বন্যা কবলিত এলাকায় নতুন ফসল ঘরে না উঠা পর্যন্ত ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত থাকবে : প্রধানমন্ত্রী

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: বন্যা কবলিত এলাকায় নতুন ফসল ঘরে না উঠা পর্যন্ত, ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জনপদের মানুষের পুনর্বাসনে যে যে পদক্ষেপ নেয়া জরুরি, সরকার পক্ষ থেকে তার সবই করা হবে।

আজ রোববার দিনাজপুর ও কুড়িগ্রামে বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দুর্গত এলাকায় পরিচালিত বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের ঋণ পরিশোধের জন্য কোনো চাপ প্রয়োগ করা চলবে না।

দুই সপ্তাহের অতি বৃষ্টি আর উজানের পানির ঢলে গ্রামের পর গ্রাম ভয়াবহ বন্যার কবলে পরে শস্য ভাণ্ডার খ্যাত উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর সহ বেশ কয়েকটি জেলা। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের নিয়ে দিনাজপুর সফর করলেন সরকার প্রধান শেখ হাসিনা।

সকালে জেলা স্কুল মাঠে ত্রাণ তুলে ৫ হাজার ভুক্তভোগীর হাতে। এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, বন্যার ক্ষতি সামলে উঠতে সরকার পাশে রয়েছে দুর্গতদের। যতদিন পর্যন্ত ফসল উঠবে ততদিন পর্যন্ত খাদ্য সরবরাহ যাতে নিশ্চিত থাকে তার ব্যবস্থা আমরা করে দিব। ঘরবাড়ি যাতে দ্রুত তৈরি করা যায় তার জন্যে টিনের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। যতক্ষণ আমি আছি এটুকু বলতে পারি আপনাদের জন্যে নিবেদিত প্রাণ। আমার বাবা জীবন দিয়ে গেছে আমিও আপনাদের ভাগ্য পরিবর্তনে প্রয়োজনে জীবন দিব।

এরপর প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ দিতে যান অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা বিরলে। ত্রাণ বিতরণের পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর রোগের পাদুর্ভাব যেন না ঘটে তার জন্যে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের উপরে হপ্তা তোলার নামে যেন জুলুম করা না হয়। সকল এনজিওকে আমি নির্দেশ দিচ্ছি। এছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিচ্ছি বন্যার পানি নামার পর রোগের পাদুর্ভাব নিয়ে তারা যেন সচেতন থাকে।’

এরপর প্রধানমন্ত্রী ছুটে যান উত্তরের আরেক বন্যা কবলিত এলাকা কুড়িগ্রামে। এসময় ক্ষতিগ্রস্ত একহাজার পরিবারের হাতে ত্রাণ তুলে দিয়ে তিনি বলেন বন্যার ক্ষতি নিরূপণে যা যা করা প্রয়োজন সব করছে সরকার।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx