কোটা সংস্কার: আন্দোলনরত শিক্ষার্থীর মারা যাওয়ার খবর গুজব

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) এর কর্তব্যরত চিকিৎসক আলাউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৫ জন এদের মধ্যে ৩ জনের আঘাত গুরুতর। ভর্তি হওয়া সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়: পুলিশের রাবার বুলেটে আবুবকর সিদ্দিক নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী চোখে গুরুতর আঘাত পেয়েছে। অজ্ঞাত এক শিক্ষার্থীর বুকে গুলি লেগেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। ৫০ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ফিরে গেছে।

এর আগে রোববার, রাত ৮টার দিকে শুরু হওয়া পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেলের কারনে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এসময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে।

আন্দোলনকারী শাহবাগ থানার সামনে, চারুকলার সামনে, পাবলিক লাইব্রেরির পেছনে, নজরুলের মাজারের সামনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে ও লাঠিসোটা নিয়ে অবস্থান নেয়।

পুলিশ টিয়ারশেল ও জলকামান ছুড়তে ছুড়তে তাদের টিএসসির দিকে ধাওয়া দেয়। তাদের পেছন পেছন পুলিশও টিএসসির দিকে অগ্রসর হতে থাকে। এক পর্যায়ে পুলিশ নজরুলের মাজারের দিকে অগ্রসর হয়। এসময় পুরো এলাকা ধোয়ায় অন্ধাকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়।

এর আগে দুপুরের পর থেকেই সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থা সংস্কারে চাকরিপ্রার্থী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান নেয়। এতে কার্যত অচল হয়ে যায় শাহবাগ এবং আশেপাশের এলাকা। সড়কের ওপর আড়াআড়ি বাস রেখে ব্যারিকেড দেয় আন্দোলনকারীরা।

হামলার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা টিএসসি এলাকায় গাড়ি ভাঙচুর করেছে। পুলিশ অনেককে গ্রেফতার করেছে। সারা রাত তাদের আন্দোলন অব্যাহত ছিলো।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx