্ত্রীসভায় যে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ খসড়া অনুমোদন হয়েছে তা সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে সবার জন্য নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামটর বি.আই.পি.-র কনফারেন্স হলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বি.আই.পি.) উদ্যোগে ‘প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইন ও সড়ক নিরাপত্তা’ শীর্ষক এক সংবাদ সস্মেলনে সংগঠনের পক্ষ এসব কথা জানানো হয়।

সংবাদ সস্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মোহাম্মদ খান। তিনি বলেন, সম্প্রতি মন্ত্রীসভায় অনুমোদিত সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটা শুধু আইনের মাধ্যমে সীমাবন্ধ না রেখে যথাযথ বাস্তবায়ন করা হয়ে সড়কে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে। এসময় প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইনের কিছু সমলোচনা করেন তিনি ।

ড. আদিল মোহাম্মদ খান বলেন, প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইনে বাস মালিক ও শ্রমিকদের স্বার্থ প্রাধান্য পেয়েছে। এই আইনে পথচারী ও জনস্বার্থ প্রধান্য পায়নি। আইনটি প্রস্তাবিত করার আগে যারা এই বিষয় অবিজ্ঞ পেশাজীবী সংগঠন ও যারা সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে এরূপ সামাজিক সংগঠনগুলোর মতামত গ্রহণ করলে আরও ভাল হতো।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন অইনে সড়ক নিরাপত্তা ও সড়ক দুর্ঘটনা সংশ্লিষ্ট যে বিধি বিধান রাখা হয়েছে, তা নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠা করতে পর্যাপ্ত নয়। এবং বাংলাদেশে প্রচলিত আইনের ধারার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এমনকি সড়কে চালকের অবহেলার কারণে দুর্ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হলে চালকের সর্বোচ্চ ৫ বছর না করে বাড়ানো উচিত বলেও মনে করেন তিনি। এসময়  এরূপ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছর কারাদন্ড দেওয়া উচিত বলে বিআই,পি মনে করেন। এসময় সংগঠনের পক্ষ থেকে কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন,

সারাদেশে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত ট্রফিক মনিটরিং সেল এবং বিশেষ ট্রাফিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশে গাড়ির গতিসীমা সম্পর্কিত কোন আইন নেই। দেশের বিভিন্ন সড়কের জন্য পাড়ির সর্ব্বোচ গতি ও সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করে গতিমীমা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর আইনি কাঠামো ও পদক্ষেপ নেয়া দরকার।

চালকদের মাদকসক্তির কারণে বেপযোয়া গাড়ি চালানোর কারণে অনেক দুর্ঘটনা ঘটছে। মাদকাসক্তির চালকদের চিহৃত করে লাইসেন্সে বাতিলের করতে হবে।প্রস্তবিত আইনে ড্রাইভিং আইসেন্স বিপরীতে ১২ টি মেরিট পয়েন্টর বিষয়টি প্রশাংসার দাবি রাখে। উক্ত আইনের সঠিক বাস্তবায়ন এবং প্রযোজ্য ক্ষেতে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিলের ধাবার সঠিক প্রয়োগ প্রয়োজন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিআইপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক গোলাম রহমান বিআইপি’র সহ সভাপতি মো. ফজলে রেজা সুমন প্রমুখ।

সূত্রঃ একুশে টিভি 

ফেসবুক মন্তব্য
xxx