নিউজটি পড়া হয়েছে 95

ঢাকার রাস্তায় রোড সুইপার

সিলনিউজ অনলাইন ::: রাজপথে ময়লা-আবর্জনা, ধুলোবালির কমতি নেই। সাধারণ পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দিয়ে রাস্তা ঝাড়ূ দিয়েও এসব থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিতে পারছে না সিটি করপোরেশন। এবার তাই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বহরে যুক্ত হয়েছে নতুন যন্ত্র রোড সুইপার। যন্ত্রটি চালু করলেই মুহূর্তের মধ্যে রাস্তার ধুলোবালি-বর্জ্য পাইপ দিয়ে শুষে নেবে। ঝকঝকে তকতকে হয়ে যাবে রাস্তা। ইতিমধ্যে যন্ত্রটি পরীক্ষামূলকভাবে কাজ শুরু করেছে এবং আশানুরূপ ফলও মিলেছে। ভালো ফল পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে পুরো ডিএনসিসি এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের সিংহভাগ এ যন্ত্রের মাধ্যমে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

ডিএনসিসি সূত্র জানায়, আনিসুল হক তার জীবদ্দশায় রোড সুইপার যন্ত্র ব্যবহারের উদ্যোগ নেন। সব প্রক্রিয়া শেষে ফেব্রুয়ারি মাসে রোড সুইপারটি ডিএনসিসির হাতে পৌঁছে। এটি সরবরাহ করেছে পল্টনের সোহেল এন্টারপ্রাইজ।

জানা গেছে, রোড সুইপারটি দেখতে অনেকটা কাভার্ডভ্যানের মতো। এর ইঞ্জিন দুই ভাগে বিভক্ত। একটির কাজ পথ মাড়ানো। অন্যটির কাজ রাস্তা ঝাড়ূ দেওয়া। সুইপার যন্ত্রটির সামনের দিকে রয়েছে দুটি সাকশন (শোষণ) পাইপ। প্রতিটি পাইপ একসঙ্গে দেড় ফুট ব্যাসের জায়গার ময়লা-আবর্জনা শুষে নিতে পারে। যন্ত্রটি চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার ময়লা সাকশন পাইপের মাধ্যমে ওপরে অবস্থিত গার্বেজ ট্যাঙ্কারে জমা হয়। আরেকটি ইঞ্জিনের মধ্যমে গাড়িটি ধীরে ধীরে চলার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার সব ময়লা-আবর্জনা শুষে ট্যাঙ্কে নিয়ে যাবে। ট্যাঙ্কে ছয় টন বর্জ্য ধারণ করতে পারে। এছাড়া একটি পৃথক পানির ট্যাঙ্কও রয়েছে। প্রয়োজনে ট্যাঙ্ক থেকে পৃথক পাইপের মাধ্যমে রাস্তায় পানি ছিটিয়েও রাস্তা পরিস্কার করা যাবে। প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা বর্তমানে যন্ত্রটি চালানো হচ্ছে। প্রতি ঘণ্টায় ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার পথ পরিস্কার হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও বাড়ানো সম্ভব। রাত ১২টার পর থেকে ভোর ৪-৫টা পর্যন্ত কাজ করছে রোড সুইপার। আপাতত মানিক মিয়া এভিনিউ, খেজুরবাগান, ক্রিসেন্ট লেক, বিজয় সরণি, ইন্দিরা রোড, গণভবন, সংসদ ভবনের আশপাশে পরিচ্ছন্নতার কাজে এটি ব্যবহূত হচ্ছে।

সুত্র: সমকাল

ফেসবুক মন্তব্য
xxx