নিউজটি পড়া হয়েছে 120

৬৭ বছরের প্রথা ভেঙ্গে সিলেটে চা শিল্পের নব দিগন্তের সূচনা : ডঃ একে আব্দুল মোমেন

নিজেস্ব প্রতিবেদন:  ১৪মে (সোমবার) আনন্দ উৎসবের মধ্যদিয়ে দেশের ২য় চা নিলাম কেন্দ্রের শুভ সূচনা করেন জাতিসংঘের সাবেক প্রতিনিধি ডঃ এ কে আব্দুল মোমেন।

এসময় তিনি বলেন, ৬৭ বছরের প্রথা ভেঙ্গে সিলেটে চা শিল্পের নব দিগন্তের সূচনা আজ।১৯৪৯ সাল থেকে চট্রগ্রাম থেকে সিলেটের চা নিলাম শুরু হয় । এ কারনে সারা বাংলাদেশের মধ্যে ৯৭ ভাগ চা উৎপাদনকারী সিলেট বিভাগ থেকে চট্রগ্রাম নিতে হতো । এই লম্বা ট্রান্সপোর্ট এর কারনে চায়ের গুনগত মান যেমন নষ্ট হতো তেমনি এর ট্রান্সপোর্ট বাবত খরচ হতো প্রতি বছর প্রায় ২০০ কোটি টাকা। এই চা নিলামকেন্দ্র হওয়ায় ট্রান্সপোর্ট খরচ যেমন কমে আসবে তেমনি প্রতি বছর আমাদের প্রায় ৫ মিলিয়ন কেজি চা নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। এতে অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবে দেশ।
তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সদিচ্ছা এবং অর্থমন্ত্রী প্রচেষ্টায় এই নিলাম কেন্দ্র করতে সক্ষম হই আমরা।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এখানকার অবকাঠামো রাস্তা ঘাট উন্নয়নের জন্য সরকারের পক্ষথেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

তিনি বলেন, নিলাম কেন্দ্র যাতে সুন্দর এবং লাভজনক ভাবে পথ চলতে পারে পারে সেজন্য সবাইকে আন্তরিক ভাবে কাজ করতে হবে।

দুপুর ২ টায় ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদ এই নিলাম কেন্দ্রের সবাইকে শুভেচ্ছা জানান।

বানিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিলেটের জন্য এটা একটি বড় প্রাপ্তি। নিলাম কেন্দ্রের শুভ সূচনা দেশের চায়ের বাজার আরো গতিশীল হবে।

সকালে নিলামের প্রথম লটের চা ভেলুয়েশন এর মাধ্যমে ২২০ টাকা নির্ধারণ করে বুকার হাউস।প্রথম নিলামেই ২২০ টাকা কেজি দরের চা ১১,২০০ টাকা কেজি দরে পাহাড়ি কোম্পানির সাথে প্রতিযোগিতা করে ৫৫৫ কেজি চা কিনে নেয় ইস্পাহানি টি কোম্পানি লিমিটেড ।প্রথম দিনেই প্রায় ৬ লাখ ৫৭ হাজার কেজি চা নিলামে উঠে বলে জানা যায়। যার আনুমানিক মুল্য ১২ কোটি টাকা।

এই নিলামে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল জাহাংগির আল মুস্তাহিদুর রহমান।
পাহাড়ি টি কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মুনির আহমেদসহ সারা বাংলাদেশ থেকে আগত বিভিন্ন চা কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx