নিউজটি পড়া হয়েছে 22

নির্বাচনী হাওয়া এবার বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকমঃঃ রংপুর সিটি নির্বাচনের পর এবার নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে। আগামী বছরের জুনে শেষ হচ্ছে বর্তমান মেয়রের মেয়াদ। এরই মধ্যে ছোট দলগুলো মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। বড় দলগুলোর মধ্য আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হিসেবে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ অনেকটাই নিশ্চিত তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। এদিকে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের পর জানা যাবে বিএনপির প্রার্থীর নাম। 

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে আগেভাগেই মাঠে নেমেছে ছোট দলগুলো। কমিউনিস্ট পার্টি ও বাসদ তাদের মেয়র প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট এ কে আযাদ এবং ডাক্তার মণীষা চক্রবর্তীর নাম ঘোষণা করেছে। মাঠ গোছাতে প্রচারেও নেমেছেন তারা।

কমিউনিস্ট পার্টির বরিশাল সিটির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে আযাদ বলেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে নানাবিধ সমস্যা রয়েছে পূর্বে অনেকে লম্বা লম্বা প্রতিশ্রুতি দেয় এই করব ঐ করব কিস্ত পরে তা রাখেনি। নগরবাসী যদি নির্বাচিত করে তাহলে আমি এই সমস্যাগুলোর সমাধান করব।

বাসদদের বরিশাল সিটির মেয়র প্রার্থী ডা. মণীষা চক্রবর্তী বলেন, ইতিমধ্যে ওয়ার্ডগুলোতে আমরা যেমন কাজ শুরু করেছি আমরা আমাদের তাওবিল সংগ্রহের ক্ষেত্রেও একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি। অনেক গরিব মেহনতি মানুষেরা তাদের পকেটের টাকা জমিয়ে আমাদের নির্বাচন করানোর অঙ্গিকার ব্যক্ত করেছেন।

এবার আগেভাগেই একক প্রার্থী নিয়ে এগুচ্ছে আওয়ামী লীগ। মনোনয়নের দৌড়ে এগিয়ে আছেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর বড় ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী নাইমুল ইসলাম বলেন, সাদিক আব্দুল্লাহ নাম আমরা করেছি। নামটি শেখ হাসিনার কাছে তৃণমুল পর্যায় থেকে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও আমরা আমাদের দলকে আরও সুসংগঠিত করছি। আমাদের দলের দূর্বল দিক গুলো চিহিত করছি।

বর্তমান সিটি মেয়র বিএনপির হলেও তৃণমূলের আন্দোলনে সক্রিয়দেরই প্রার্থী হিসেবে চায় মহানগর বিএনপি। তবে এ বিষয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে জানালেন স্থানীয় নেতারা।

বরিশাল মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে অনেকেই আগ্রহ দেখাতে পারে। কিন্তু এ ব্যাপারে হাই কমান্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে আমার মতে মহানগরের ভোট, মহানগরের ভোটার, নির্বাচন হবে মহানগরে তাই মহানগরের প্রার্থী হলে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত। 

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সর্বশেষ ভোট হয় ২০১৩ সালের ১৫ জুন। আগামী নির্বাচন হতে পারে ২০১৮ সালের এপ্রিলে।

সুত্রঃ ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি 

ফেসবুক মন্তব্য
Share Button
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •