নির্বাচনে সেনা মেতায়েনের প্রস্তাবকে বিবেচনায় নিচ্ছে না নির্বাচন কমিশন।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম :::: বিচারিক ক্ষমতাসহ নির্বাচনে সেনা মেতায়েনের প্রস্তাবকে বিবেচনায় নিচ্ছে না নির্বাচন কমিশন। ইসির আইন সংশোধনী কমিটি বলছে, এই প্রস্তাবটিকে আপাত আমলে নেয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে না। এদিকে গণ-প্রতিনিধিত্ব আদেশ বা আরপিও সংযুক্ত করা হচ্ছে ইভিএম। তবে তা ব্যবহারের বিধান থাকবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আদলে।

সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন চাইলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করতে পারে। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সংজ্ঞায় সেনাকে অন্তর্ভুক্ত কিংবা বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনা বাহিনীকে ভোটের মাঠে নামাতে হলে আনতে হবে আইনের সংশোধনী। নির্বাচন কমিশনের সংলাপে অংশ নেয়া ৪০টি দলের মধ্যে বিএনপিসহ ১১টি দল প্রস্তাব দিয়েছে সেনাবাহিনীর হাতে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার। কিন্তু প্রস্তাবটিকে আমলে নেয়নি নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা নিয়ে কোন আলোচনা হয়নি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ক্ষেত্রে ইভিএম ব্যবহারের বিধান থাকলেও জাতীয় নির্বাচনের আইনে নেই ইভিএম। এবার গণ-প্রতিনিধিত্ব আদেশ বা আরপিওতে ইভিএম সংযুক্ত করার বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, ইউনিয়ন ও সিটি কর্পোরেশনের ম্যানুয়ালে যেভাবে আছে সেই আদলেই নিয়ে আসা হবে। সংলাপে অংশ নেয়া দলগুলোর প্রস্তাব পর্যালোচনা করে আগামী মাসের মধ্যে প্রস্তুত করা হবে আইনের খসড়া।

সূত্র: সময় টিভি

Facebook Comments