নিউজটি পড়া হয়েছে 34

জমকালো আয়োজনে পিয়ংচ্যাংয়ে পর্দা উঠলো শীতকালীন অলিম্পিক গেমসের।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: জমকালো আয়োজনে পিয়ংচ্যাংয়ে পর্দা উঠলো শীতকালীন অলিম্পিক গেমসের। দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন। এ গেমসের মধ্যে দিয়ে অবসান হয়েছে দুই কোরিয়ার মধ্যে চির বৈরি সম্পর্কের। সফলভাবে গেমস আয়োজনের প্রত্যয়ের কথা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রধান থমাস বাখ।

পিয়ংচ্যাং ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে, রাতের আকাশ চিরে জমকালো আতশবাজির ঝলক। পুরো দুনিয়াকে আমন্ত্রন জানিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের। পিয়ংচ্যাং ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে নিজেদের পরিচিত নিয়ে হাজির অংশগ্রহণকারী ৯২ টি দেশের ৯ হাজার ৫২ জন ক্রীড়াবিদ।

যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, সিঙ্গাপুর , মালয়েশিয়াসহ একের পর এক দেশের ক্রীড়াবিদরা আলোকিত স্টেডিয়ামে অংশ নেন মার্চপাস্টে। সব দলের শেষে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত ক্ষন। মঞ্চ আলো করে এক ছাতার নিচে হাজির দুই কোরিয়ার ক্রীড়াবিদরা। সবার পরনে শান্তির প্রতীক সাদা পোষাক। মুখে হাসি। সব দ্বন্দ্ব আর বৈষম্য ভুলে সবাই আমন্ত্রণ রোমাঞ্চ আর উন্মাদনায় মাতিয়ে রাখার।

এই গেমসের মধ্যে দিয়ে দুই কোরিয়ার একসঙ্গে অংশ নেয়ায় শেষ হয়ে চির বৈরি সম্পর্কের। মাত্র একমাস আগে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিলো সফল আয়োজন নিয়ে। কিন্তু সব শঙ্কা ভুলে একসঙ্গে মিলে মিশে আয়োজনের অংশ নিয়েছে দু’দেশ।

মার্চপাস্ট শেষে সফলভাবে গেমস আয়োজনের প্রত্যয়ের কথা জানান আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রধান থমাস বাখ।

আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই প্রায় ৩৫ হাজার দর্শকদের সামনে বিভিন্ন দেশের শীল্পীদের সঙ্গে গান পরিবেশন করেন দুই কোরিয়ার শিল্পীরা। নাচে, গানে মাতিয়ে রাখা হয় দর্শকদের।

এরপরই গেমসের মশাল প্রজ্জ্বলন করেন ২০১০ সালে দক্ষিণ কোরিয়াকে ফিগার স্কেটিংয়ে স্বর্ন উপহার দেয়া ইউনা কিম। সবশেষে জমকালো আতশবাজি আর আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে নানা প্রদর্শনী মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে পুরো দুনিয়ার ক্রীড়া প্রেমীদের।

সুত্র: সময় টিভি

ফেসবুক মন্তব্য