নিউজটি পড়া হয়েছে 540

সিলেটে আজ থেকে কালো ব্যাজ ধারন।

সিলনিউজ২৪.কমঃ স্বাস্থ্য বিভাগে বার হাজারের অধিক কর্মচারী ছাটাই আতংকে স্বাস্থ্য বিভাগে প্রস্তাবিত নিয়োগ বিধিকে কেন্দ্র করে নন-মেডিকেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ছাটাই আতংক শুরু হয়েছে এবং সৃষ্টি হয়েছে ক্ষোভ প্রস্তাবিত ‘স্বাস্থ্য বিভাগীয় নন-মেডিকেল কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা ২০১৭’ বাতিলের দাবীতে সিলেটসহ দেশের সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বাংলাদেশ স্বাস্থ্য বিভাগীয় অফিস সহকারী কল্যাণ সমিতির আওতাভুক্ত কর্মচারীরা আজ থেকে কালো ব্যাজ ধারন করবেন।

সমিতির সূত্রে জানা যায়, প্রস্তাবিত ‘স্বাস্থ্য বিভাগীয় নন-মেডিকেল কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা ২০১৭’ প্রণয়ন করে চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাবলিক সার্ভিস কমিশনে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। নতুন নিয়োগবিধি কার্যকর হলে চতুর্থ শ্রেণীর রাজস্ব খাত ভূক্ত প্রায় দশ হাজার এবং তৃতীয় শ্রেণীর দুই হাজারের বেশীসহ প্রায় বার হাজারেরও বেশী রাজস্ব খাতের পদ বিলুপ্তি ঘটার আশংকা রয়েছে। ফলে দেশের বার হাজারের অধিক পরিবার চাকুরী হারানোর ভয়ে আতংকগ্রস্থ। তৃণমূল পর্যায়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালসমূহের পদসমূহ বিলুপ্তির আওতায় পড়বে।

বর্তমান নিয়োগবিধি, অর্গানোগ্রাম ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটেও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক অফিসার (গ্রেড-১০), প্রধান সহকারী (গ্রেড-১৩), প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক পদ থাকলেও প্রস্তাবিত নিয়োগবিধিতে উল্লেখিত পদসমূহের উল্লেখ করা হয়নি এবং চতুর্থ শ্রেণীর অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী, মালী, বাবুর্চি, সহকারী বাবুর্চি, ধুপি, আয়া, বোতল ওয়াসার, ওয়ার্ড বয়, ডিসপেন্সারি বয়, লাইব্রেরি অ্যাটেনডেন্ট, নিরাপত্তা প্রহরী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, ডোম ইত্যাদিসহ মোট নয় হাজার নয়শত আটানব্বইটি পদ বিলুপ্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যমান কাঠামোতে অফিস সহকারীর ১৯২৫ টি পদ থাকলেও নতুন বিধিতে ৯৯৩টি পদ উল্লেখ করা হয়েছে। একইভাবে প্রস্তাবিত নিয়োগবিধিতে কর্মচারীর সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেয়ায় নতুন করে কোন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান চালু করা হলে সেখানেও নতুন কর্মচারী নিয়োগ করা সম্ভব হবেনা। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি  হয়েছে। নতুন নিয়োগবিধি অনুমোদনের পর কার্যকর হলে নিয়োগ বিধিতে পদের উল্লেখ না থাকায় এবং পদ সংখ্যা কম থাকায় হিসাব রক্ষণ কার্যালয় কর্মচারীদের বেতন-ভাতার বিল পাশ করবে না, ফলে তাদের বেতনভাতা প্রদানে সংকটের সৃষ্টি হবে। একইভাবে নিয়োগবিধিতে বর্তমান কাঠামোর চেয়ে কর্মচারীর সংখ্যা কম থাকায় উদ্বৃত্ত কর্মচারীদেরকে ছাটাই করার আশংকা রয়েছে।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx