সুইটির ভরণপোষণ এবং শিক্ষার দায়িত্ব নিলেন ড. এ কে আব্দুল মোমেন

নিজেস্ব প্রতিবেদন:  টাকার অভাবে অপারেশন করতে না পারা সুইটির ভরণপোষণ এবং শিক্ষার দায়িত্ব নিলেন ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

টাকার অভাবে এপেন্ডিসাইটিসের অপারেশন করতে না পেরে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল সিলেটের জকিগঞ্জের কশকনকপুর হাফিজ মজুমদার বিদ্যানিকেতন স্কুলের ৮ম শ্রেনীর মেধাবী ছাত্রী সানিয়া জামান সুইটি। এ নিয়ে গত দুই দিন আগে সুইটির অপারেশনের জন্য জন্য সাহায্য চেয়ে ফেইসবুকে স্ট্যাটাসের  মাধ্যমে সহযোগিতা কামনা করেন একজন । স্ট্যাটাস দেখে এগিয়ে আসেন অনেকে। সুইটির মার হাতে নগদ টাকা দিয়ে সাহায্য করেন অনেকে।

সবার আগে এগিয়ে আসেন স্পেন প্রবাসী মাসুদ, আমেরিকা প্রবাসী শাওন অয়ন। যাদের দেওয়া টাকা দিয়ে প্রথম দিকে সুইটির চিকিৎসার কাজ শুরু হয়। তারপর সিলেট উইমেন্স মেডিকেলের অপারেশনের সমগ্র বিল পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন সিলেট ৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সেলিম উদ্দিন।

তবে সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হল ১০ই জুলাই মঙ্গলবার মাননীয় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের ছোট ভাই, জাতিসংঘে নিযুক্ত সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন তাৎক্ষনিক মুহুর্তে যুক্তরাজ্য প্রবাসী এনআরবি বাংলাদেশে আইটি বিনিয়োগকারী কায়েস চৌধুরী ও আমেরিকা কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির শিক্ষক প্রফেসর ইবা তালুকদারকে পাঠান সুইটির শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য। কায়েস চৌধুরী সুইটিকে দেখার পর সার্বিক অবস্থা জানান ড. একে আব্দুল মোমেনকে। ড.মোমেন সুইটির ভরণপোষণ এবং শিক্ষার দায়িত্ব নিয়েছেন। এমনকি সুইটি সুস্থ হওয়ার পর তাকে সিলেটের সুনামগঞ্জে অবস্থিত বাংলাদেশ ফিমেইল একাডেমীতে ভর্তি করা হবে। সেখান থেকে সে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে যে বিষয় নিয়ে পড়তে চাইবে সে বিষয়ে পড়ার সুযোগ করে দেওয়া হবে।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx