অরক্ষিত রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: ডিসেম্বর এলেই সামনে আসে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের প্রসঙ্গ। শুরু হয় ঘষামাজা, ধোয়ামোছার কাজ। অথচ সারা বছরই সৌধ প্রাঙ্গণ থাকছে মাদকসেবীদের দখলে। চত্বরজুড়ে হয়েছে রাজনৈতিক দলের কার্যালয় গাড়ির গ্যারেজ। এদিকে আগামী বছর থেকে সার্বক্ষণিক নজদারির কথা জানাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অবদান স্মরণীয় করতে ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৯৯৯ সালে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নির্মাণ হয় এই স্মৃতিসৌধ। তবে এই সৌধ রক্ষণাবেক্ষণে নেই তদারকি। সারাদিন থাকছে বখাটে ও মাদক সেবীদের দখলে। এতে একাতারের চেতনা নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ শহীদ বুদ্ধীজীবীর সন্তান ও ইতিহাসবিদদের।

মূল ফটকের সামনে রাজনৈতিক দলের কার্যালয়। রক্ষণাবেক্ষণে দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধায়ক আসেন না নিয়মিত। মন্ত্রণালয় বলছে, আগামী বছর থেকে নেয়া হবে নজরদারির ব্যবস্থা। 

এছাড়া, দেশের সব বধ্যভূমি ও স্মৃতিসৌধ রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পের কাজ শিগগিরই শুরু হচ্ছে বলেও জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।

 

ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি

ফেসবুক মন্তব্য