নিউজটি পড়া হয়েছে 7

বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়া বধ, নতুন ইতিহাস গড়ল টাইগাররা।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: ঢাকা টেস্ট জয়ের জন্য চতুর্থ দিনে স্বাগতিক বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৮ উইকেট, অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার দরকার পড়ে ১৫৬ রানের। শেষ অবধি এই পরীক্ষায় পাশ করলো বাংলাদেশে, গড়ল ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে প্রথম টেস্টে ঐতিহাসিক জয় পেল বাংলাদেশ। ২০ রানের এ জয় যেনো নতুন ইতিহাসের নতুন বার্তা।

চতুর্থ দিনে প্রথম ঘণ্টায় ডেভিড ওয়ার্নার আর স্টিভ স্মিথ জুটি ৬৫ রান তুলে ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে দিয়েছিলেন বাংলাদেশকে। কিন্তু শেষ এক ঘণ্টায় অস্ট্রেলিয়ার ৫ উইকেট তুলে নিয়ে মিরপুরে নতুন ইতিহাসের জন্ম দেয় টিম বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়ার শেষ আশার প্রদীপ হয়ে ক্রিজে ছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। কিন্তু লাঞ্চের পর প্রথম বলেই তাকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান সাকিব। এরপর লায়নকে সৌম্যর ক্যাচে পরিণত করেন মিরাজ। সাকিব-তাইজুলের ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে পড়ে অজি ব্যাটসম্যানরা। তা থেকে তারা অার বের হয়ে অাসতে পারেনি।

সকালের সেশনেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে অস্ট্রেলিয়া। সাকিবের একে একে শিকার করেছেন ওয়ার্নার, স্মিথ, ম্যাথু ওয়েড ও অ্যাশটন অ্যাগারকে। আর হ্যান্ডসকম্ব ও অ্যাগারের উইকেট তুলে নিয়েছেন তাইজুল। অস্ট্রেলিয়ান শেষ দুই ব্যাটসম্যান দলকে আর রক্ষা করতে পারেঞ্জ। হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো দুজনকে।

ম্যাচ জেতার জন্য তখন মাত্র ২১ রান দূরে বাংলাদেশ, এসময় তাইজুলের শেষ আক্রমণের শিকার হন হ্যাজেলউড। সাথে সাথেই ননতুন ইতিহাসের জন্ম দেয় টাইগাররা, ঈদের শ্রেষ্ঠ উপহারটা দেশবাসীকে তুলে দেয় মুশফিক বাহিনী। দলীয় ২৪৪ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ৬০ রান দিয়ে তাইজুল পেয়েছেন ৩ উইকেট, আর সাকিব ৮৫ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ৫ উইকেট।

এর আগে ক্যারিয়ারের ১৯তম শতক পূরণ করেন অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার, ১১২ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। স্মিথ করেন ৩৯ রান।

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট ম্যাচে টাইগারদের জন্য সব থেকে বড় বিষয় ছিল ব্যাক টু ব্যাক সাকিবের পাঁচ-পাঁচ দশ উইকেট তুলে নেয়া। সেই সুবাদে ম্যাচ শেষে ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কারটাও পেয়েছেন সাকিব।

ফেসবুক মন্তব্য
Share Button