নিউজটি পড়া হয়েছে 284

বাংলাদেশ তাঁতীলীগের সভাপতির অজানা কথা : শাহনাজ প্রধান

বাংলাদেশ তাঁতীলীগের সভাপতির অজানা কথা : শাহনাজ প্রধান
কিছু দিন অাগে “তাঁতীলীগ ঢাকা মহানগর উত্তর”নামক ফেইজবুক অাইডিতে বাংলাদেশ তাঁতীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত সভাপতি জনাব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শওকত অালী সাহেবকে নিয়ে একটি পোস্ট করেন,ঘটনা চক্রে অামি সেই পোস্টে একটি কমেন্ট করি,যা দেশ ব্যাপী প্রচুর জনপ্রিয়তা লাভ করেছে!!একটি কমেন্ট এত জনপ্রিয় হতে পারে যা ভেবে অামি অবাক হয়েছি!!তখন অনেকেই অামাকে অনুরোধ করেছেন জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেব সম্পর্কে বিস্তারিত লিখার,যারা উনাকে চিনেন,জানেন তাঁরা অামার বিরুদ্ধে কমপ্লিন করেছেন যে,অামি তাদের প্রিয় নেতার অনেক কিছু লিখিনি বলে।অার যারা উনার সমপর্কে জানেন না তাঁরা জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেব সম্পর্কে অারো জানতে চায়,অামি কথাও দিয়েছিলাম বিস্তারিত লিখব,ঠিক তখন থেকেই হৃদয়ে তাগিদ অনুভব করেছি জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেব সম্পর্কে অারো একটু বিস্তারিত অাপনাদেরকে জানানোর,এই মর্মে একটু সাংবাদিক সাংবাদিক ভাব নিয়ে জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেবকে প্রশ্ন করলাম,,,
অাচ্ছা অাপনি ১৯৮৮ সালে অালগী,গদাইচর রোডের খালের উপর ব্যক্তিগত উদ্যােগে ব্রীজ তৈরী করেছিলেন,সেখানে সরকারী ফান্ড বা অাপনার ফান্ড বা অন্য কারো ফান্ডের বিষয়ে প্লীজ একটু শুনতে ইচ্ছে করছে!
অামি জানি এর কাহিনী,তবু প্রশ্ন করলাম ক্লীয়ার হতে। তখন অামায় খুব সংক্ষিপ্ত ভাবে উনি বললেন,”সরকারী ফান্ড ছিল না,মানুষের যাতায়াতের কষ্ট দেখে অামি ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিয়ে ব্রীজটি করতে চাইলে ঐ সময়ে অামার খুব কাছের বন্ধু নারায়ণগঞ্জের এমদাদ ভাই ব্রীজের ফান্ডটি দেন”।
তখন অামি মনটা খুব খারাপ করে প্রশ্ন করলাম,  অাপনি কি ১ লাখ টাকাও দেননি?উনি বলল,,না দেই নি,তবে এমদাদ ভাই না দিলে তো অন্য কারো থেকে কিছু ফান্ড নিয়ে এবং নিজে ফান্ড দিয়ে হলেও ব্রীজ করতাম! তখন মনটা খারাপ করে বললাম,ধাৎ অামার ভাল লাগছে না,অাপনার ফান্ড থাকলে তো বলতে পারতাম যে,অামার অাব্বা ও টাকা দিছে!অাব্বা বলে,তোর অাব্বাইতো এটার উদ্যােগ নিল, টাকাতো দরকার লাগলে দিতামই,তোকে খুশী করার জন্য মিথ্যা করে বলতে পারব না যে এখানে অামার টাকা ও ছিল!””
উনি মাত্র ৩২/৩৩ বছর বয়সে নরসিংদী জেলার মুকুট মাধবদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এবং টানা তিন বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।বাবুর হাট হল বাংলাদেশের ১ নং বিখ্যাত কাপড়ের হাট।মাধবদী এবং শেখেরচর মিলেই বাবুর হাট তৈরী হয়।মাধবদীকে প্রাশ্চ্যের ম্যানচেষ্টা বলা হয়।
উনি কখন কোন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তা নিম্নে সংক্ষিপ্ত ভাবে দেওয়া হল।
স্হানীয় সরকার পদেঃ
জনাব ইঞ্জিনিয়ার মোঃশওকত অালী সাহেবের হাত ধরেই মাধবদী পৌরসভা হয় এবং নব গঠিত পৌরসভার উনিই প্রশাসক নিযুক্ত হন,উনাকে বলা হয় মাধবদীর পৌরপিতা।তিনি তিনবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং প্রশাসক হন অর্থাৎ মাধবদীর ক্ষমতার টানা ৪ টার্ম থাকেন!!
জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেব নরসিংদী জেলার ৭০ টি ইউনিয়নের সকল চেয়ারম্যানের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন, অর্থাৎ উনি নরসিংদী জেলার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ছিলেন।
চেয়ারম্যানঃ বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লিমিটেড,১৯৯০ সাল হইতে ৩ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন।
চেয়ারম্যানঃ নরসিংদী ইউ,সি,সি,এ লিমিটেড (বি,অার,ডি,বি) ১৯৮৬ সাল হতে ৩ বৎসরের জন্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। 
জাতীয় নেতৃত্বেঃ
সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল উনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান এর সাক্ষ্মরিত বাংলাদেশ তাঁতীলীগের সম্মানিত সভাপতি ছিলেন।উনার কমিটি ভেঙ্গে ২০০৩ সালে বাংলাদেশ তাঁতীলীগকে সহযোগী সংগঠন করে অাহ্বায়ক কমিটি করা হয়।অার তখন জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেব হন বাংলাদেশ তাঁতীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ১ নং সম্মানিত সদস্য। দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর পর সম্মেলনের মাধ্যমে দেশরত্ন,বিশ্বনেতা যিনি বিশ্বের সৎ নেতাদের মধ্যে ৩য় স্থান লাভ করেন,মাদার অব হিউম্যানিটি,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনাব ইঞ্জিনিয়ার শওকত অালী সাহেবকে পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত করেন।মানে দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাবেক সভাপতিকেই পুনরায় সভাপতির দায়িত্বে নিয়োজিত করেন।অর্থাৎ উনার পর দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অন্য কাউকেই অার সভাপতি করেননি,করেছেন অাহ্বায়ক,অাহ্বায়ক কমিটির পর বিশ্বনেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেবকেই পুনরায় সভাপতি বানিয়ে সম্মানিত করেন।২০০২ এবং ২০০৩ সালের শুরুর দিকে তো তাঁতীলীগ সহযোগী সংগঠন ছিল না,কিন্তু জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেব তখন তাঁতীলীগকে সংগঠিত করতে নিজের পকেটের টাকা দুহাতে উড়িয়েছেন!!
সদস্যঃ বাংলাদেশ কৃষকলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যে ছিলেন।
তিনি ১৯৯০ সালেও বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সারা দেশ ব্যাপী কাজ করেন।
রাজনৈতিক দায়িত্বঃ
সহ সভাপতিঃ নরসিংদী জেলা অাওয়ামীলীগ,১৮/১২/২০০৩ ইং সাল হইতে এখন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
সাবেক সহ সভাপতিঃ বাংলাদেশ অাওয়ামীলীগ, নরসিংদী সদর উপজেলা।
১৯৯৩ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন,,,
এবং তিনি ছাত্র রাজনীতি করে এসেছেন।
উনার রাজনৈতিক গুরুর নামঃ বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর নরসিংদী সদর অাসনের প্রয়াত এমপি জনাব অালহাজ্ব মোঃমোসলেহ উদ্দীন ভূঁইয়া।
উনার গুরু সম্পর্কে উনি বলেন,,”””প্রয়াত এমপি জনাব অালহাজ্ব মোঃ মোসলেহ উদ্দীন ভূঁইয়া ভাই একজন কর্মী বান্ধব নেতা ছিলেন,সকল সময় কর্মীদের খবর রাখতেন,এবং খুবই সৎ মানুষ ছিলেন।তিন অামাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন”””””।
সামাজিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনঃ
প্রেসিডেন্টঃ মানবাধীকার কাউন্সিল,নরসিংদী জেলা।
সভাপতিঃ মাধবদী জামেয়া-ই-এমদাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা, মাধবদী, নরসিংদী।
প্রতিষ্ঠাতা প্রধান উপদেষ্টাঃ মাধবদী প্রেস ক্লাব, মাধবদী, নরসিংদী।
প্রতিষ্ঠাতা প্রধান উপদেষ্টাঃ মাধবদী রিপোর্টার্স ক্লাব, মাধবদী,নরসিংদী।
দাতা সদস্যঃ মাধবদী মহাবিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ।
অাজীবন সদস্যঃ বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি।
এছাড়া অতীতে অারো অনেক অনেক সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেছেন।
ব্যবসায়ী সংগঠনের দায়িত্ব পালনঃ
প্রেসিডেন্টঃ মাধবদী ইয়ার্ণ মার্চেন্ট এসোসিয়েশন, মাধবদী,নরসিংদী।
এবং মাধবদীর মার্চেন্ট এসোসিয়েশনে টানা ৩৩ বছর নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে ব্যবসায়ীদের সেবা করে গেছেন।
এই বার মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের নির্বাচনে তিনি নির্বাচন করেননি,করেছেন অামার এক মাত্র ভাই জনাব অাশরাফুল ইসলাম (বিপ্লব)।তিনিও সম্মান জনক পজিশনে পাশ করে মাধবদী মার্চেন্ট এসোশিয়েশনের ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
 
অান্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকাঃ
জনাব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শওকত অালী সাহেব ছিলেন একজন ট্রেনিং প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।তবে উনি এখনও অাক্ষেপ করেন ঐ সময়ে ইন্ডিয়া গিয়ে ট্রেনিং নিতে পারেননি বলে।তিনি ট্রেনিং নিয়েছিলেন দেশেই।
যুদ্ধের অাগেই জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের বাবা অসুস্হ্য হয়ে মারা গিয়েছিলেন,ছাত্র হলেও উনি বড় সন্তান হওয়ার কারণে সংসারের ভার ছিল জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের উপরই,এতগুলি ছোট ছোট ভাই বোন সহ প্রায় ১০/১২ জন সদস্যের পরিবার,তারপরও তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের খরচের জন্য কয়েকটি গ্রুপের মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সমন্বয় করে মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার জনাব মোঃ মনির সাহেবের কাছে ছয় হাজার টাকা দিয়েছিলেন।জনাব ইঞ্জিনিয়ার মোঃশওকত অালী সাহেব ১৯৬৯ সালের গণ অান্দোলনে সরাসরি অংশ গ্রহণ করেন।
১৯৭০ এর জাতীয় নির্বাচনে অাওয়ামীলীগের জয়ের জন্য অত্যন্ত জোড়ালো ভাবে কাজ করেন।
১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী অান্দোলনে অত্যন্ত সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহণ করেন।
২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জামাত-বিএনপি জোট সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূল নেতা কর্মীদের সাথে নিজ এলাকায় এবং ঢাকার রাজপথে হরতাল, অবরোধ,মিছিল,মিটিং করে গেছেন।
অাওয়ামীলীগের অান্দোলনে সংগ্রামে তিনি নিজে শুধু অগ্রণী ভূমিকাই পালন করেননি,কর্মীদের টাকা পয়সা সহ সকল ধরণের সহযোগীতা করে অাঁকড়ে রেখেছেন।অাওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা সরকারী দলে এবং বিরোধী দলে থাকা অবস্হায় যত সাংগঠনিক সফরে এসেছেন ইঞ্জিনিয়ার সাহেব সম্পূর্ণ নিজ খরচে তাদের অাপ্যায়ন করে গেছেন।
কেন্দ্রীয় নেতাদের সকল সময় অাসা যাওয়া ছিল অামাদের বাড়িতে অার সেটা অাওয়ামীলীগ সরকারী দল এবং বিরোধী দলে থাকা অবস্হায়।কেন্দ্রীয় নেতারা কখনো যাত্রাপথে রেস্ট নিতেও অামাদের বাড়ি এসেছেন এবং জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেব অত্যন্ত ভালবাসায় তাদের অাপ্যায়ণ করে গেছেন,অনেক কেন্দ্রীয় নেতারা একাধিক বার ও এসেছেন।জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেব হলেন অত্যন্ত অতিথি পরায়ণ মানুষ।
এই প্রসঙ্গে একটি ঘটনা অামার মনে পরছে,,একবার অাওয়ামীলীগের কিছু মহিলা নেত্রী রাতের বেলায় মাধবদীর অদূরে গাড়ি দুর্ঘটনায় পতিত হন।তাদের দুর্ঘটনার খবর শুনে অাব্বা যারপর নাই ঘাবড়ে যায়! এবং তাদের সম্মানের সাথে অামাদের বাড়ি অানতে লোক পাঠান।ঐ রাতে নেত্রীরা অামাদের বাড়িতেই ছিলেন।অামাদের বাড়িতে সকল সময়ই নাইট গার্ড থাকে,সেদিন ও ছিল,তারপর ও অাব্বা তাদের নিরাপত্তা জোড়দার করতে তাদের জন্য এক্সট্রা গার্ড নিযুক্ত করেন।সেদিন যারা ছিলেন অামাদের বাড়িতে,তারা হলেন অাওয়ামী মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সম্মানিত সভাপতি সাফিয়া খাতুন ম্যাডম,সম্মানিত এমপি ইন্দিরা ম্যাডম সহ অারো কয়েক জন।
অাওয়ামীলীগ সরকারী দলে এবং বিরোধী দলে থাকা অবস্হায় যে সব কেন্দ্রীয় নেতারা অামাদের বাড়ি এসেছেন তাদের কিছু ছবি এই লেখাটির সাথে পোস্ট করলাম।তবে অান্তরিক ভাবে দুঃখিত এই জন্য যে সকলের ছবি অামি কালেক্ট করতে পারনি।অার কিছু ছবি পুরনো হওয়ার কারণে ও পোস্ট করিনি।
অামার চোখে জনাব ইঞ্জিনিয়ার শওকত অালী সাহেবের প্রধান ভুলঃ
বিএনপির প্রয়াত এমপি জনাব সামসুদ্দীন অাহমেদ এছহাক সাহেবের মৃত্যুর পর নরসিংদী সদর অাসনটি শূণ্য হয়।তখন বিএনপি থেকে নরসিংদী সদর অাসনে মনোনয়ন দেয় ডাকসুর সাবেক জি এস জনাব খায়রুল কবীর খোকন সাহেব কে,যিনি বর্তমানে বিএনপির জয়েন্ট সেক্রেটারী।
ঐ সময় জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেব স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হন।কিন্তু অাওয়ামীলীগ বিএনপির অধীনে সকল প্রকার নির্বাচন বর্জন করেন।তাই অাব্বা স্বতন্ত্র থেকেও প্রার্থী হউক তা অাওয়ামীলীগ চায়নি,সেজন্য তৎকালীন অাওয়ামীলীগের সেক্রেটারী জনাব অাব্দুল জলিল সাহেব সহ প্রায় সকল কেন্দ্রীয় নেতারা এবং নরসিংদী জেলার রায়পুরার এমপি,অাওয়ামীলীগের প্রেসেডিয়াম সদস্যে জনাব রাজ উদ্দীন রাজু সাহেব,জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেবকে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে বলেন।অবশেষে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন তিনি প্রত্যাহার করে নেন।
অামি মন থেকে চাইনি অাব্বা প্রত্যাহার করুক সাথে এই এলাকার সাধারণ মানুষ ও চায়নি উনি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করুক।কারণ এটাই ছিল সুযোগ এই এলাকার মানুষের অাশা পুরণের।এই দক্ষিণাঞ্চল থেকে কখনো কেউ এমপি হননি!অামি ছোট থেকেই দেখেছি এই দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ চায় অাব্বা এমপি হউক।বৃদ্ধ মানুষদের বলতে শুনেছি,যদি মরার অাগে শওকত অালীরে এমপির জন্য একটা ভোট দিয়ে মরতে পারতাম!
কোতালী চরের বুরজু কাকা ছোট থেকে দেখেছি অাব্বার খুব ভক্ত!অাব্বার সাথে ছায়ার মতো লেগে থাকত।উনার ভাই মানে অাব্বা এমপি হবে তাই প্রার্থী হওয়ার পেপার্স সাবমিটের দিন খুব খুশীতে উনি অাব্বার সাথে গিয়েছিলেন।যেদিন অাব্বা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলেন সেদিন উনার ওয়াইফকে খুবই মন খারাপ করে উনি বললেন,””ভাই নাকি ইলেকশন করত না,ইলেকশনের কাগজ উডাইয়া লাইছে,ভাই নির্বাচন করলে হাসিনা অাপায় রাগ করবো তাই ভাই বইয়া গেল!””
এরপর তেমন কোন কথাই নাকি অার বলেননি।সেদিনই উনি হার্ট এ্যাটাকে মারা গেলেন!অামি খুব কেঁদেছিলাম কারণ অামার কেন যেন মনে হয়েছিল অাব্বাকে এমপি হিসাবে দেখতে পাবেন না এটা উনি মানতে পারেননি, তাই হয়ত হার্ট এ্যাটাক করেছেন,এ কথাটা লিখার সময় এখনও অামার চোখে পানি চলে অাসছে।অাসলে ঐ সময়ে উপনির্বাচন না করাটা অামার চোখে ভুল হলেও অাব্বা মনে করেন তিনি সঠিক কাজ করেছেন কারণ তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অবাধ্য হননি।
ছোট বেলা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন ইউনিয়ন গুলোতে অামরা বেড়াতে গেল দেখেছি যে,অাব্বার সন্তান হওয়ার কারণে অামাদের দেখতে শত শত লোকের ভীড় জমে যেত।এবং ইঞ্জিনিয়ার সাহেব সকল সময় নরসিংদী জেলায় জনপ্রিয় এবং স্বনামধন্য ব্যক্তি।এবং ছোট সময় থেকেই দেখেছি যে,উনি শুধু নরসিংদী জেলায় নয়,নরসিংদী জেলার অাশেপাশের জেলাগুলোতেও খুব জনপ্রিয়।
ইঞ্জিনিয়ার সাহেব টানা চার বার এমপি প্রার্থীতার জন্য নমিনেশন চেয়েছেন,প্রতিবারই জনপ্রিয়তায় তিনিই ছিলেন শীর্ষে।লাস্ট চেয়েছিলেন ২০০৮ সালে।তখন দলীয় মনোনয়নে তৃণমূল পর্যায়ে ৫ জনের তালিকায় ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের নাম ২য় ছিল,২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নমিনেশন চাননি।কেন চাননি প্রশ্ন করায় বললেন,কাউকে নাকি কথা দিয়েছেন উনি নমিনেশন চাইবেন না,তাই চাননি!অামি অাবার একটু মন খারাপ করে বললাম,অাপনার কি কথা রাখা শেষ হয়েছে?নাকি অাজীবনের জন্য কথা দিছেন যে,অার নমিনেশন চাইবেন না?এটা বলাতে ধমক দিয়ে বললেন!এই মেয়ে ইলেকশন করা বড় নাকি দলের জন্য দেশের জন্য কাজ করাটা বড়?অামি বললাম,,অামাদের হৃদয়ের চাওয়া হল অাপনি নমিনেশন চান এবং এমপি ইলেকশন করেন,,অার অাপনি যদি অাপনার সন্তানদের মনের ইচ্ছা ভাঙ্গেন তবে ভাঙ্গেন। উনি বললেন,উনি দলের জন্য দেশের জন্য কাজ করতে চান,উনি নির্বাচন নিয়ে ভাবতে রাজী না,অারো বললেন,,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অাপার ইচ্ছার বাহিরে অামার কোন ইচ্ছা নাই'”।
নরসিংদী উত্তরাঞ্চল এবং দক্ষিণাঞ্চল নিয়ে নরসিংদী সদর অাসন।দক্ষিণাঞ্চলে মানে জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের এলাকায়ই ভোট সবচেয়ে বেশী অার স্বাধীনতার পর থেকে এই দক্ষিণাঞ্চলের সব চেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিটি হলেন জনাব ইনঞ্জিনিয়ার মোঃ শওকত অালী সাহেব।এখানকার মানুষ ভালবেসে উনাকে সিংহ পুরুষ বলেন।
 ইঞ্জিনিয়ার সাহেব বলতে গেলে বহু বছর ধরে এই দক্ষিণাঞ্চলের একক নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন।
জনাব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শওকত অালী উনার জীবনে কোন দিন এক টাকা ঘুষ ও খাননি,অার এ কথা উনি জনসভায় দাঁড়িয়ে চ্যালেঞ্জ করে বলেন।এমনকি উনি কারো জন্য কোন কাজ করে দেওয়ার পর ঐ লোক যদি খুশী হয়ে এক প্যাকেট মিষ্টিও অানেন তখন উনি অত্যন্ত রুড হয়ে যান।এতে করে দেখা যায় উনার উপকার পেয়েও লোকটি পরবর্তীতে উনার শত্রু হয়ে গেছে!অামরা অাব্বাকে বলি যে,অাপনাকে কেউ টাকা বা দামী জিনিস তো দিচ্ছে না,খুশী হয়ে কেউ মিষ্টি দিলেও এমন করতে হয়?!অাব্বার কথা হল!কাজ করার অাগে বা পরে কেউ খাবার দিলে নিবে না,অন্য সময় ভালবেসে কেউ কিছু খাওয়ালে খাবে।তিনি অত্যন্ত ধর্মভীরু মানুষ,অাল্লাহর রহমতে কখনো অন্যায়কে পশ্রয় দেননি এবং ছয় বার হজ্ব করেছেন,হজ্ব করার অারো ইচ্ছা নাকি অাছে।
তিনি সকল সময় মিডিয়া বিমুখ মানুষ।সাংবাদিক ভাইরা ম্যাসেজে অামাকে বলেন,,অাপা অাপনার বাবা অামাদের সাথে বসতে চান না!খালি বলেন,পরে পরে। অাসলে এটা উনার অাজীবনের অভ্যাস!!অামি সেটা অাগেও বলেছি যে,উনি কাজ করেন ঠিকই কিন্তু নামের পিছনে ছুটেন না। মাধবদীর ক্ষমতায় সবচেয়ে বেশী সময় তিনিই ছিলেন এবং এলাকার উন্নয়নের সিংহ ভাগই উনিই করে গেছেন।কিন্তু একটা রাস্তার নামও নিজের নামে করেননি।
নিজ উদ্যোগে কত কত রাস্তা ঘাটের মেরামতের কাজ করেছেন,দুস্হ্য ছাত্রছাত্রীদের জন্য শওকত অালী ফাউন্ডেশন থেকে বিনা মূল্য বই,খাতা,কলম দিয়েছেন। কত কত স্কুলে মেধাবীদের জন্য বৃত্তি প্রদান করেছেন,এতিম খানায় এতিমদের খরচ দিয়ে যাচ্ছেন,এলাকার মাদকাসক্ত যুবকদের নিজ খরচে চিকিৎসা করিয়েছেন। মসজিদ,মাদ্রাসায় রেগুলার অনুদান দিয়েই গেছেন ও যাচ্ছেন।অামাদের গ্রামের ঈদগাহ্ ছোট হওয়ার কারণে ঈদের নামাজ পড়তে কতই না সমস্যা হত,এ সমস্যা লাঘবে জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেব ১৫ শতাংশ জায়গা দিয়েছেন,বলাবাহুল্য এই ঈদগাহ্টি মাধবদী পৌরসভার ব্যবসায়িক এলাকায় অবস্হিত।
মাধবদী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ প্রতিষ্ঠার ঘটনাঃ
জনাব ইঞ্জিনিয়ার শওকত অালী সাহেবের নেতৃত্বেই মাধবদী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজটি প্রতিষ্ঠা হয়।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশকে নতুন ভাবে গড়ার জন্য মাধবদীর দেশ প্রেমিক তরুণরা ও উদ্যােগী হন। সে লক্ষ্যে ইঞ্জিনিয়ার সাহেব মাধবদীতে প্রথম একটি সংগঠন করেন।সেটির নাম ছিল সেবা সংঘ,এবং এটি অল্প সময়ে খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করে।সেবা সংঘের সভাপতি ছিলেন জনাব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শওকত অালী সাহেব।
এই সেবা সংঘের উদ্যােগেই মাধবদীর প্রথম কলেজটি তৈরী হয়।
হঠাৎ করেই জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেব কলেজের ব্যাপারে সেবা সংঘের তরুণদের সাথে অালোচনা করেই তখনকার এমপি জনাব অালহাজ্ব মোঃমোসলহ উদ্দীন ভূঁইয়া সাহেবের সহযোগীতা কামনা করেন।জনাব অালহাজ্ব মোঃমোসলেহ উদ্দীন ভূঁইয়া সাহেব তাদের অাশ্বস্ত করার পর জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেবেরা তরিঘড়ি করে কয়েকজন ছাত্র জোগাড় করে,একটি চেয়ার ও একটি টেবিল রেখে হঠাৎ করেই জনাব জয়নাল প্রিন্সিপাল স্যারকে বাড়ি থেকে নিয়ে এসে চেয়ার টেবিলে বসিয়ে বলেন,,অাপনি হলেন অামাদের স্যার,অার এটা হল কলেজ!
এভাবেই হয় কলেজটির প্রতিষ্ঠা।অার প্রয়াত এমপি জনাব অালহাজ্ব মোঃমোসলেহ উদ্দীন ভূঁইয়া সাহেব হয়েছিলেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।কলেজটি প্রতিষ্ঠায় ঐ সময়ে অারো যে সব যুবকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তৈরী হয় তাদের মধ্যে সর্বাগ্রে যার নাম তিনি হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা,জনাব মোঃ সফিউদ্দীন (সাফি),তিনি মাধবদীর চেয়ারম্যান এবং মেয়রও নির্বাচিত হয়েছিলেন।তারপর বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃতঃ জনাব মোঃ অাতাউল্লা (তিনি ও কয়েক বার মেম্বার হয়েছিলেন)। বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃতঃ জনাব মোঃ মোসলেম উদ্দীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোঃ সিরাজ উদ্দীন (বাড়ি নওপাড়া), বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃতঃ মোঃ অাবু সাঈদ মিয়া (চৌড়া বাড়ি), বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত জনাব অাহমেদ(বাড়ি মনোহরপুর), বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃতঃ জনাব মোঃ মোখলেস উদ্দীন।
সহযোগীতায় অারো অাছেন, মৃতঃ জনাব অালহাজ্ব লোকমান হোসেন প্রধান সাহেব এবং জনাব অালহাজ্ব সফর অালাী ভূঁইয়া সাহেব।উনারা দুজন বড় ভাই হিসেবে উৎসাহ দিয়ে গিয়েছেন।
পরবর্তীতে জনাব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শওকত অালী সাহেবের নেতৃত্বে মাধবদী কলেজটি ডিগ্রী কলেজ পরিণত হয়।অার এ বিষয়ে সব চেয়ে বেশী যিনি সহযোগীতা করেছেন তিনি হলেন তৎকালীন ডিসি জনাব রেজা ই রাব্বী সাহেব।জনাব জয়নাল প্রিন্সিপাল স্যার কলেজটিকে ডিগ্রী কলেজ করতে সম্মতি দেননি,অার এ বিষয়টি মিমাংসা হয় ডিসি সাহেবের হস্তক্ষেপে।পরবর্তীতে মাধবদী কলেজ পাঠাগারটির নামকরণ করা হয়েছিল,,,রেজা ই রাব্বী পাঠাগার নামে। এখন মাধবদী মহাবিদ্যালয় কলেজটি মাধবদী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রুপান্তরিত হয়েছে এবং লেখা পড়ার মান অারো বেড়েছে। কলেজটির বর্তমান সভাপতি হলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব নজরুল ইসলাম হিরু এমপি (বীর প্রতীক)সাহেব।
অামরা ৫ বোন ১ ভাই।ভাই বোন সকলেই ম্যারিড এবং অাল্লাহর রহমতে সকলেরই সন্তান অাছে।
মোঃ অাশরাফুল ইসলাম বিপ্লবঃ 
ব্যবসায়ী এবং মাধবদী মার্চেন্ট এসোসিয়েশন এর ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক।
শাহনাজ প্রধানঃ
মাস্টার্সঃ রাজনীতি বিজ্ঞান (বাংলাদেশ),
মাস্টার্সঃম্যানেজমেন্ট (ইংল্যান্ড),
মার্কেটিং এ এম বি এঃ(কার্ডিফ মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি,কার্ডিফ,ওয়েলস)।
সানজিদা ফেরদৌস শান্তুঃ
মাস্টার্সঃ(বাংলাদেশ),
এম বি এঃ গ্রীনিউইচ ইউনিভার্সিটি(ইংল্যান্ড),
বৃটিশ সিটিজেন।
উম্মে সালমা মুঞ্জুঃ
গ্রেজুয়েশনঃব্যবসায় (বাংলাদেশ),
ব্যবসায় ডিপ্লোমা কোর্স (ইটালী),
তার অাছে পুরা ইউরোপে গাড়ি চালানোর ড্রাইভিং লাইসেন্স।
ইটালিয়ান সিটিজেন।
বর্তমানে বৃটিশ নাগরিক সুবিধায় যুক্তরাজ্য অাছে।এবং বৃটিশ সিটিজেন হওয়ার পথে।
ফারজানা তাবাসসুম শাম্মীঃ
 ডিগ্রী অধ্যয়নরত।(সে ও ইংল্যান্ডে থাকত,বর্তমানে দেশে)।
হাসিনা নওরিন অাশাঃ
ডিগ্রী অধ্যয়ন রত।
অামি লেখালেখি করি,তবে লেখালেখিতে খুবই অলস অামি,অামি খুব ভাল লেখক না হলেও যখন লিখতে বসি তখন শুধু লিখতেই থাকি,অামার ভাবতে হয় না। অামার প্রকাশিত বই এর নাম “হলুদ নদী গাঙ চিল”।
এবার একুশে বই মেলায় অামার নতুন বই ইনশাল্লাহ অাসবে।জীবন বলতে অামি বুঝি পরের জন্য যা করা তা ই জীবন, এমনিতে যে সময়টা যায় তার নাম অকেজো জীবন।
ব্যক্তিগত জীবনের ধারণা অামি বুঝি না।
অামি যুক্তরাজ্য ছিলাম,তিন বছর অাগে দেশে এসেছি,যদি না অাসতাম তবে এ বছর অামি বৃটিশ সিটিজেন হতাম।
অাপনারা জেনে অত্যন্ত খুশী হবেন যে,জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের বাবা হাজ্বী মোঃ অাশ্রব অালী প্রধান ছিলেন একজন অবস্হা সম্পন্ন তাঁতী,সাথে ছিল ফসলী জমি এবং গ্রামের মোড়ল।জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেব ছোট বেলায় পড়া ফাঁকি দিলে শাস্তি হিসেবে জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের বাবা জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেবকে তাঁতে বসাতেন। উনি তখন এতই ছোট হয়ে তাঁতে বসেছেন যে,তাঁত চালাতে উনি উপরে হাত দিয়ে নাগাল পেতেন না,তাই বসার জায়গায় বালিশ দিয়ে বসতেন,এবং তিনি একজন শ্রমিকের চেয়েও দক্ষতার সাথে তাঁত বুনতে পারতেন! মানে উনি হলেন তাঁতীর ঘরের তাঁতী!
ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের ও কাপড়ের ইন্ডাস্ট্রিজ ছিল, এবং অলওয়েজ উনারা কাপড় ব্যবসার সাথে জড়িত।বংশ পরমপরায় উনাদের বংশ পদবী প্রধান,সাথে শেখ ও, যা কেউ লিখে না।জনাব ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের পূর্ব পুরুষ শত শত বছর অাগে ইসলাম ধর্ম প্রচার এর জন্য ইরাক থেকে এদেশে এসেছিলেন। 
ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের বাবার নাম হাজ্বী মোঃ অাশ্রব অালী প্রধান,উনার দাদার মোঃ ছাহাদ অালী প্রধান, উনার বড় বাবার নাম শেখ ধঞ্জি প্রধান(গ্রাম পঞ্চায়েতের বিচারক ছিলেন),শেখ ধঞ্জি প্রধানের বাবার নাম শেখ স্যারে মাহমুদ,শেখ স্যারে মাহমুূূদের বাবার নাম সম্ভবত (শেখ স্যারে মাসুদ,এই নামটির ব্যাপারে অামি পুরা সিওর না)।উনারা সাত পুরুষ ধরে বংশ মোড়ল।উনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ৫ম স্ট্যান্ড করেছেন। অল্প সময়ের জন্য সরকারী চাকরীও করেছেন,ঘুষ এর অফার অাসে বলে চাকরী ছেড়ে দিয়েছিলেন,উনার জীবনে কোন দিন ইনশাল্লাহ্ একটাকাও ঘুষ খাননি, উনি সেটা জনসভায় দাঁড়িয়ে অলওয়েজ বলেন এবং চ্যালেঞ্জ করেন।উনার হাতেই মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানার প্রথম গেইটটি তৈরী করা হয়েছে। 
এত কথা এজন্য বললাম যে, উনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থেকে বাংলাদেশ তাঁতীলীগের সভাপতি হননি,চেয়ারম্যান পদ টি হল উনার খুব কম বয়সের একটা পদ!বাংলাদেশ তাঁতী লীগের সভাপতিই পুনরায় বাংলাদেশ তাঁতীলীগের সভাপতি হয়েছেন।
ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের দানের হাত অতুলনীয় যা সকলে জানেন,নিজে কষ্ট করে হলেও মানুষকে দেন।কোন অসহায় মানুষ এলে যদি বলা হয় অাব্বা বাড়ি নেই,তবে অামরা শেষ!অাব্বা বলেন,এই অসহায় মানুষ অাব্বার মেহমান।অামার জানা মতে অাব্বা প্রায় ৬০ টি পরিবার দেখা শোনা করছেন রেগুলার।পকেটে টাকা থাকা অবস্হায় কাউকে মাফ করেন কথাটা উনি কখনো বলেননি। 
অাব্বা কখনোই বিলাসী জীবন যাপন করেননি,যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই করেন।
ফেসবুক মন্তব্য
Share Button
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •