ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বন্যায় রেল যোগাযোগ বন্ধ।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::: বানভাসি হওয়ার দু’দিন পরেও উত্তরের সঙ্গে দক্ষিণের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। বহু জায়গায় পানির নীচে রেলপথ। কোথাও সেতু ভেঙে ঝুলে রয়েছে লাইন। তাই বাতিল হয়ে গিয়েছে উত্তরবঙ্গ ও অাসামগামী সব ট্রেন। কবে থেকে অাবার লাইন খুলবে সে বিষয়েও ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনে আটকে থাকার ফলে মালদহ টাউন স্টেশনে এক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বহু জায়গায় সড়ক পথ নদীর চেহারা নেওয়ায় যানবাহন চলাচলও কার্যত বন্ধ। উত্তরবঙ্গ এবং বিহারের বন্যা পরিস্থিতির জেরে কলকাতা থেকে দার্জিলিং মেল, উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস, কামরূপ এক্সপ্রেস-সহ ১০টি দূরপাল্লার ট্রেন ছাড়েনি।

আজ বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মালদহ এবং কাটিহার টাউন পর্যন্ত আসা সমস্ত ট্রেন বাতিল করেছে রেলবোর্ড। পরে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার রেলের তরফে জানানো হয়েছে, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, কিষানগঞ্জের মতো জায়গায় লাইনে এখনও পানি জমে আছে। বারসইয়ে সেতু ভেঙে লাইন ঝুলে আছে। এই অবস্থায় ট্রেন বাতিল করা ছাড়া উপায় নেই। এদিন ১৬টি ট্রেন বাতিল করেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে।

মঙ্গলবার বাতিল করা হয়েছে ১৯টি ট্রেন। এ ছাড়াও একাধিক ট্রেনের যাত্রাপথ বদলানো বা ছোট করা হয়েছে। লাইন ও রেলসেতুগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পানও কমলেও দ্রুত ট্রেন চালু করতে পারবে না রেল দফতর। ট্রেন চালানোর আগে সরেজমিনে লাইন পরিদর্শন করতে হবে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণবজ্যোতি শর্মা বলেন, রেলের বিভিন্ন এলাকার পরিস্থিতি ঘুরে দেখছেন। কাটিহার, গুয়াহাটি এবং এনজেপি থেকে যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরতও দেওয়া হচ্ছে।

রেলের মতো সড়ক যোগাযোগেরও বেহাল দশা। পানির তোড়ে রাস্তা ভেসে যাওয়ায় শিলিগু়ড়ি, কোচবিহার, বালুরঘাট রুটে সরকারি বাস চলাচল এখন বন্ধ। জাতীয় সড়ক জলমগ্ন হওয়ার ফলে রায়গঞ্জের পরে আর যানবাহন যেতে পারছে না। বেসরকারি বাসগুলি ঘুরপথে যেতে হবে বলে জানিয়ে ইচ্ছেমতো ভাড়া নিচ্ছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের। সূত্র: আনন্দবাজার

ফেসবুক মন্তব্য
xxx