নিউজটি পড়া হয়েছে 139

মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বিয়ানীবাজারের ৬ তরুণ ব্যবসায়ীর মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করে বাড়ী ফেরা হলনা তাদের। সিলেটের বিয়ানীবাজারের তরুন ব্যবসায়ীরা ফিরলেন ঠিকই, তবে না ফেরার দেশে যাওয়ার শেষ যাত্রার জন্যই তাদের এ ফেরা। মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় পরিচিত মুখগুলো সোমবার ভোররাতে নরসিংদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। ৮ জনের মধ্যে ৬ জন স্পটেই নিহত হন। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান দুজন। বেঁচে যাওয়া দুইজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

নিহত ৬ তরুন ব্যবসায়ীর মৃত্যুর খবরে বিয়ানীবাজারজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্মৃতিকাতর অনেকেই নিহতদের ফেসবুক ওয়াল থেকে তাদের আপলোড করা ছবিগুলো নিজেদের ওয়ালে আপলোড করছেন। যে ছবিগুলো এখন শুধুই ছবি।

জানা যায়, বিয়ানীবাজারের ৮ তরুণ ব্যবসায়ী শহর থেকে বস্ত্র সংগ্রহ করে কক্সবাজার গিয়েছিলেন রোহিঙ্গাদের মাঝে শীতের কাপড় বিতরণ করতে। উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের মাঝে সেই কম্বল বিতরণ করে তাদের সাথে থাকা মাইক্রেবাস (ঢাকা মেট্টা চ ১৬-০২৫২) নিয়ে বিয়ানীবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন এই ৮ তরুণ ব্যবসায়ী। অাজ ভোরে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার কান্দাইল বাস স্ট্যান্ডের কাছাকাছি স্থানে অপরদিক থেকে একটি বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তারা।

নিহতরা হলেন- বিয়ানীবাজার পৌরশহরের জামান প্লাজার রূপসী ফ্যাশনের মালিক মাথিউরা গ্রামের আবদুল করিম, শখ কসমেটিকসের স্বত্তাধিকারী ছোট দেশের খায়রুল বাশার খান খয়ের, মতিন ক্লথ স্টোরের স্বত্তাধিকারীর ভাগনে শ্রীধরা গ্রামের জুবের আহমদ, ডিস্ট্রিবিউটর কাকরদিয়ার ইকবাল হোসেন, কসবার বাবুল আহমদ ও মাইক্রোবাস চালক বাবুল হোসেন।

আহতরা হলেন জামান প্লাজার হাফিজ ক্লথ ষ্টোরের স্বত্তাধিকারী হাফিজ উদ্দিন এবং জারি ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী দেলওয়ার হোসেন।

ফেসবুক মন্তব্য