ঢাকা উত্তর সিটি এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বসছে ৬ হাজার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বসানো হচ্ছে ৬ হাজারের বেশি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। এরই মধ্যে ১১শ ক্যামেরা চলছে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়। রাস্তায় নজরদারি জোরদার করতে আগামী বছরের মধ্যে ৪০ হাজার এলইডি বাতি বসানোর প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।

নগরীর কূটনৈতিক পাড়াসহ অভিজাত এলাকা ছেয়ে রাখা হয়েছে ১১শ সিসি ক্যামেরায়। বারিধারা, গুলশান, বনানী, নিকেতন ও মহাখালীর বেশিরভাগ সড়ক এখন ২৪ ঘন্টা পুলিশের নজরদারিতে।

জানা গেছে এসব ছবি ৬০ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা হয়। পুলিশের দাবি, এ সময়ের মধ্যে নগরবাসী কোনো অভিযোগ নিয়ে গেলে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব। এমনকি অপরাধীর গতিবিধিও নজরদারীতে রাখা সম্ভব।

তবে এই নিরাপত্তা সুবিধা পাচ্ছেন শুধু অভিজাত এলাকার মানুষ। আবার সিসি ক্যামেরা থাকার পরেও সম্প্রতি গুলশান থেকে ব্যবসায়ী অনিরুদ্ধ রায় অপহরণের কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এছাড়া বনানী ফ্লাইওভার এলাকা থেকে ব্যবসায়ী সাদাত আহমেদ অপহরণে জড়িতদেরও শনাক্ত করা যায়নি।

গুলশানের হলি আর্টিজেনে হামলা, ইতালীর নাগরিক সিজার তাবেলা হত্যা প্রেক্ষাপটে ২০১৬ সালে মেয়র আনিসুল হক কূটনৈতিক পাড়া সহ অভিজাত এলাকা ও নগরীর গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেন।

এ বছর শুরুর দিকে একনেক সভায় উত্তর সিটি কর্পোরেশনে আরো ৪শ ২২ কোটি টাকার ৫ হাজার সিসি ক্যামেরা ও ৪০ হাজার এলইডি বাতি বসানোর প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। তবে এরপর প্রকল্পটির কোনো অগ্রগতি নেই।

এ প্রকল্পে ১৫৭ কোটি টাকার ক্যামেরা, কন্ট্রোল রুম, হার্ডওয়ার ও সফটওয়ার ছাড়াও ২শ ৮০ কোটি টাকার এলইডি বাতি বসানোর কথা রয়েছে। বাস্তবায়নের জন্য সহায়তা চাওয়া হয়েছে সেনাবাহিনীর।

Facebook Comments