রোহিঙ্গাদের নোয়াখালীর ঠেঙ্গার চরে পুনর্বাসনের পরিকল্পনাঃ

সিলনিউজ২৪.কম অনলাইন ডেক্সঃ প্রায় ২৫ বছর আগে জেগে উঠা এ চরটিতে কোন জনবসতি নেই। চরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ প্রায় ১২ কিলোমিটার।নোয়াখালী থেকে ট্রলারে যেতে সময় লাগে দুই ঘন্টা। বনবিভাগের তদারকিতে গত ১৫-২০ বছর ধরে সেখানে বনায়ন হচ্ছে।

যেখানে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব  ঠেঙ্গার চর পরিদর্শন করেন এসেছেন। তার সাথে ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী।মোহাম্মদ আলী বলেন- “ঠেঙ্গার চর বেশ সুন্দর। চতুর্দিকে প্রচুর মাছ। এটাকে মাছের অভয়ারণ্য বলা যেতে পারে। রোহিঙ্গাদের এ এলাকায় পুনর্বাসন করা হলে তাদের জীবন-জীবিকায় কোনও সমস্যা হবেনা বলে তিনি মনে করেন।

চর পরিদর্শনের পর সামরিক সচিব বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছেন। এর মধ্যে আছে গাছ কাটা বন্ধ করা, নৌযান নোঙর করার জন্য জেটি নির্মাণ, বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য নলকূপ স্থাপন ইত্যাদি। সরকার মনে করছে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের আবাসস্থল যেভাবে গড়ে উঠছে তাতে পর্যটন ক্ষতিগ্রস্ত হবার পাশাপাশি নানা ধরনের সামাজিক সমস্যাও তৈরি হচ্ছে। সে জন্যই রোহিঙ্গাদের ঠেঙ্গার চরে সরিয়ে নেবার পরিকল্পনা ।

ঠেঙ্গারচরে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী এরই মধ্যে ঢাকায় বিদেশী কূটনীতিকদের সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

কর্মকর্তারা বলছেন, ঠেঙ্গার চরে রোহিঙ্গারা যাতে বসবাস করতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। কিন্তু এটি নিতান্তই সাময়িক ব্যবস্থা বলে বলছেন সরকারের ঊর্ধ্বতন মহল। কারণ শেষ পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে সরকার আশাবাদী।

ফেসবুক মন্তব্য