নিউজটি পড়া হয়েছে 9

ধর্ষনের অভিযোগে ভারতে আলোচিত ধর্মগুরু রাম রহিম সিংয়ের ১০ বছরের কারাদণ্ড।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::: ভারতে আলোচিত ধর্মগুরু রাম রহিম সিংয়ের ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। ধর্ষনের দায়ে এ সাজা হল তার। রায় ঘোষণার পর হরিয়ানা ও পাঞ্জাবে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। সহিংসতা হলেই গুলি চালাবে পুলিশ। শুক্রবার রাম রহিমকে দোষী সাব্যস্তের পর, এ পর্যন্ত নিহত হয়েছে ৩৮ জন।

দুই অনুসারীকে ধর্ষণের অভিযোগে শুক্রবার দোষী সাব্যস্ত হন হরিয়ানার ধর্মগুরু ৫০ বছরের গুরমিত রাম রহিম সিং। আদালতের সিদ্ধান্তের পরপরই হরিয়ানা ও পাঞ্জাবসহ সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।

এ পরিস্থিতিতে হরিয়ানার রোহতাক জেলেই তাকে সাজা পড়ে শোনানোর সিদ্ধান্ত হয়। সোমবার বিকেলে রাম রহিমকে সাজার রায় পড়ে শোনান বিচারক জাগদ্বীপ সিং। মামলার তদন্তকারী কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা- সিবিআই রাম রহিমের সর্বোচ্চ সাজা চাইলেও, তার সামাজিক কর্মকাণ্ড বিবেচনায় আদালত ১০ বছরে কারাদণ্ড দেন।

রায়কে কেন্দ্র করে কারাগার ও আশপাশের এলাকায় নেয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা। এদিকে, গতকাল থেকে সিরসায় রাম রহিমের আস্তানা ডেরা সাচ্চা সওদায় জড়ো হয়েছে প্রায় দেড় লাখ সমর্থক। তারা রাম রহিমের পক্ষে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় হরিয়ানার রোহতাক ও সিরসায় তিন হাজার প্লাটুন আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। হরিয়ানা ও পাঞ্জাবে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। বন্ধ রয়েছে ইন্টারনেট সংযোগ আর স্কুল ও কলেজ।

এদিকে হরিয়ানা ও পাঞ্জাবই নয়, দিল্লির ডেরা সাচ্চা সওদার ১৩০টি ক্যাম্পাসও বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন। ধর্মের নামে সহিংসতাকারীদের কঠোর হাতে দমনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ধর্ষণের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত গুরমিত রাম রহিমের বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র রাখা, খুন, সাধুদের খোজা করাসহ বহু অভিযোগ রয়েছে। সারা বিশ্বে তার ভক্ত সংখ্যা অন্তত ৬ কোটি। এক সাংবাদিকের চিঠির ভিত্তিতে ২০০২ সালে সিবিআই গুরমিত রাম রহিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তদন্ত শুরু করে।

ফেসবুক মন্তব্য
Share Button