নিউজটি পড়া হয়েছে 6

ইসিকে ‘জাতীয় পরিষদ’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে মুক্তিজোট।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে একটি ‘জাতীয় পরিষদ’ গঠনের মাধ্যমে বিধি-বিধানগুলো সংস্কার করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট)।

মুক্তিজোটের প্রস্তাব অনুযায়ী রাজনেতিক দলগুলোর প্রধানদের সমন্বয়ে গঠিত এই পরিষদের আহবায়ক হবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং পরিষদের চূড়ান্ত নির্দেশকারী হবেন রাষ্ট্রপতি।রাজধানী আগারগাঁয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির সাথে সংলাপে এ প্রস্তাব দেয় মুক্তিজোট।

সিইসি কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় এ সংলাপ শুরু হয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ধারাবাহিক সংলাপের প্রথম দিন ছিল কাল। সংলাপ শেষে মুক্তিজোটের নির্বাহী প্রধান মুহাম্মদ আমিনুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, কমিশনের মেয়াদ শেষ হলে পরবর্তী কমিশন গঠনের জন্য কোনো সার্চ কমিটি গঠনের প্রয়োজন নেই। দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় পরিষদই কমিশন গঠন করবেন।

তিনি জানান, মুক্তিজোট প্রত্যেক নাগরিককে তাদের স্থায়ী ঠিকানায় ভোটার হওয়ার বিধান করা, দূতাবাসের মাধ্যমে প্রবাসীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা, ইসির জনবল বৃদ্ধি এবং প্রথমে সল্প পরিসরে স্থানীয় নির্বাচন গুলোতে ই-ভোটিং এর প্রয়োগ করে পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনে প্রয়োগের বিষয়টি ভাবার প্রস্তাব দিয়েছে।

বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রধান আবু লায়েস মুন্না, জয়েন্ট সংগঠন প্রধান আমিনা খাতুন ওমী শিকাদার, নির্বাহী প্রধান মুহাম্মদ আমিনুর রহমান, জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি প্রধান শাহজামাল আমিরুলসহ ১১ সদস্যের প্রতিনিধি সংলাপে অংশ নেন।

সংলাপ শেষে ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, জাতীয় নির্বাচনের সময় ৫ দিন ছুটি প্রদান, নির্বাচনকালীয় জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসির অধীনে থাকা এবং দলগুলোকে ভোটার তালিকার সিডি ও ডিভিডি প্রদানের প্রস্তাব করেছে। তিনি জানান, এর আগে সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের দেয়া সুপারিশও প্রস্তাবগুলো তাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে।

তিনি জানান, সকালে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) এর সাথে সংলাপের সিডিউল ছিল। কিন্তু দলটি বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণে ব্যস্ত থাকায় সংলাপে যোগ দিতে পারেনি বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এবং তারা আরেকটি সময় চেয়েছে। আগামী ২৭ আগস্ট কমিশন বৈঠকে তাদের নতুন সময় দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে বলে তিনি জানান।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে নির্বাচন বিশেষজ্ঞসহ অংশীজনদের সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ শুরু করে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৮ আগস্ট সোমবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ মুসলীম লীগ-বিএমএল ও বিকেল ৩ টায় খেলাফত মজলিশের সাথে সংলাপে বসবে ইসি। বাসস

ফেসবুক মন্তব্য
Share Button