ইভটিজিং এর প্রতিবাদ করায় নবীগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ অধ্যক্ষ আজাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা।

নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ইভটিজিং এর প্রতিবাদ করায় নবীগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ অধ্যক্ষ আজাদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর প্রতিবাদে উত্তপ্ত নবীগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় কলেজ ক্যাম্পাসের সামনে মুন্না ও হুমায়ূন কবির নামে বহিরাগত দুই যুবক মোটরসাইকেলযোগে কলেজে প্রবেশ করে অধ্যক্ষ গোলাম হোসেন আজাদের উপর হামলা চালায়। হামলায় গোলাম হোসেন আজাদসহ কলেজের এক ছাত্রী ও হামলাকারীদের হাত থেকে গোলাম হোসেন আজাদকে রক্ষা করতে এসে কলেজ প্রহরী ফয়জুর রহমান ধারালো ছুরির আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ফয়জুর রহমান ও গোলাম হোসেন আজাদকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

জানা যায়, গত সোমবার নবীগঞ্জ পৌর এলাকার মদনপুর গ্রামের নুরুজ্জামানের পুত্র মুন্না ও গন্ধা গ্রামের জুলফু মিয়ার পুত্র ফজলু কলেজের বহিরাগত থাকালীন কলেজে প্রবেশ করে মেয়েদের ইভটিজিং করে। এসময় অধ্যক্ষ গোলাম হোসেন আজাদ প্রতিবাদ করলে মুন্না ও তার সহযোগী হুমায়ূন ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন সকালে এসে তারা ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় আহতরা হলেন অধ্যক্ষ গোলাম হোসেন আজাদ (৫৬) কলেজ প্রহরী ফয়জুর রহমান (৩৫) পৌর এলাকার গন্ধা গ্রামের আফতাব চৌধুরীর মেয়ে চৈতি (১৮)।

সন্ত্রাসী হামলায় জড়িত থাকায় নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গন্ধা গ্রামের জুলফু মিয়ার পুত্র হুমায়ুন কবিরকে আটক করে পুলিশে সোপার্দ করা হয়েছে।এদিকে হামলার পর থেকে মূলহুতা মুন্নাকে গ্রেফতারের দাবিতে তিন ঘন্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। ২৪ ঘন্টার ভিতরে মুন্নাকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করেছেন কলেজ শিক্ষার্থীরা। ২৪ ঘন্টার ভিতরে মুন্নাকে গ্রেফতার করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন শিক্ষার্থী ও সকল শিক্ষকবৃন্দ। এঘটনায় উপজেলার সর্বত্র তোলপাড় সৃস্টি হয়েছে।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx