নিউজটি পড়া হয়েছে 891

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-এর আসন্ন সম্মেলন ও কিছু কথা।

ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদে কর্মী হিসেবে আমি মনে করি, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর সম্মেলন করা আত্বঘাতী সিদ্ধান্ত। কারণ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয় অনেকটা নির্ভর করবে ছাত্রলীগের সফলতার ওপর। আর নির্বাচনের আগে এই কয়েকটা মাস নির্বাচনের জন্য ছাত্রলীগের হোমওয়ার্কের সময়। এই সময়টাই যদি ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্ব তাদের দায়িত্ব গোছাতে ব্যায় করে, তাহলে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ওপর অনেকটা বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে। ফলস্বরুপ ফলাফল আশানুরূপ নাও হতে পারে। আর ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের কথা যদি বলেন, তাহলে মেয়াদপূর্ণ হওয়ার সাথে সাথে কেন গঠনতন্ত্রের কথা মনে পড়ল না। তখন কেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা কে অবহিত করলেন না ছাত্রলীগের সম্মেলনের প্রয়োজনীয়তার কথা। শুধুই কি ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রই চোখে পড়ে, আওয়ামী লীগের আর কোনো অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন নেই এবং তাদের কি কোনো গঠনতন্ত্র কিংবা সংবিধান নেই। নাকি স্বার্থের ওপর আঘাত পড়েছে আর সেজন্যই নতুন মেরুকরণের চেষ্টা করছেন। সামনে নির্বাচন এটি আওয়ামীলীগ ও বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্য দেশে এবং দেশের বাহিরে বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এখন কেন তড়িঘড়ি করে গঠনতন্ত্রের দোহাই দিয়ে সম্মেলনের কথা বলে এক্যবদ্ধ ছাত্রলীগের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করছেন। যারা বঙ্গবন্ধু কন্যা কে গঠনতন্ত্র ও সংবিধানের দোহাই দিয়ে সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তারা আসলে বঙ্গবন্ধু কন্যা ও আওয়ামী লীগের কখনই ভাল চান না। দলে ভেতরেও বাহিরে, দেশের ভিতরে ও বাহিরে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, গভীর ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্রকারীরা চাচ্ছে দলের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পরাজয় নিশ্চিত করা ও স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিকে আবারও ক্ষমতায় বসানো। আমাদের ভুলে গেলে চলবেনা মুস্তাকও কিন্তু এই আওয়ামী লীগেরই লোক ছিল। প্রাণপ্রিয় মমতাময়ী নেত্রীর চারপাশে ছদ্মবেশে ঘুরঘুর করছে হায়েনার দল। আবারও বলতে চাই এই কঠিন সময়ে ছাত্রলীগের সম্মেলনের চিন্তা না করে নির্বাচনে কিভাবে আওয়ামী লীগকে জয়ী করে জননেত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু’র স্বপ্নের ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করা। পরিশেষে এইটুকু বলে শেষ করতে চাই, ‘একমাত্র শেখ হাসিনা ছাড়া সবাইকে কেনা যায়।

লেখকঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
সিলেট মহানগর ছাত্রলীগ।
১১ জানুয়ারি ২০১৮

ফেসবুক মন্তব্য
xxx