নিউজটি পড়া হয়েছে 25

নির্বাচনে বিএনপি আসবে কি আসবে না সেটা তাদের সিদ্ধান্ত : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনে আসবে কি আসবে না সেটা তাদের সিদ্ধান্ত।বিএনপিকে সাধাসাধির কিছু নেই।তবে আমার মনে হয় এবার নাকে খত দিয়ে তারা ইলেকশনে আসবে।
প্রধানমন্ত্রীর কম্বোডিয়া সফরে ৯টি সমঝোতা ও একটি চুক্তি সইসহ সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে আজ (বৃহস্পতিবার) বিকাল সাড়ে ৪টায় গণভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন।সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে এমন কোন পরিস্থিতি হয়নি যে আগাম নির্বাচন দিতে হবে।তিনি বলেন, উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নিতে আরও সময় দরকার। যে উন্নয়ন আমি করেছি, আমি চ্যালেঞ্জ দিতে পারি এত অল্প সময়ে আমরা যে উন্নয়ন করে দিয়েছি, সেটা কেউ করে দিতে পারে নাই।
নির্বাচন নিয়ে বিএনপিকে আলোচনার কোনো প্রস্তাব দেওয়া হবে কিনা প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন নিয়ে বিএনপিকে কোন প্রস্তাব দেওয়া হবেনা। নির্বাচনে তারা আসবে কি আসবে না সেটা তাদের সিদ্ধান্ত।যারা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে না, তারা নির্বাচনে আসবে না। এক্ষেত্রে কিছু করার নেই।
তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে কিসের আলোচনা? খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো মারা গেলে আমি তার বাসভবনে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমার মুখের সামনে দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।
রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সমর্থন পাচ্ছে বাংলাদেশ। বিশ্ব আজ বাংলাদেশকে সমীহ করে। বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রাখতে আওয়ামী লীগকে দরকার। জনগণের জন্য কাজ করেছি। আগামীতে জনগণ ভোট না দিলে আফসোস থাকবে না।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমান সাজাপ্রাপ্ত আসামি, আজ হোক কাল হোক তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্র হচ্ছে যুদ্ধপরাধীদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দেওয়া। জামায়েত ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল, কিন্তু জিয়াউর রহমান যুদ্ধপরাধী এই দলটিকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। কারফিউ দিয়ে ক্ষমতা চালিয়েছে জিয়া। খুনীদের দেশে বিদেশে চাকুরী দিয়েছে।

জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত বিশ্বের কেউ মেনে নেবে বলে আমার মনে হয় না। ফিলিস্তিনিদেরও একটি রাষ্ট্র হতে হবে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রথম সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিলো এবং সেজন্য তারা নোবেল পেয়েছিলো। আর এখন তারাই অশান্তির পথে হাঁটলো।
আদালতে খালেদা জিয়ার দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উচিৎ, জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া।
খালেদা জিয়ার “শেখ হাসিনাকে ক্ষমা করে দিয়েছি, প্রতিহিংসামূলক কিছুই করব না” বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে শেখ হাসিনা বলেন, উনি কিসের ক্ষমা করলেন সেটা হল প্রশ্ন। ২১ অগাস্ট আমি যে বেঁচে গিয়েছি সেই কথা বলছেন? ক্ষমা করেছেন না চাইছেন, সেটা স্পষ্ট না।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমি কোনো অপরাধ করেছি নাকি যে আমাকে ক্ষমা করতে হবে? বরং তার উচিৎ দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
তিনি বলেন, সরকার বিএনপি নেত্রীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা করেনি।বরং খালেদা জিয়ার সরকারই তার বিরুদ্ধে এক ডজনের মতো মামলা দিয়েছিল।খালেদার বিরুদ্ধে অধিকাংশ মামলা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়েই হয়েছিল- সে প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কারা ছিল? সবাইতো উনার লোক। নয়জনকে টপকে সেনাপ্রধান করা হয়েছিল মঈন ইউ আহমেদকে, বিশ্ব ব্যাংক থেকে ফখরুদ্দীনকে এনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়। আর ইয়াজউদ্দিনতো ওনার ইয়েস উদ্দিন। সবগুলো ওই আমলের মামলা।
ফেসবুক মন্তব্য
Share Button