ডিআইসিটির খোলা চিঠি : শাহান আহমেদ কবিরী

শেষ হয়ে গেলো আমাদের ডিআইসিটি পরিবারের আনুষ্ঠানিক অর্ধবছর।অনেকটা স্বর্গীয় ভালোবাসার পরশে ঢাকা ছিলো জীবনের এই অনুপম দিনগুলি। শুরুটা ছিলো যেনো এক নতুন অজানা পৃথিবী আর শেষ মুহূর্তগুলি হয়ে ওঠল এক অটুট বন্দনের ভালোবাসা+র নিরুপম প্রতিচ্ছবি। জীবন থেকে ফেলে-আসা এই ছয়টা মাস হয়ে থাকবে অমলিন আর প্রেরণার আরেক উপযোগ। হাজারটা ব্যাথা নিয়ে বিদায় জানাতে হয়েছে, হয়তো এটাই চিরাচরিত নিয়ম। তবুও মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে, হ্যা এটা সত্য মানুষ একদিন পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়, চলে যেতে হয় তবে সেটা থাকে অনিশ্চিত।নিশ্চিতভাবে বিদায় দেয়া বিষম বেদনাদায়ক, সেখানে আবেগগন এ মন বারংবার পিছু ফিরে যেতে চায়। তবুও এগিয়ে যেতে হয় কারণ জীবন থেমে থাকে না কেননা গতিশীলতার নামই জীবন আর পৃথিবী গতিশীল বলেই তা প্রেম-বিধাত্রী। আপনার বা আমার জন্য এ ধরণী থমকে দাড়াবে না কিন্তু আমাদের জীবনের থমকে দাড়ানো সময়গুলো করে তুলতে পারে আমাদের বর্তমানটাকে অধিক নিখাদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।

প্রিয় ডিআইসিটি ফ্যামিলী, জানিনা এই ছ’মাস তোমাদের কী দিতে পেরেছি! তবে তোমাদের অর্পিত ভালোবাসাটুকু হয়ে থাকবে আমার জীবনের অন্যতম অনুপ্রাণনা। তোমাদের সাথে ফেলে আসা সময় আর বুকের কুনে জমানো ব্যাথাটুকু নিয়ে লিখবো লিখবো বলে ব্যস্ততার সঙ্গে যুদ্ধ করছি প্রায় এক সপ্তাহ ধরে। আজ না হয় লিখেই ফেলি তোমাদের ভালোবাসার পুনরুত্থান। না হয় স্মৃতি হিসেবে চেটে (আটকান) রাখি ভার্চুয়াল আমেজের আঙিনায়। কখনও যদি বেমালুম এ মন ফিরে থাকায় ফেসবুকের ক্ষণ-জানালায়। হয়তো এই প্রোফাইল ফ্রেমের স্মৃতি আবারো ফিরিয়ে নিবে তোমাদের মূর্ছনায়। আজ সব্বাইকে নিয়েই লিখবো যাদের অকথ্য প্রেম মনটাকের সেই সময়ের লোভ দেখাচ্ছে, যদি টাইম মেশিন থাকতো তাহলে বলতাম থাকুক না কিছু মুহূর্ত আমরণ চিরক্ষণ, থাক’না কিছু উষ্ণ হৃদয় যেথায় প্রেম চিরন্তন।

প্রারম্ভেই শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের স্মরণ করছি, যাদেরকে এতই জালাতন করেছি যে সেই পরিমাণে মাত্র ক’লাইনে তাদের উপমা নির্ধারণ করাটা কঠিন। অধিকন্তু আমার উদ্দেশ্যে তাদের মুখাশ্রিত কয়েকটা বাক্য তুলে ধরছি যা এখনঅব্দি আমার কানে অবিকল শুনতে পাই।

শ্রদ্ধেয় মধু স্যারঃ কি কবিরী ঠিক আছেন তো?
শ্রদ্ধেয় অলি স্যারঃ এই ইয়ে, কাবিরীকে একটু ডাক দেন তো?
শ্রদ্ধেয় সোয়েব হোসেন স্যারঃ কি শাহান, আপনি ভালো আছেন তো?

আসলে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষক শব্দের যথার্থতা অক্ষত থাকে এরপর তা হয়তো কম-বেশ হারিয়ে যায়। তবে আপনার যদি এ রকম কোনো ফিলিংস হয়, ছোটবেলার শিক্ষকদের খুঁজে পেতে চান তাহলে ছুটে চলে আসুন আমাদের এই বিসিসির জানালায়। শুধু তাই নয় বোনাস হিসেবে পেতে পারেন আরো অনেক কিছু। বোনাসগুলো না হয় সারপ্রাইজ থাকুক। তবে নিশ্চিন্ত থাকুন, ছোটবেলার সেই আদর্শ শিক্ষকদের সাথে এখানে দেখা হয়ে যেতেই পারে আপনার।

এবার না হয় আমার সবচেয়ে বেশী সময় কাটানো মানুষগুলোর কথা তুলে ধরি। শুরুটা করছি প্রিয় মোফাজ্জলকে দিয়ে আর উপসংহারটা হোক ধারাক্রম।
প্রিয় মোফাজ্জল ( Mofajjal Hossen ) : অফুরন্ত ভালোবাসা আর অগাধ শ্রদ্ধাবোধ পেয়েছি তোমার কাছ থেকে। যে কিনা তুমি, শতমাইল দুরে গিয়েও এই ভাইটির জন্য নিয়ে এসেছো একরাশ লাল গোলাপ। ভাই তোমার দেয়া লাল গোলাপগুলো সময়ের তাড়নায় হয়তো শুকিয়ে গেছে, তবে তোমার ভালোবাসাটুকু সবসময় আমার কাছে রঙিন হয়ে থাকবে ইনশাল্লাহ, যেভাবে সযতনে রাখা আছে তোমার দেয়া ফুলগুলো।

প্রিয় মিথুন কান্তি ( Mithun Kanti Das ) : দুর্দান্ত রোমান্টিক গড়নার এই ছেলেটির প্রতি মুহূর্তেই মুগ্ধ হয়ে যেতে পারেন আপনি। যার সাথে সারাদিন কাটানোর পরেও মনে হতো এই বোধ হয় মাত্র পাঁচ মিনিট। আমার এক সেচ্ছাসেবী বোনের কথায় ছেলেটি আমার নজর কাড়ে, যার দরূন এই ক’দিনের জীবনে এই ভাইটি ছিলো আমার অনবদ্য সঙ্গী। স্রষ্টা তোমার সহায় হউন ভাই।

প্রিয় হাবিব ( Habibur Rahman ) : যার কথা আমি প্রথমেই লিখতাম কিন্তু এতো এতো ভাইদের আরক্তিম ভালোবাসার প্রতিযোগিতায় আর লিখতে পারলাম না। মাফ করিস ভাই। হাজারটা প্রেসার নিয়ে যখন প্রসেসরটা আমার গরম হয়ে যেতো তখন কি ভাবে হট প্রসেসর চট করে কুল করে ফুল স্পীডে রিড করতে নিয়ে আসা যায় তার দক্ষতা দিতে এই ভাইটি আমার সিদ্ধহস্ত। তোমার ছোট্ট ছোট্ট হেল্পগুলো আজ আমার কাছে এক বিশাল ভালোবাসায় পরিণত হয়েছে। আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুন ভাই।

প্রিয় মুহাইমিন ( এ এস মুহাইমিন ) : মুহাইমিন হচ্ছে ভালোবাসার আরেক অন্তিম অধ্যায়ের নাম। শেষ সময়টাতে এসে মনে হয়েছিলো যেনো নিজের আরেক সত্তার সঙ্গেই মিশে আছি। ভাই আমি চা খাই না, তবে আপনি খান আমি দাড়াই। ভাই আপনাকে আসতেই হবে, আপনি ছাড়া যেনো আমরা অচল। দেখেন ভাই, সবার আগে আমি এটা করব না যদি আপনি না আসেন, আপনি না আসলে আমি’ই থাকছি না। সুশোভন ব্যক্তিত্বের অধিকারী আমার এই ভাইয়ের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে অন্তরের অন্তস্তল থেকে দোয়া আর সেই সাথে শুভকামনা রইলো।

প্রিয় রুহুল আমিন ( Md Ruhul Amin ) : মুসকি হাসির প্রাণবন্ত অবয়বধারী সুদর্শন এক যুবক। যার মন ভুলানো আবদারগুলো প্রাণ সঞ্চার ঘটায়। ভাই আজ আপনাকে নামাজ পড়তেই হবে, না পড়লে ছাড়ছি না। ভাই কথাতো রাখুন প্লিজ, চা খাওয়াবো বলছি। মন খারাপ করবেন না ভাই, সেশন শেষ হয়ে গেছে তো কি হয়েছে, পারলে প্রত্যেকদিন রুটিন করে অাপনার সাথে দেখা করবো ইনশাল্লাহ। মন থেকে তোমার জন্য দোয়া রইলো প্রিয় ভাই, জীবনে সফল হও তোমার লক্ষ্যে।

প্রিয় আমেনা রহমান ( Amina Rahman ) : নিজেকে নিয়ে ভাবতে হবে, নিজের সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। নিজের জীবনকে এগিয়ে নিয়ে চলো (শাহান ভাই) সুদূরপ্রসারী লক্ষ্যে। ধন্যবাদ আমার প্রাণপ্রিয় বোন, তোমার অনুপ্রেরণাটুকু স্মরণ থাকবে আর এগিয়ে যেতো পারবো ইনশাল্লাহ।মহান আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তোমার মঙ্গল করুন।

প্রিয় মুয়েদ ( মুয়েদ আহমদ ) : আসসালামুআলাইকুম, শাহান ভাই কেমন আছেন? কি করছেন? (এ সবই ছিলো যার নিত্যদিন কুশল বিনিময়) ভাই আপনার মতো একজনকে পেয়েছিলাম বলেই সেই ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে শহরে আসতে কষ্ট অনুভব করি না। ক্লাসগুলো শেষ হয়ে গেলে সবচেয়ে বেশী আপনাকেই মিস করবো। এই মুহূর্তে আমিও তোমাকে ভীষণ মিস করছি প্রিয় ভাই। যেখানেই থাকো, সবটা সময় জুড়ে অাল্লাহর কৃপায় ভালো থেকো। অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো ভাই।

প্রিয় আজিম ( Ajijul Islam Ajim ) : কি অবস্থা শাহান ভাই, সব ঠিকঠাক আছে তো নাকি! একটু বলেনতো! আসসালামুআলাইকুম ভাই, সবসময় পাশে পাবেন ভাই। দিব্যি দিতে চাই বাট দেওয়ার মতো যে অল্পই আছে আমার অবশিষ্ট। তোমার মতো জ্ঞানী একটা ভাই পেয়েছি এজন্য আল্লাহর কাছে হাজারো শুকরিয়া। সব সময় ভালো থেকো, নিজের খেয়াল রেখো।

প্রিয় আলামিন ( Md Al Amin ) : জি ভাই, ঠিক আছে। না ভাই, নো প্রোবলেম ভাই! আপনি চাইলে ঠিক আছে। ও সরি ভাই, একস্ট্রিমলি সরি ভাই, আমি ভেবেছিলাম জিয়া নাকি। মাফ করবেন ভাই, আসতে পারিনি, কাল তবে দেখা হচ্ছে ভাই। দোয়া রইলো ভাই জীবনে ভালো কিছু করো।

প্রিয় জিয়া ( Jiaul Huda Khan Marjan ) : কিরে প্রিয়া কেমন আছিস হে!! ভাইয়া নামটা ঠিক করে বলুন। যদি ভাইয়া নামটা ঠিক করে বলেন তাহলেই এনে দিচ্ছি নতুবা পানি আপনাকে আমি দিবো না। ইস্! আমি তো প্রিয়া নই! শাহান ভাই’ই সব করবেন তাই আর, কই ভাই কোনো ফোন কলতো আসেনি। তোমার মতো একটা ভাই আমাদের ভীষণ দরকার ছিলো। মেধা আর শ্রম সব দিক দিয়েই এগিয়ে, দোয়া করি এভাবে যেনো সারাজীবন এগিয়েই থাকতে পারো। 

প্রিয় তীর্থদা ( Tirtho Paul ) : হুম, শাহান ঠিক আছে। আজ না হয় তোমার কথাটা রেখেছি। হেই, শাহান মজা নিচ্ছো নাও, আমরাও একদিন আমাদের বড়ভাইদের সাথে মজা নিয়েছি, দুষ্ঠামি করেছি, তুমি কেনো বাদ পড়বা। হেই, শাহান তো আমি আর গেলাম, হুম! দাদা অনেক কিছুই করেছি, ভুলগুলো মনে রাখবেন না, পারলে মাফ করে দিবেন। আর অবশ্যই হ্যা, যেখানেই থাকুন স্রষ্টার কৃপায় ভালো থাকবেন।

মিটুন বন্ধু ( Mitun Deb Nath ) : অনেকটা সময় ছিলাম একসাথে আর সবচেয়ে বেশী আড্ডাটাও তোর সাথেই। কখনও কোনো ব্যথা পেয়ে থাকলে পারলে মাফ করে দিস। আর তোর স্বপ্নটা পূরণ হোক, আশীর্বাদ রইলো।

সালেহ বন্ধু ( Saleh Ahmed ) : না, গালি দিচ্ছি না। ওর নামটাই হচ্ছে সালেহ। ক্লাসে সবচেয়ে বেশী কষ্ট দিয়েছি তাকে, বিনিময়ে এক বিন্দুও খারাপ ব্যবহার করেনি। সবসময় নির্দ্বিধায় পাশে ছিলো। তবে ব্যাটার কিন্তু হেভ্ভী প্রফেশনালিজম একটা মোড আছে, ঐটা শিখার মতো জিনিস। যাই হোক বন্ধুর জন্য এক রাশ লাল গোলাপ ভালোবাসা।

তোফায়েল বন্ধু ( Tofayel Ahmed Rubel ) : কেউ ভুল বুজলেই থেমে যেতে নেই, নির্দোষ হলে নিজের কাছে ভালো থাকতে সমস্যা কোথায়! নিজের কাছে ভালো থাকলেই হলো, পৃথিবীটা ঐ একই চোখেই (দৃষ্টিভঙ্গি থেকে) রঙিন করে ( সুন্দর মনস্তত্ত্ব দ্বারা ) দেখা যায়। বন্ধুর কাছে পাওয়া শিক্ষাটা আসলেই যথোপযুক্ত। শুরুর দিকে অনেকটা সময় একসাথে কাটিয়েছি আমরা। পরে যেনো কোথায় ব্যস্ততার বেড়াজালে এ সব উদাও হয়ে গেলো। তারপরেও আমার রসিক বন্ধুর মিষ্টি মিষ্টি কথা আসলেই মনে রাখার মতো। দোয়া রইল বন্ধু তোর জন্য।

জামাল বন্ধু ( Jamal Mia ) : এই ব্যাচে প্রথম যার সাথে পরিচয় আর প্রথম বন্ধুত্বটাও যার সাথে। যে স্বপ্ন দেখে একজন বিসিএস ক্যাডার হওয়ার। বিসিএস পাগল আমার এই বন্ধুটি এতোটাই পরিশ্রমী যে, তার এই অধ্যাবসায়কে শ্রদ্ধা করে সবাই ওকে ভালোবেসে ‘বিসিএস জামাল’ বলেই ডাকতো। আল্লাহ তোর স্বপ্ন পূরণ করুন বন্ধু।

সাদিয়া নওশীন চৌধুরী : উজ্জল ব্যক্তিত্বধারিণী এই মানুষটি কঠোর সংযমী আর পরিশ্রমী। যে স্বপ্ন দেখে বহুদূর পারি দেয়ার। মেয়ে হয়েও যে নিজ পরিবারকে সহযোগীতার পাশাপাশি নিজেই নিজের নিয়ন্তা। এহেন সাহসী মানুষের কর্মকে ও কর্মচারিকাকে সাধুবাদ জানাই, মহান আল্লাহ সহায় হউন।

ফাতেমা ইয়াসমিন চৌধুরী স্বর্ণা : বোনটির একটা ছোট্ট ছেলে আছে, একদিন নিয়ে এসেছিলো ক্লাসে, আমরা যখন ওর ছেলের জন্য কিছু নিয়ে আসলাম তখন আর ওদের পাই নাই, ওরা নাকি বাসায় ফিরে গেছে। তোমার ছেলে খুব লাকি বোন, তার মা একজন ওয়েব ডেভেলপার, সিএস্এস্ যেভাবে ওয়েব লে আউট সাজায় তেমনি একজন মা তাঁর সন্তানকে সাজায়। মাদের সবার সামনের দিনগুলি হোক আরো সাফল্যমন্ডিত। দোয়া রইলো বোন।

সোহাগ সাহেব ( Albakaria Suhag ) : সাহেবীয়ানার এক আধুনিক সংস্করণ এই প্রিয় মানুষটি। যদিও বিদায়টা অনেক আগে নিয়েই চলে গেছেন কিন্তু আত্মার বন্ধনটা রয়েই গেছে আমাদের। নিরন্তর শুভকামনা রইল এই মানুষটির জন্য।

সানজিদা বৃষ্টি ( Sanjida Bristy ) : সানজিদার বৃষ্টিতেই শুরুতে ভিজেছিলো আমাদের পুরো ক্লাস, তিনমাসের শুরুর দিকে ও চলে যাবার পর ক্লাসটায় যেনো ঠান্ডা আমেজ বিরাজ করতো। শেষমেশ ওর অভাবটা বিদ্যমানই ছিলো। ওর জায়গাটা আর কেউ নিতে পারেনি। কিছু কিছু মানুষ থাকে যারা চলে যাবার পরও তাদের মৌলিক কীর্তি অম্লান হয়েই থাকে। তারা ব্যতীত অন্য কেউ তা পূরণ করতে পারে না। দোয়া রইলো বোন তোমার জন্য, জীবনে অনেক বড় হও।

এছাড়া দিলহান ভাই আর রবির দেয়া সালামগুলো যেনো এক নিরব শান্তির স্মৃতি হয়ে আছে। আরো আছে সুকান্ত, আসলেই যিনি খুব শান্ত আর বিসিসির প্রিয় মুখ জামাল। সর্বোপরি জীবনের এই ছ’মাস আর ছ’মাসের পাওয়া অকৃত্রিম ভালোবাসা আমার সারাজীবনের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। সকলের জন্য পুনরায় শুভকামনা আর সকলের আন্তরিক ভালোবাসার প্রতি সাধুবাদ জ্ঞাপন করছি। চলমান সময়কে ধন্যবাদ জানিয়েই ইতি টানছি।

আল্লাহ হাফেজ।

লেখকঃ শাহান আহমেদ কবিরী

ওয়েব ডেভেলপার, সিলেট।

১৮/০৭/২০১৮

(লেখনী উৎসর্গ) প্রিয় স্নেহাশীষ: জুবের ( Jubar Ahmed ) আর ( Mitun Das ) মিথুন।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx