নিউজটি পড়া হয়েছে 16

একটি জাতির সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হচ্ছে কোমলমতি শিশুরা : অধ্যাপক আব্দুল হান্নান

নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ আজকের কোমলমতি শিশু-কিশোর আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। একটি জাতির সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হচ্ছে এই কোমলমতি শিশুরা। আজ যারা শিশু তাদেরকে যদি আমরা সযত্নে সুস্থ-সুন্দর পরিবেশে বিকাশ লাভের সুযোগ করে দিই, তাহলে ভবিষ্যতে তারা হবে এদেশের এক একজন আদর্শ, কর্মক্ষম, সুযোগ্য নাগরিক। এক সময় তারা দেশের প্রতিটি সেক্টর-এ অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে এ দেশকে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাবে। আমাদের দেশে এখনো অনেক শিশু সুষ্ঠু বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ থেকে বঞ্চিত। যারা অর্থের অভাবে লেখাপড়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, তাদের প্রতি সুশীল সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। উপরোক্ত কথাগুলো বলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক যুক্তরাজ্য প্রবাসী অধ্যাপক আব্দুল হান্নান।

আজ (শনিবার) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউ,পির কারখানা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণী সমাপনী পরিক্ষা ২০১৭এর বিদায় সংবর্ধনা ও চড়ুইভাতি অনুষ্টানের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বাবু চন্দন নন্দী পুরকায়স্থ এর সভাপতিত্বে ও প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর বখত চৌধুরীর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন নবীগঞ্জ উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম, নবীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাজ্জাক সহকারী শিক্ষা অফিসার জামশেদুর রহমান, খোরশেদ আলম, নবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম রব্বানী, অধ্যাপক আব্দুল হান্নান এর সহধর্মিণী রানা হান্নান, সাংবাদিক শাহ্ সুলতান আহমেদ, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এম,মুজিবুর রহমান, স্থানীয় ইউপি সদস্য ফখরুল ইসলাম জুয়েল, সমাজ সেবক মোঃ আব্দুল আহাদ, মোঃ খালিছ মিয়া, মহিলা ইউপি সদস্য সুজনা বেগম, নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু সালেহ জীবন, সামাজিক সংগটন আদর্শ সামাজিক সংস্থা নবীগঞ্জ উপজেলার সভাপতি সৈয়দ সামছুল ইসলাম, সাবেক প্রধান শিক্ষক গোপেশ চন্দ্র দাশ, দাউদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক আজাদুর রহমান, শিক্ষক পলাশ রতন দাশ, অভিভাবকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মোঃ আবির মিয়া, মোছাং রুবি বেগম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অভিভাবক সহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

উক্ত সভায় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, অভাবের কারণে যদি কোন শিক্ষার্থী লেখাপড়া চালাতে না পারে তবে তাঁর নিজ জন্মস্থান কারখানা বোয়ালজুর গ্রামের হতদরিদ্র শিশু কিশোরদের সম্পূর্ণ তাঁর নিজ খরছে মাষ্টার্স থেকে এম,এ পর্যন্ত লেখাপড়া করানোর সুযোগ করে দিতে তিনি বদ্ধপরিকর। এছাড়াও উক্ত বিদ্যালয়ের সিমানা প্রাচীর নির্মাণ করে দেওয়ার ও আশ্বস্ত প্রদান করেন তিনি।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম/১৮নভেম্বর/ন/প

ফেসবুক মন্তব্য
Share Button