নিউজটি পড়া হয়েছে 65

মালদ্বীপে জরুরি অবস্থা জারি।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: মালদ্বীপে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন। আগামী ১৫ দিন এ জরুরি অবস্থা থাকবে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে আজিমা শুকুর এই ঘোষণা দেন।
এর আগে মালদ্বীপে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ ও সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ ইয়ামিন। তবে সর্বোচ্চ আদালতের বিরোধী নেতাদের মুক্তির রায় মেনে নিতে আবারও অস্বীকৃতি জানান তিনি।

এদিকে, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে অভিশংসন কিংবা গ্রেফতারের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের যে কোনো উদ্যোগ প্রতিহত করতে, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে সরকার। বিরোধী দলের ৯ নেতাকে মুক্তি দিতে সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে পুরো মালদ্বীপ। রোববার রাতেও বিরোধী দল এমডিপি ও ক্ষমতাসীন পিপিএম সমর্থকরা রায়ের পক্ষে-বিপক্ষে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ করে।

টানা ৩ দিনের বিক্ষোভের ধারাবাহিকতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনে আগাম নির্বাচন দেয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লা ইয়ামিন। এক দলীয় সভায় যোগ দিয়ে নভেম্বরে মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েক মাস আগেই নির্বাচন দেয়ার বিষয়ে আলোচনায় রাজি থাকার কথা জানান তিনি।

আব্দুল্লা ইয়ামিন বলেন, ‘আমি ভাবতে পারিনি আদালত এমন পক্ষপাতদুষ্ট একটা রায় দেবেন। কেউ কেউ এর পক্ষে অবস্থান নিলেও বেশিরভাগ মানুষ এই রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাই আমরা এই মুহূর্তে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে পারছি না। এ অবস্থায় দেশ ও জনগণ স্বার্থে আমি আগাম নির্বাচন দিতে প্রস্তুত।

সম্প্রতি আদালতের রায় মেনে নিতে সরকার অস্বীকৃতি জানালে সঙ্কট ঘনীভূত হয়। রায়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ খারিজ ও তার পুনর্বিচারের নির্দেশ দেয়া হয়। সেইসঙ্গে গ্রেফতার থাকা ৯ সংসদ সদস্যকে মুক্তির পাশাপাশি বিরোধী দলের ১২ আইনপ্রণেতাকে স্বপদে বহালের নির্দেশ দেয়া হয়। এতে করে ৮৫ সদস্য বিশিষ্ট পার্লামেন্টে সংখ্যা গরিষ্ঠতা পায় বিরোধী দল মালদিভিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি এমডিপি। এ অবস্থায় বর্তমান প্রেসিডেন্টের অভিশংসনের আশঙ্কায় সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে রোববার পার্লামেন্ট বন্ধ করে দেয় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। আটক করা হয় কয়েকজন বিরোধী আইনপ্রণেতাকে।

সুত্র: সময় টিভি

ফেসবুক মন্তব্য