নিউজটি পড়া হয়েছে 65

সাংবাদিক ইদ্রিছ আলীর ওপর হামলায় চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় ক্ষমা চাইলো হামলাকারীরা

সাংবাদিক ইদ্রিছ আলীর ওপর হামলাকারীরা নি:শর্ত ক্ষমা প্রার্থণা করেছে। রোববার বিকেলে সিলেট সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আশফাক আহমদের মধ্যস্থতায় এ ক্ষমা প্রার্থণা করে হামলাকারীরা বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরণের আর কোনো অপরাধ কর্মকাণ্ডে তারা যুক্ত হবে না।গত ১ জুলাই নিজ গ্রামের বাড়ি সাহেবের বাজার যাওয়ার পথে ধুপাগুল এলাকায় হামলার শিকার হন সাংবাদিক ইদ্রিছ আলী।এরপর সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। এসময় গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালেতাকে দেখতে যান সিটি করপোরেশেন নির্বাচনে দুই মেয়র প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, বিএনপির কেন্দ্রিয় সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী ও সদরউপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদসহ বিভিন্ন শ্রেণীর নেতৃবৃন্দ। ঘটনায় তাৎক্ষণিক উদ্বেগ প্রকাশ করে নিন্দা জানান সিলেট প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন। এ ঘটনায় সাংবাদিক ইদ্রিছ আলী বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় ৭ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। এদিকে, ইদ্রিছ আলীর ওপর হামলার  ঘটনায় সিলেট জুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। সাহেবের বাজারে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান আশফাক আহমদসহ অন্যরা। পরবর্তিতে বিষয়টিএ কটি ভুল বুঝাবুঝি মনে করে এর সমাধাণের উদ্যোগ নেন সদর উপজেলার উল্লেখিত চেয়ারম্যান। এর ধারাবাহিকতায় রোববার বিকেলে এক বৈঠক বসে উপজেলা মিলনায়তনে। সেখানে হামলাকারীরা বলেন, ইদ্রিছের ওপর হামলা নিছক একটি ভুলবুঝাবুঝি। মুলত দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের ঝের ধরে ভুলবশত: এ হামলার ঘটনা ঘটে। এজন্য তারা সকলের কাছে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান।ভবিষ্যতে এ ধরণের আর কোনো ঘটনা ঘটবে না বলেও অঙ্গিকার করেন। একইসঙ্গে সাহেবের বাজার ও ধুপাগুল গ্রামবাসীর মধ্যে যে বিরোধ ছিল তাও সমাধান করে দেন উপস্থিত জনপ্রতিনিধিরা।এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খাদিমনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, বর্তমান চেয়ারম্যান দিলোয়ার হোসেন, ইউপি সদস্য আনসার আলী, বশির আহমদ,নাজিম উদ্দিন ইমরান, সাকির আহমদ প্রমূখ।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx