নিউজটি পড়া হয়েছে 9

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭১তম জন্মদিন আজ।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭১তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৭ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব নেন শেখ হাসিনা।

এবারও তার জন্মদিন উপলক্ষ্যে কেক কাটা বা আনন্দ-উৎসব করা থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। শুধু মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডাসহ উপাসনালয়ে প্রার্থনা করা হবে।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট নৃসংশ এক হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সপরিবারে খুন হন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জার্মানিতে অবস্থান করায় বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

ছয় বছর প্রবাসে থাকার পর ১৯৮১ সালের ১৭ই মে দেশে ফেরেন শেখ হাসিনা। এর আগেই দলের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি।

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে তার নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ।

ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বিশ্বব্যাংকের ঋণ জটিলতার পরও পদ্মসেতুর মতো বড় প্রকল্পের কাজ শুরু করা শেখ হাসিনার অসম সাহসিকতারই প্রমাণ বলে মনে করেন কাজী জাফরুল্লাহ।

বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৪ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করা, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, দেশকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে অসামান্য অগ্রগতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিণত নেতৃত্বের সাক্ষর বলে মনে করেন এই রাজনীতিক।

ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন মনে করেন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক-দুই পরিমণ্ডলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মতৎপরতা আস্থা রাখার মতো। তিনি মনে করেন, মানুষ হিসেবে শেখ হাসিনার স্থান অনেক উপরে।

২৫ আগস্ট নতুন করে রোহিঙ্গা সংকট শুরু হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকা দেশে বিদেশে বিপুল প্রশংসিত হয়। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ যখন শরণার্থীদের আশ্রয় না দিয়ে সীমান্ত বন্ধ করে দিচ্ছে, সেখানে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া নজির হয়ে থাকবে।

এই অনন্য মানবিক ভূমিকার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ আখ্যা দেয় ব্রিটিশ গণমাধ্যম চ্যানেল ফোর।

ফেসবুক মন্তব্য
Share Button