নিউজটি পড়া হয়েছে 60

শচীন টেন্ডুলকারের কন্যা সারা’র ভুয়া আইডি, ইঞ্জিনিয়ার গ্রেফতার।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ঃঃ বর্তমানে লন্ডনে পরাশুনা করছেন শচীন টেন্ডুলকারের কন্যা সারা। কিছুদিন আগে সারাকে উত্ত্যক্ত করার জেরে জেলে যেথে হয়েছে এক বাঙ্গালী যুবককে। সব মিলিয়ে সাম্প্রতিকালে নিজের মেয়েকে নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছেন শচীন, তাতে কোন সন্দেহ নেই।

এবার আন্ধেরির এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার হতে হল। শচীনকন্যা সারা টেন্ডুলকারের ভুয়া টুইটার হ্যান্ডল তৈরি করেছিলেন, এই অপরাধে। অভিযোগ, সেই নকল অ্যাকাউন্ট থেকে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের বিরুদ্ধে অবমাননামূলক টুইট করেছিলেন আটক ইঞ্জিনিয়ার নীতিন শিশোদে। আন্ধেরির মারোলের মিলিটারি রোডে বাসস্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে।

বর্তমানে লন্ডনে পড়াশুনা করছেন শচীনকন্যা। বেশ কয়েকমাস আগে শচীন ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন নেট দুনিয়ায় তাঁর কন্যা সারার নকল আইডি দেখার পর। তিনি তখন প্রকাশ্যেই বেশ কয়েক বার জানিয়েছিলেন, তাঁর পুত্র কিংবা কন্যা সোশ্যাল মিডিয়ায় নেই। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শচীন টেন্ডুলকারের ব্যক্তিগত আপ্তসহায়ক সাইবার পুলিশে অভিযোগ জানান কিংবদন্তি ক্রিকেটারের পরামর্শে। 

তার পরেই আসরে নামে সাইবার পুলিশ। জানা গিয়েছে, নকল ব্যক্তি সাজা, প্রতারণা এবং মানহানীকর কাজ করার অপরাধে ভারতীয় দণ্ডবিধির আইটি অ্যাক্ট অনুযায়ী নীতিনের ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য গেজেট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

‘সারা-শচীন আরটি’ নামের সেই নকল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে বেশ কয়েকবার বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়, যার লক্ষ্যবস্তু ছিলেন স্বয়ং এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার। একবার লেখা হয়েছিল, ‘‘প্রত্যেকেই জানে এসপি (শরদ পাওয়ার) মহারাষ্ট্র লুঠ করেছে। তবে অনেকেই জানেন না, কেন্দ্রতেও সেই কীর্তি করার চেষ্টা করেছিলেন।

মুম্বাইয়ের সাইবার সেলের সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, বেশ কয়েকবার অভিযোগ আসে যে সেটি মোটেই সারার অ্যাকাউন্ট নয়। কারণ সারা মোটেই রাজনীতিতে আগ্রহী নন। ‘‘সেই টুইটার হ্যান্ডলের অবমাননাকর মন্তব্য খুঁটিয়ে দেখার পর আমরা নিশ্চিত হই যে টুইটার প্রোফাইলটি ফেক। তার পরেই আমরা আইপি অ্যাড্রেস খুঁজতে গিয়ে দেখি, সেটি আন্ধেরির শিশোদের বাড়ি। প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে আমরা জানতে পারি, বিশেষ একপ্রকার রাউটার ব্যবহার করেছেন শিশোদে।

যদিও শিশোদের আইনজীবী স্পষ্ট জানিয়েছেন, যেহেতু তাঁর মক্কেল ব্যবহৃত কম্পিউটার এবং ল্যাপটপের ব্যবসা করেন, তাই তাঁর কাছ থেকে কেউ মেশিন কিনে তা থেকেই সেই অ্যাকাউন্ট বানিয়েছে হয়েছে এবং বিতর্কিত মন্তব্য টুইট করেছে। শিশোদেও সেই কথা পুলিশকে জানিয়েছেন। তবে পুলিশ কোনও কথায় কর্ণপাত করতে রাজি নন।

সূত্রঃ এবেলা

ফেসবুক মন্তব্য