৬৫ বছর পর দেশে ফিরছে কোরিয়া যুদ্ধে নিহত ৫৫ মার্কিন সেনার দেহাবশেষ।

সিলনিউজ অনলাইনঃ ট্রাম্প-কিম বৈঠকের অন্যতম শর্ত অনুযায়ী প্রথম ধাপ হিসেবে দেশে ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে কোরিয়া যুদ্ধে নিহত ৫৫ মার্কিন সেনার দেহাবশেষ। আর এর মধ্যে দিয়েই সম্পর্কোন্নয়নের চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-উত্তর কোরিয়া। যদিও মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ এবং যৌথ ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নের ব্যাপারে কিছুটা উদাসীন কিম জং উন প্রশাসন।

দীর্ঘ ৬৫ বছর অপেক্ষা শেষে জাতীয় পতাকায় মোড়ানোর মধ্য দিয়ে এসব সেনার দেহাবশেষ ঠাঁই পাবে দেশটির গোরস্থানে। পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর, আগস্টের ১ তারিখ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আমেরিকার ভূখণ্ডে শায়িত হবেন তারা।

১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ পর্যন্ত চলা কোরিয়া যুদ্ধে লড়াই করেছিলেন ৩ লাখ ২৬ হাজার মার্কিনী। প্রাণ হারান ৩৬ হাজার মার্কিন সেনা। এখনও খোঁজ মেলেনি ৫ হাজার ৩শ’ জনের। ধারণা করা হয়, উত্তর কোরিয়ায় তাদের হত্যা করা হয়েছে। তাই কিম জং উন প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি রক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মার্কিন প্রশাসন।

সাউথ ক্যারোলাইনা রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অন্তত শান্তি স্থাপনের চেষ্টা চালিয়েছেন। বিগত কোন সরকার প্রধান উত্তর কোরিয়ার সাথে বসার সাহসও করেননি। যৌথ ঘোষণাপত্রে বিভিন্ন শর্ত রাখা হয়েছে। কিন্তু সেসবের বাস্তবায়নের কোন আগ্রহ নেই পিয়ংইয়ং’র। এটা তাদের ধীরগতির কার্যক্রম দেখলেই স্পষ্ট।

কোরিয়া যুদ্ধের সমাপ্তির দিনটি স্মরণে উত্তর কোরিয়ায়ও চলছে নানা আয়োজন। এদিকে রাজনৈতিক সংকটসহ বিভিন্ন ইস্যুর সমাধানে আগামী ৩১ জুলাই পানমুনজামের প্রতিরক্ষা বৈঠকে বসবেন উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, গত ১২ জুন সিঙ্গাপুরের সেন্তোসা দ্বীপের কাপেলা হোটেলে বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।

সুত্রঃ যমুনা টিভি অনলাইন 

ফেসবুক মন্তব্য
xxx